ইসমাইল হোসেন বাবু:
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা সভা, সদ্য যোগদানকৃত শিক্ষকদের বরণ এবং সম্প্রতি অবসরপ্রাপ্ত প্রধান ও সহকারী শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০টায় ভেড়ামারা উপজেলা অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, ভেড়ামারা উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ভেড়ামারা উপজেলা শাখার সভাপতি আবুল বাশারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আমিরুল আরাফাত।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ভেড়ামারা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মুহ. তৌহিদুল ইসলাম আলম, কুষ্টিয়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মফিজুল ইসলাম, ভেড়ামারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা. গাজী আশিক বাহার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তপন কুমার দেবনাথ, উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর মো. রবিউল ইসলাম এবং উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. কামরুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ভেড়ামারা উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জানবার হোসেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুষ্টিয়া জেলা শাখার শিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নুরুল আমীন (জসিম) এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ভেড়ামারা পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম ডাবলু।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরেন এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দীর্ঘ কর্মজীবনের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। পাশাপাশি সদ্য যোগদানকৃত নবীন শিক্ষকদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
চাঁদগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহা. জাহাঙ্গীর আলম এবং বাহিরচর সোনালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা. রোকশানা লিপির যৌথ সঞ্চালনায় পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।
অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ভেড়ামারা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. সিদ্দিকুর রহমান।
এ সময় অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম আলম বলেন, “আপনারা হয়তো আজ ১৭ জন অভিজ্ঞ শিক্ষক কর্মক্ষেত্র থেকে বিদায় নিচ্ছেন, কিন্তু আমাদের হৃদয় থেকে আপনাদের কখনো মুছে ফেলা সম্ভব নয়। বিদায়ী শিক্ষকরা শুধু পাঠদানই করেননি, বরং হাজার হাজার শিশুর জীবন গড়ে তোলার কারিগর হিসেবে কাজ করেছেন। আপনাদের অবসর আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা খাতে একটি অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি করল।”
অনুষ্ঠান শেষে নবীন শিক্ষকদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার 
ইসমাইল হোসেন বাবু, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার 




















