মানিক কুমার দাস:
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ফরিদপুর শহরের টেপাখোলা এলাকার ঐতিহ্যবাহী গরুর হাটে জমজমাট বেচাকেনা শুরু হয়েছে। ঈদ উপলক্ষে ফরিদপুরসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা থেকে বিপুল সংখ্যক গরু এ হাটে আনা হয়েছে।
বড় ট্রাক, পিকআপ, নসিমনসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে করে খামারি ও ব্যবসায়ীরা পশু নিয়ে হাটে অংশগ্রহণ করছেন। মঙ্গলবার সকাল থেকে হাটের কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুতে ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়তে থাকে।
তবে দুপুরের দিকে এক পশলা বৃষ্টির কারণে ক্রেতা ও বিক্রেতারা কিছুটা ভোগান্তির শিকার হন। বৃষ্টির ফলে হাটসংলগ্ন সড়কে পানি জমে যাওয়ায় চলাচলেও দুর্ভোগ দেখা দেয়।
হাটে ছোট, মাঝারি ও বড়—সব ধরনের গরু উঠলেও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এছাড়া ছোট গরুর চাহিদাও উল্লেখযোগ্য। বিক্রেতাদের তথ্য অনুযায়ী, হাটে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা মূল্যের গরুও কেনাবেচা হচ্ছে।
হাট কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তা ও সুবিধা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে। পুরো হাট সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। জাল টাকা শনাক্তে বিশেষ মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে এবং নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দল দায়িত্ব পালন করছে। পাশাপাশি পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
হাটে আসা বিক্রেতারা জানান, প্রতি বছরই তারা টেপাখোলা গরুর হাটে পশু নিয়ে আসেন। হাটের পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের আশা, ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বেচাকেনার পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে।
সব মিলিয়ে ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে টেপাখোলা গরুর হাট এখন ক্রেতা-বিক্রেতার সরব উপস্থিতিতে উৎসবমুখর ও প্রাণচঞ্চল পরিবেশে পরিণত হয়েছে।

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি 
মানিক কুমার দাস, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি 




















