দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
চুয়াডাঙ্গায় ভাড়া বাসা থেকে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
হুমায়ন আহমেদ: চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার রেলপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে মোছা. জাহানারা (৫০) নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে কোনো একসময় এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে। নিহত জাহানারা চুয়াডাঙ্গা শহরের মসজিদপাড়ার মো. জামাল শেখের স্ত্রী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর থানাধীন পৌরসভার রেলপাড়ায় মো. তৌফিকুল ইসলাম জোয়ার্দারের ভাড়া বাসায় স্বামীর সঙ্গে প্রায় আট মাস ধরে বসবাস করছিলেন তিনি। শনিবার সকালে নিজ বসতঘরে জাহানারাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের স্বামী জামাল শেখ জানান, জাহানারা দীর্ঘদিন ধরে পিত্তথলি, লিভার ও পাকস্থলীসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন। এ পর্যন্ত তাঁর শরীরে পাঁচবার অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতা ও মানসিক যন্ত্রণার কারণে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করছেন তিনি। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, ঘটনাটি আইনগত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
হুমায়ন আহমেদ:
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার রেলপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে মোছা. জাহানারা (৫০) নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে কোনো একসময় এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে।
নিহত জাহানারা চুয়াডাঙ্গা শহরের মসজিদপাড়ার মো. জামাল শেখের স্ত্রী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর থানাধীন পৌরসভার রেলপাড়ায় মো. তৌফিকুল ইসলাম জোয়ার্দারের ভাড়া বাসায় স্বামীর সঙ্গে প্রায় আট মাস ধরে বসবাস করছিলেন তিনি।
শনিবার সকালে নিজ বসতঘরে জাহানারাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের স্বামী জামাল শেখ জানান, জাহানারা দীর্ঘদিন ধরে পিত্তথলি, লিভার ও পাকস্থলীসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন। এ পর্যন্ত তাঁর শরীরে পাঁচবার অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতা ও মানসিক যন্ত্রণার কারণে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করছেন তিনি।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, ঘটনাটি আইনগত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।