আনিসুর রহমানঃ
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া এলাকায় বালুবাহী ট্রাকের চাপায় প্রাণ হারানো চারজনের একজন নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার সালাইনগর গ্রামের সেন্টু (৪৫)। তবে মরদেহ দাফনের প্রস্তুতির সময় এক অপ্রত্যাশিত ঘটনায় বিপাকে পড়ে নিহতের পরিবার। সেন্টুর মরদেহের সঙ্গে ভুলক্রমে অন্য এক দুর্ঘটনাকবলিত ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন একটি পা চলে আসে।
সেন্টু সালাইনগর গ্রামের সৈয়ম উদ্দিনের ছেলে। বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সকালে ভয়াবহ ওই সড়ক দুর্ঘটনার পর পুঠিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশ নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে। পরে মরদেহ বাড়িতে আনার পর গোসলের প্রস্তুতিকালে বিষয়টি ধরা পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মরদেহ গোসলের জন্য প্যাকেট খোলার সময় অতিরিক্ত একটি পা দেখতে পান মসজিদের মুয়াজ্জিন ঝন্তু আলী। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। পরে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়।
নিহতের চাচাতো ভাই কামরুল ইসলাম জানান, পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ হলে তারা জানায়— একই দুর্ঘটনায় আহত এক ব্যক্তির দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং তার পরিবার পায়ের সন্ধান করছে। তখন নিশ্চিত হওয়া যায়, সেন্টুর মরদেহের সঙ্গে থাকা পাটি অন্য আহত ব্যক্তির।
পরে পুলিশ আহত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তারা পা বুঝে নিতে রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ওই ব্যক্তির নাম রায়হান হোসেন। তার ভাতিজা অনিক জানান, দুর্ঘটনায় রায়হানের এক হাতের কব্জি ও দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশের কাছ থেকে পায়ের সন্ধান পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তা আনতে রওনা হয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনার পর মরদেহ ও আহতদের দ্রুত উদ্ধারের চাপে এ ধরনের ভুল হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের আবহের পাশাপাশি ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
প্রিন্ট

সদরপুরে নিম্ম আয়ের মানুষের ভীড় বাড়ছে ফুটপাতের পুরানো শীতবস্ত্রের দোকানে 
আনিসুর রহমান, বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি 





















