সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক:
রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদ সেলিম সানোয়ার পলাশ (৫২) অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে আমাদের মাঝে নেই—ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি পরলোকগমন করেন। তার চলে যাওয়া গোদাগাড়ীর সাংবাদিক সমাজে, শিক্ষাক্ষেত্রে এবং আমাদের প্রত্যাশা পরিবারের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে রইল।
পিরিজপুর গ্রামের এই গুণী ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে দৈনিক ‘সময়’র প্রত্যাশা পত্রিকার গোদাগাড়ী উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি রাজশাহী থেকে প্রকাশিত দৈনিক ‘সানশাইন’ পত্রিকার প্রেমতলী প্রতিনিধিও ছিলেন।
সাংবাদিকতায় তার সততা, সাহসিকতা, সহমর্মিতা এবং দায়িত্ববোধ ছিল অনন্য—যে কাজ করতেন, তা করে যেতেন নির্ভীকভাবে, সবার জন্য উৎসর্গ করে।
শুধু সাংবাদিকতাই নয়, শিক্ষাক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন উজ্জ্বল এক নাম—গোদাগাড়ীর হরিণবিস্কা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের গড়তে তার ছিল অসামান্য অবদান।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় বাজারে স্ট্রোকে আক্রান্ত হন সাংবাদিক পলাশ। দ্রুত উপজেলা (প্রেমতলী) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে মরদেহ বাড়িতে নেওয়া হয়।
গোদাগাড়ী রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠায় সংগঠক হিসেবে তার অবদান ছিল অগ্রণী। সাংবাদিক সমাজে তার হারানো কোনোভাবেই পূরণ সম্ভব নয়—কারণ তিনি ছিলেন সত্যের পথে অবিচল, মানুষদের পাশে দাঁড়ানো এক নির্ভরযোগ্য মানুষ।
তিনি স্ত্রী ও এক ছেলে রেখে গেছেন।
এই ক্ষতি আমাদের জন্য অতি দুঃখজনক ও অসম্পূর্ণ—কারণ তিনি শুধু একজন সাংবাদিক ছিলেন না, ছিলেন ভালো মানুষ, ভালো শিক্ষক, ভালো সংগঠক।
প্রত্যাশা পরিবার গভীর শোক প্রকাশ করে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে আমরা প্রার্থনা করি—আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন এবং তার পরিবারকে এই অসহ্য ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দিন।

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি 
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক 





















