রনি রজব:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার ৪ নম্বর জামবাড়িয়া ইউনিয়নের ব্রাহ্মণ্য নগর মৌজায় একটি গভীর নলকূপের ঘর নির্মাণে প্রায় ৪০ বছরের পুরোনো ও নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার কৃষকেরা।
জানা যায়, উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়নের ব্রাহ্মণ্য নগর মৌজার ১১১২ নম্বর দাগে অবস্থিত ১১০ নম্বর গভীর নলকূপটির হাউজিং নষ্ট হয়ে যাওয়ায় নতুন করে হাউজিংসহ প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ শুরু করে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)। এ কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি বিঘা জমির বিপরীতে প্রায় আড়াই হাজার টাকা করে উত্তোলন করা হয়। তবে কৃষকদের অভিযোগ, টাকা নেওয়ার পরও নিম্নমানের ও পুরোনো ইট দিয়ে নির্মাণকাজ করা হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষক লিমন বলেন, “আমরা বিঘাপ্রতি প্রায় তিন হাজার টাকা করে দিয়েছি যাতে সবকিছু নতুনভাবে করা হয়। কিন্তু এখানে পুরোনো ইট দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।”
আরেক কৃষক আতিকুল ইসলাম বলেন, “দুই নম্বর ইটির খোয়া এবং প্রায় চল্লিশ বছর আগের পুরোনো ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে স্পষ্টভাবে অনিয়ম ও দুর্নীতির গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।”
এ বিষয়ে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ভোলাহাট উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী লোকমান হাকিমের কাছে কাজের সিডিউল জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এটা একেবারেই ন্যারো বিষয়।” পরে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ফোনে রজব নামে একজনকে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেন। তবে পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, আগের মতোই সেই নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মামুনুর রশিদ বলেন, “পুরোনো বা নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি 
রনি রজব, ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি 





















