প্রদীপ্ত চক্রবর্তী:
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটছে। মন্দির ও বসতবাড়িতে চুরি, গরু চুরি, পুকুর থেকে মাছ চুরি, মাদক বেচাকেনা এবং জমি দখল-বেদখলের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে রাত গভীর হলে চোরচক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। পূর্ব হাবিলাসদ্বীপ থেকে মধ্যম হাবিলাসদ্বীপ হয়ে পশ্চিম হাবিলাসদ্বীপ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, গত এক মাসে শ্রী শ্রী মগদেশ্বরী মন্দির, কাত্যায়নী সংঘ শ্যামা মাতৃ মন্দির-সহ অন্তত ১২টি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন বাবুল সেন, কাঞ্চন মজুমদার, দীপক নন্দী এবং ফরেস্ট নামে এক বাসিন্দা।
অভিযোগ রয়েছে, চোরেরা মন্দিরের বিগ্রহের অলংকার, তামা ও পিতলের বিভিন্ন উপকরণ, দানবাক্সের অর্থ, বসতবাড়ির মূল্যবান সামগ্রী এবং খামার ও গোয়ালঘর থেকে গরু চুরি করে নিয়ে গেছে। পাশাপাশি এলাকায় অবাধে মাদক বেচাকেনা, কৃষি জমির উর্বর মাটি (টপ সয়েল) কেটে বিক্রি এবং জমি দখলের ঘটনাও ঘটছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, এসব বিষয়ে পটিয়া থানা ও কালারপুল পুলিশ ফাঁড়িকে অবহিত করা হলেও দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না।
তবে এ বিষয়ে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, “আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
ক্রমবর্ধমান চুরি ও অপরাধ কর্মকাণ্ড রোধে এলাকায় পুলিশের টহল বৃদ্ধি এবং দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি 
প্রদীপ্ত চক্রবর্তী, পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 




















