দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
১২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
৭৫৯
বার পঠিত
ভারতের স্থানীয় ‘খাসি’ ভাষায় কুরআনের অনুবাদ প্রকাশ
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইসলাম ও কুরআনের বাণী ছড়িয়ে দেয়ার মানসে স্থানীয় ও উপজাতি ভাষায় প্রকাশিত হয়ে আসছে পবিত্র গ্রন্থ কুরআনের অনুবাদ ও তাফসির। এবার ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্য মেঘালয়ের স্থানীয় ‘খাসি’ ভাষায় অনূদিত হলো পবিত্র কুরআন। গত শনিবার ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলংয়ে স্থানীয় ‘খাসি’ ভাষায় অনূদিত কুরআনের প্রকাশনা অনুষ্ঠিত হয়। খবর শিলং টাইমস। সেং ভালাং ইসলাম ইনস্টিটিউট (Seng Bhalang Islam institute) কুরআনের ইংরেজি ভার্সন থেকে স্থানীয় ‘খাসি’ ভাষাভাষী মানুষের জন্য কুরআনের অনুবাদ প্রকাশ করে। ‘খাসি’ ভাষায় কুরআনের অনুবাদ হওয়ায় স্থানীয়রা সহজেই কুরআনের জ্ঞানার্জন ও বিধান বাস্তবায়নে সক্ষম হবে। ‘খাসি’ ভাষায় অনুবাদের সম্পাদনা বোর্ড দীর্ঘ ১২ বছরের পরিশ্রমে ১২৫১ পৃষ্ঠার এ পাণ্ডুলিপিটি প্রকাশ করে। প্রাথমিকভাবে এ ভাষায় কুরআনের ৩হাজার কপি ছাপানো হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ‘খাসি’ ভাষা অস্টোয়াসেটিক ভাষার অংশ। মেঘালয়ে এ ভাষার ১.৬ মিলিয়ন তথা ১৬ লাখ লোকের বসবাস। এ ছাড়াও ভারতের সীমান্তবর্তী দেশে বসবাসকারী অনেকেরই মাতৃভাষা ‘খাসি’। ২০০৫ সাল থেকে মেঘালয় জেলার অনেক অফিসে ‘খাসি’ ভাষাকে সহযোগি অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে ব্যবহৃর করে আসছে। ২০১২ সালের জরিপে ইউনেস্কো ‘খাসি’ ভাষাকে বিপন্ন ভাষা হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করেনি। ‘খাসি’ ভাষায় কুরআনের অনুবাদ হওয়ায় ইসলাম ও কুরআনের দাওয়াতের প্রচার-প্রচারণা আরেক ধাপ এগিয়ে গেল। এভাবে পৃথিবীর সব ভাষায় অনুবাদ হবে মহাগ্রন্থ আল-কুরআন। সে প্রত্যাশায়…
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইসলাম ও কুরআনের বাণী ছড়িয়ে দেয়ার মানসে স্থানীয় ও উপজাতি ভাষায় প্রকাশিত হয়ে আসছে পবিত্র গ্রন্থ কুরআনের অনুবাদ ও তাফসির। এবার ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্য মেঘালয়ের স্থানীয় ‘খাসি’ ভাষায় অনূদিত হলো পবিত্র কুরআন।
গত শনিবার ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলংয়ে স্থানীয় ‘খাসি’ ভাষায় অনূদিত কুরআনের প্রকাশনা অনুষ্ঠিত হয়। খবর শিলং টাইমস।
সেং ভালাং ইসলাম ইনস্টিটিউট (Seng Bhalang Islam institute) কুরআনের ইংরেজি ভার্সন থেকে স্থানীয় ‘খাসি’ ভাষাভাষী মানুষের জন্য কুরআনের অনুবাদ প্রকাশ করে।
‘খাসি’ ভাষায় কুরআনের অনুবাদ হওয়ায় স্থানীয়রা সহজেই কুরআনের জ্ঞানার্জন ও বিধান বাস্তবায়নে সক্ষম হবে।
‘খাসি’ ভাষায় অনুবাদের সম্পাদনা বোর্ড দীর্ঘ ১২ বছরের পরিশ্রমে ১২৫১ পৃষ্ঠার এ পাণ্ডুলিপিটি প্রকাশ করে। প্রাথমিকভাবে এ ভাষায় কুরআনের ৩হাজার কপি ছাপানো হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, ‘খাসি’ ভাষা অস্টোয়াসেটিক ভাষার অংশ। মেঘালয়ে এ ভাষার ১.৬ মিলিয়ন তথা ১৬ লাখ লোকের বসবাস। এ ছাড়াও ভারতের সীমান্তবর্তী দেশে বসবাসকারী অনেকেরই মাতৃভাষা ‘খাসি’।
২০০৫ সাল থেকে মেঘালয় জেলার অনেক অফিসে ‘খাসি’ ভাষাকে সহযোগি অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে ব্যবহৃর করে আসছে। ২০১২ সালের জরিপে ইউনেস্কো ‘খাসি’ ভাষাকে বিপন্ন ভাষা হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করেনি।
‘খাসি’ ভাষায় কুরআনের অনুবাদ হওয়ায় ইসলাম ও কুরআনের দাওয়াতের প্রচার-প্রচারণা আরেক ধাপ এগিয়ে গেল। এভাবে পৃথিবীর সব ভাষায় অনুবাদ হবে মহাগ্রন্থ আল-কুরআন। সে প্রত্যাশায়…