ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

মনতলা রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের বিরতি দাবি

মোঃ ইফাজ খাঁঃ

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের বিরতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বহরা, চৌমুহনী, আদাঐর, শাহজাহানপুর ও আন্দিউড়া ইউনিয়নের একাংশসহ প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ শিক্ষা, চিকিৎসা ও নানাবিধ প্রয়োজনে মনতলা স্টেশন ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন। উপজেলা সদর থেকে সবচেয়ে কাছাকাছি হওয়ায় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ মনতলার আশপাশে গড়ে ওঠা সরকারি কলেজ, বাণিজ্যিক ব্যাংক, এনজিওসহ অসংখ্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারাও নিয়মিত এই স্টেশন ব্যবহার করেন।

বর্তমানে মনতলা রেলওয়ে স্টেশনে কেবল আন্তঃনগর জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের বিরতি রয়েছে এবং এ স্টেশনের জন্য মাত্র ২০টি আসন বরাদ্দ। ফলে বিপুল সংখ্যক যাত্রীকে পড়তে হচ্ছে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে।

এ অবস্থায় স্থানীয়রা মনতলা রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকা-সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস, কালনী এক্সপ্রেস এবং সিলেট-চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের বিরতি কার্যকর করার জোর দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মনতলা রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীসেবা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রয়েছে। বরাদ্দকৃত আসনের তুলনায় চাহিদা প্রায় দশগুণ বেশি। তাই নতুন আন্তঃনগর ট্রেনের বিরতি কার্যকর হলে যাত্রীসেবা উন্নত হওয়ার পাশাপাশি রেলওয়ের রাজস্বও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিমার পতাকা অপসারণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মোটরসাইকেল শো-ডাউন

error: Content is protected !!

মনতলা রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের বিরতি দাবি

আপডেট টাইম : ০৯:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
মোঃ ইফাজ খাঁ, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :

মোঃ ইফাজ খাঁঃ

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের বিরতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বহরা, চৌমুহনী, আদাঐর, শাহজাহানপুর ও আন্দিউড়া ইউনিয়নের একাংশসহ প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ শিক্ষা, চিকিৎসা ও নানাবিধ প্রয়োজনে মনতলা স্টেশন ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন। উপজেলা সদর থেকে সবচেয়ে কাছাকাছি হওয়ায় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ মনতলার আশপাশে গড়ে ওঠা সরকারি কলেজ, বাণিজ্যিক ব্যাংক, এনজিওসহ অসংখ্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারাও নিয়মিত এই স্টেশন ব্যবহার করেন।

বর্তমানে মনতলা রেলওয়ে স্টেশনে কেবল আন্তঃনগর জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের বিরতি রয়েছে এবং এ স্টেশনের জন্য মাত্র ২০টি আসন বরাদ্দ। ফলে বিপুল সংখ্যক যাত্রীকে পড়তে হচ্ছে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে।

এ অবস্থায় স্থানীয়রা মনতলা রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকা-সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস, কালনী এক্সপ্রেস এবং সিলেট-চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের বিরতি কার্যকর করার জোর দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মনতলা রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীসেবা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রয়েছে। বরাদ্দকৃত আসনের তুলনায় চাহিদা প্রায় দশগুণ বেশি। তাই নতুন আন্তঃনগর ট্রেনের বিরতি কার্যকর হলে যাত্রীসেবা উন্নত হওয়ার পাশাপাশি রেলওয়ের রাজস্বও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।