ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

জীবিত থাকতেই অবসর ও কল্যাণ তহবিলের টাকা চান প্রধান শিক্ষক

রাশিদুল ইসলাম রাশেদ:

 

অবসরের পর দীর্ঘ অপেক্ষা নয়—জীবিত অবস্থাতেই অবসর ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ প্রাপ্তির দাবি জানিয়েছেন নাটোরের লালপুর উপজেলার রাকসা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

 

শনিবার (১৮ এপ্রিল, ২০২৬) বিকেলে এসএসসি ২০২৬ ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ দাবি তুলে ধরেন। বক্তব্যে তিনি জানান, ২০২৮ সালে তিনি অবসরে যাবেন। কিন্তু অবসরের পরপরই প্রাপ্য অর্থ না পাওয়ায় শিক্ষকরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।

 

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষকরা চাকরির শুরুতে যে বেতন পান, তা প্রায় সরকারি চাকরিজীবীদের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের সমপর্যায়ের। এই সীমিত আয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। তার ওপর অবসরের দিন কোনো আর্থিক সহায়তা ছাড়াই ‘খালি হাতে’ বিদায় নিতে হয়।

 

মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অবসর ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ পেতে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে অধিকাংশ শিক্ষক জীবদ্দশায় এই সুবিধা পান না। ফলে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হন।

 

তিনি সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, যেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা জীবিত থাকতেই তাদের প্রাপ্য অর্থ পান, সে বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিষয়টি জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক ও সমাজসেবক মো. আব্দুর রহিম তুহিনসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মচারী, সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিমার পতাকা অপসারণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মোটরসাইকেল শো-ডাউন

error: Content is protected !!

জীবিত থাকতেই অবসর ও কল্যাণ তহবিলের টাকা চান প্রধান শিক্ষক

আপডেট টাইম : ০৯:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
রাশিদুল ইসলাম রাশেদ, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি :

রাশিদুল ইসলাম রাশেদ:

 

অবসরের পর দীর্ঘ অপেক্ষা নয়—জীবিত অবস্থাতেই অবসর ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ প্রাপ্তির দাবি জানিয়েছেন নাটোরের লালপুর উপজেলার রাকসা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

 

শনিবার (১৮ এপ্রিল, ২০২৬) বিকেলে এসএসসি ২০২৬ ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ দাবি তুলে ধরেন। বক্তব্যে তিনি জানান, ২০২৮ সালে তিনি অবসরে যাবেন। কিন্তু অবসরের পরপরই প্রাপ্য অর্থ না পাওয়ায় শিক্ষকরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।

 

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষকরা চাকরির শুরুতে যে বেতন পান, তা প্রায় সরকারি চাকরিজীবীদের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের সমপর্যায়ের। এই সীমিত আয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। তার ওপর অবসরের দিন কোনো আর্থিক সহায়তা ছাড়াই ‘খালি হাতে’ বিদায় নিতে হয়।

 

মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অবসর ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ পেতে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে অধিকাংশ শিক্ষক জীবদ্দশায় এই সুবিধা পান না। ফলে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হন।

 

তিনি সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, যেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা জীবিত থাকতেই তাদের প্রাপ্য অর্থ পান, সে বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিষয়টি জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক ও সমাজসেবক মো. আব্দুর রহিম তুহিনসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মচারী, সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।