ঢাকা , রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

তানোরে সরকারি অনুদানের গো-খাদ্য চোরাপথে বিক্রি

এখলাস উদ্দীনঃ

রাজশাহীর তানোরে প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের সরকারি অনুদানের গো-খাদ্য চোরাপথে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।এনিয়ে আদিবাসী পল্লীর বাসিন্দাদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার (১৯জুন) সকালে লক্ষী রাম অটো ভ্যানে ১৬ বস্তা গো-খাদ্য চোরাপথে বিক্রির উদ্দেশ্যে কেশরহাট নিয়ে যাবার সময় গ্রামবাসি আটক করে প্রাণী সম্পদ অফিসকে জানান।এবং খাবারের বস্তাগুলো লক্ষী রামের বাড়িতে জমা রাখেন।কিন্ত্ত সন্ধ্যার পরপরই খাবারের বস্তা পাচার করে দেয়।

উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) কালনা আদিবাসী পল্লীর বাসিন্দা ও প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরে কর্মরত একজন গ্রাম্য পশুচিকিৎসক লক্ষী রাম। দীর্ঘদিন যাবত তিনি অনুদানের গো-খাদ্য চোরাপথে বিক্রি করে আসছেন। জানা গেছে, সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প ক্ষুদ্রনৃ-গোষ্ঠীর অধিবাসীদের মাঝে বিনামুল্যে গরু বিতরণ করা হয় এবং প্রতি মাসে এসব গরুর খাবার দেয়া হয়। তবে বিতরণের সিংহভাগ গরু উপকারভোগীরা বিক্রি করে দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার যোগসাজশে অফিস থেকে লক্ষী সরেন উপকারভোগীদের খাবার নিয়ে এসে চোরাপথে বিক্রি করে আসছে।
স্থানীয় বাসিন্দা দুলাল জানান,তিনি গরু পেয়েছেন তবে কখানো খাবার পাননি।বিষয়টি অফিসের স্যারদের জানানো হলেও কোনো প্রতিকার হয়নি।স্থানীয় অটোভ্যান চালক বলেন,তিনি বেশ কয়েকবার লক্ষী সরেনের বাড়ি থেকে এসব খাবারের বস্তা কেশরহাট নিয়ে গেছেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে লক্ষী রাম বলেন,অফিস না জানলে কি এতো খাবার তার বাড়িতে থাকে। তিনি বলেন, তিনি খাবার বিক্রি করেছেন তার কোনো প্রমাণ আছে।তিনি আরো বলেন,উপকারভোগীরা তো গরু-ছাগল বিক্রি করে দেয় তাদের তো কিছু হয় না।

এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা, ওয়াজেদ আলী মিয়া বলেন,বিষযটি তিনি শুনেছেন।তিনি বলেন,এবিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আলমডাঙ্গায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ তিন ডাকাত গ্রেফতার

error: Content is protected !!

তানোরে সরকারি অনুদানের গো-খাদ্য চোরাপথে বিক্রি

আপডেট টাইম : ১১ ঘন্টা আগে
এখলাস উদ্দীন, গোদাগাড়ী (রাজশাহী) প্রতিনিধি :

এখলাস উদ্দীনঃ

রাজশাহীর তানোরে প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের সরকারি অনুদানের গো-খাদ্য চোরাপথে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।এনিয়ে আদিবাসী পল্লীর বাসিন্দাদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার (১৯জুন) সকালে লক্ষী রাম অটো ভ্যানে ১৬ বস্তা গো-খাদ্য চোরাপথে বিক্রির উদ্দেশ্যে কেশরহাট নিয়ে যাবার সময় গ্রামবাসি আটক করে প্রাণী সম্পদ অফিসকে জানান।এবং খাবারের বস্তাগুলো লক্ষী রামের বাড়িতে জমা রাখেন।কিন্ত্ত সন্ধ্যার পরপরই খাবারের বস্তা পাচার করে দেয়।

উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) কালনা আদিবাসী পল্লীর বাসিন্দা ও প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরে কর্মরত একজন গ্রাম্য পশুচিকিৎসক লক্ষী রাম। দীর্ঘদিন যাবত তিনি অনুদানের গো-খাদ্য চোরাপথে বিক্রি করে আসছেন। জানা গেছে, সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প ক্ষুদ্রনৃ-গোষ্ঠীর অধিবাসীদের মাঝে বিনামুল্যে গরু বিতরণ করা হয় এবং প্রতি মাসে এসব গরুর খাবার দেয়া হয়। তবে বিতরণের সিংহভাগ গরু উপকারভোগীরা বিক্রি করে দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার যোগসাজশে অফিস থেকে লক্ষী সরেন উপকারভোগীদের খাবার নিয়ে এসে চোরাপথে বিক্রি করে আসছে।
স্থানীয় বাসিন্দা দুলাল জানান,তিনি গরু পেয়েছেন তবে কখানো খাবার পাননি।বিষয়টি অফিসের স্যারদের জানানো হলেও কোনো প্রতিকার হয়নি।স্থানীয় অটোভ্যান চালক বলেন,তিনি বেশ কয়েকবার লক্ষী সরেনের বাড়ি থেকে এসব খাবারের বস্তা কেশরহাট নিয়ে গেছেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে লক্ষী রাম বলেন,অফিস না জানলে কি এতো খাবার তার বাড়িতে থাকে। তিনি বলেন, তিনি খাবার বিক্রি করেছেন তার কোনো প্রমাণ আছে।তিনি আরো বলেন,উপকারভোগীরা তো গরু-ছাগল বিক্রি করে দেয় তাদের তো কিছু হয় না।

এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা, ওয়াজেদ আলী মিয়া বলেন,বিষযটি তিনি শুনেছেন।তিনি বলেন,এবিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।