ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

পটিয়ায় বিএনপির এনামের সাথে জামায়াতের ডাঃ ফরিদের লড়াই কেমন হবে ?

প্রদীপ্ত চক্রবর্তীঃ

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি। নিবন্ধন স্থগিত থাকায় এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কোন প্রার্থী নেই। আওয়ামী লীগ বিহীন এই নির্বাচনে বিএনপির মো: এনামুল হকের বিরুদ্ধে ১১ দলীয় জোট প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর ডা: ফরিদুল আলম সরাসরি ভোট যুদ্ধে নেমেছে। জয়ের ব্যাপারে উভয় দল মরিয়া। পটিয়া সংসদীয় আসনে বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থা বেশ মজবুত। তৃণমূল পর্যায়ে রয়েছে দলটির ব্যাপক জনপ্রিয়তা।কিন্তু প্রাক্তন সাংসদ গাজী শাহজাহান জুয়েল ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্রবায়ক ইদ্রিস মিয়ার গ্রুপ পুরোপুরি সক্রিয় নন ।

 

প্রসঙ্গত, গাজী শাহজাহান জুয়েল ও ইদ্রিস মিয়া দুই জনেই মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন । মনোনয়ন না পেয়ে দুই জনেই প্রকাশ্যে ধানের শীষে ভোট প্রদানের আহবান জানালেও বাস্তবে সক্রিয় নন । বিএনপি প্রার্থীর জন্য আরও একটি মাথা ব্যথার কারণ বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু । ইসলাম প্রচারক আধ্যাত্মিক সাধক বার আউলিয়ার অন্যতম হযরত আমিুরুজ্জামান (রহ.) ,হয়রত ইয়াছিন আউলিয়া (রহ.) মাজার এই সংসদীয় এলাকায়। এখানকার বেশিরভাগ মানুষের রয়েছে তাদের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা।

 

মাজার ভক্ত ও সুন্নী অনুসারিদের একটি অংশ গাউছিয়া কমিটি নামে একটি স্থানীয় ধর্মীয় প্রেসারগ্রুপের সঙ্গে যুক্ত। তাদের রয়েছে ভোট ব্যাংক। যা ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারুর মোমবাতি ব্যালটেই যাবে। এই আসনে জামায়াত ইসলামীর সংগঠনিক অবস্থা আওয়ামী লীগ-বিএনপির মতো নয়- তবে ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্টের পর দলটি তৃতীয় শক্তি হিসাবে দেখা দিয়েছে।

 

দলটির প্রার্থী ডা: ফরিদুল আলমের রয়েছে ক্লিন ইমেজ ও ব্যক্তিত্ব। সেইদিক থেকে ভোটের মাঠে বেশ সাড়া ফেলেছেন তিনি। তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া ) সংসদীয় আসনটিতে সাংগঠনিক দিক থেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমানে সমান। কিন্তু এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। সাবেক হুইপ শামসুল হক চৌধিুরী ও সাংসদ মোতাহেরুল ইসলাম দুইজনই পলাতক। কর্মীরা নিরব।

 

তবে জয় পরাজয়ে বড় ভূমিকা রাখবে আওয়ামী লীগের ভোটাররা। আওয়ামী লীগের ভোট নিজেদের দিকে নেওয়ার জন্য বিএনপি জামায়াতের নেতারা জোর চেষ্টা করছেন। সেই দিক থেকে এই আসনে জামায়াত বিএনপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়া পুলিশের সফল অভিযানে অস্ত্র, গুলি ও ম্যাগজিনসহ যুবক আটক

error: Content is protected !!

পটিয়ায় বিএনপির এনামের সাথে জামায়াতের ডাঃ ফরিদের লড়াই কেমন হবে ?

আপডেট টাইম : ০২:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
প্রদীপ্ত চক্রবর্তী, পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

প্রদীপ্ত চক্রবর্তীঃ

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি। নিবন্ধন স্থগিত থাকায় এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কোন প্রার্থী নেই। আওয়ামী লীগ বিহীন এই নির্বাচনে বিএনপির মো: এনামুল হকের বিরুদ্ধে ১১ দলীয় জোট প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর ডা: ফরিদুল আলম সরাসরি ভোট যুদ্ধে নেমেছে। জয়ের ব্যাপারে উভয় দল মরিয়া। পটিয়া সংসদীয় আসনে বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থা বেশ মজবুত। তৃণমূল পর্যায়ে রয়েছে দলটির ব্যাপক জনপ্রিয়তা।কিন্তু প্রাক্তন সাংসদ গাজী শাহজাহান জুয়েল ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্রবায়ক ইদ্রিস মিয়ার গ্রুপ পুরোপুরি সক্রিয় নন ।

 

প্রসঙ্গত, গাজী শাহজাহান জুয়েল ও ইদ্রিস মিয়া দুই জনেই মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন । মনোনয়ন না পেয়ে দুই জনেই প্রকাশ্যে ধানের শীষে ভোট প্রদানের আহবান জানালেও বাস্তবে সক্রিয় নন । বিএনপি প্রার্থীর জন্য আরও একটি মাথা ব্যথার কারণ বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু । ইসলাম প্রচারক আধ্যাত্মিক সাধক বার আউলিয়ার অন্যতম হযরত আমিুরুজ্জামান (রহ.) ,হয়রত ইয়াছিন আউলিয়া (রহ.) মাজার এই সংসদীয় এলাকায়। এখানকার বেশিরভাগ মানুষের রয়েছে তাদের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা।

 

মাজার ভক্ত ও সুন্নী অনুসারিদের একটি অংশ গাউছিয়া কমিটি নামে একটি স্থানীয় ধর্মীয় প্রেসারগ্রুপের সঙ্গে যুক্ত। তাদের রয়েছে ভোট ব্যাংক। যা ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারুর মোমবাতি ব্যালটেই যাবে। এই আসনে জামায়াত ইসলামীর সংগঠনিক অবস্থা আওয়ামী লীগ-বিএনপির মতো নয়- তবে ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্টের পর দলটি তৃতীয় শক্তি হিসাবে দেখা দিয়েছে।

 

দলটির প্রার্থী ডা: ফরিদুল আলমের রয়েছে ক্লিন ইমেজ ও ব্যক্তিত্ব। সেইদিক থেকে ভোটের মাঠে বেশ সাড়া ফেলেছেন তিনি। তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া ) সংসদীয় আসনটিতে সাংগঠনিক দিক থেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমানে সমান। কিন্তু এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। সাবেক হুইপ শামসুল হক চৌধিুরী ও সাংসদ মোতাহেরুল ইসলাম দুইজনই পলাতক। কর্মীরা নিরব।

 

তবে জয় পরাজয়ে বড় ভূমিকা রাখবে আওয়ামী লীগের ভোটাররা। আওয়ামী লীগের ভোট নিজেদের দিকে নেওয়ার জন্য বিএনপি জামায়াতের নেতারা জোর চেষ্টা করছেন। সেই দিক থেকে এই আসনে জামায়াত বিএনপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ।