ঢাকা , শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

ভাতিজাদের হামলায় চাচা নিহত, আহত মৎস্যজীবী দলের নেতা

নুরুল ইসলামঃ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার চর চাঁদপুর গ্রামে পৈত্রিক সম্পত্তি ও গাছ কাটা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ভাতিজাদের হামলায় চাচা নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন স্থানীয় মৎস্যজীবী দলের এক নেতা।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাজী পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পৈত্রিক সম্পত্তি ও গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় পূর্ব বিরোধের জেরে কাজী সুমন (৪২) ও কাজী তুষার (৩৮) ধারালো অস্ত্র নিয়ে কাজী সিরাজুল ইসলাম ও কাজী মাসুদ রানার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

হামলায় গুরুতর আহত হন দুজনই। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক কাজী সিরাজুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত কাজী মাসুদ রানার চিকিৎসা বর্তমানে চলমান রয়েছে।

 

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছে নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।

 

এ বিষয়ে মো. আব্দুল আল মামুন শাহ বলেন, “ঘটনার বিষয়টি আমরা জেনেছি। তবে এখনো পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাতিজাদের হামলায় চাচা নিহত, আহত মৎস্যজীবী দলের নেতা

error: Content is protected !!

ভাতিজাদের হামলায় চাচা নিহত, আহত মৎস্যজীবী দলের নেতা

আপডেট টাইম : ৭ ঘন্টা আগে
নুরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার :

নুরুল ইসলামঃ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার চর চাঁদপুর গ্রামে পৈত্রিক সম্পত্তি ও গাছ কাটা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ভাতিজাদের হামলায় চাচা নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন স্থানীয় মৎস্যজীবী দলের এক নেতা।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাজী পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পৈত্রিক সম্পত্তি ও গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় পূর্ব বিরোধের জেরে কাজী সুমন (৪২) ও কাজী তুষার (৩৮) ধারালো অস্ত্র নিয়ে কাজী সিরাজুল ইসলাম ও কাজী মাসুদ রানার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

হামলায় গুরুতর আহত হন দুজনই। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক কাজী সিরাজুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত কাজী মাসুদ রানার চিকিৎসা বর্তমানে চলমান রয়েছে।

 

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছে নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।

 

এ বিষয়ে মো. আব্দুল আল মামুন শাহ বলেন, “ঘটনার বিষয়টি আমরা জেনেছি। তবে এখনো পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”