ঢাকা , সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

নড়াইলের কালিয়ায় পাউবো’র জমি জবরদখল করে বাড়ী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ

নড়াইলের কালিয়ায় প্রায় ৬ কিঃ মিঃ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জায়গা অবৈধভাবে দখল করে শতাধিক বাড়ীঘর এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। এতে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে। না প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা অবৈধ দখলদারদের নিকট থেকে পাউবো’র বিপুল পরিমান জমি উদ্ধারে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার  আহ্বান জানান।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের নোয়াগ্রাম, পার বিষ্ণুপুর, পারভোমবাগ ও বুড়িখালী বাজার এলাকা পর্যন্ত চিহিৃত দখলদাররা পাউবো’র জমি অবৈধভাবে দখল করে পাঁকা বিন্ডিং,আঁধা পাঁকা টিনের ঘর,ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে বসবাস ও ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। দখলদাররা ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে ওই জমি অবৈধভাবে ভোগ-দখল করে আসছেন বলে জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থাণীয় প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে পারভোমবাগ গ্রামের পাউবোর ড্রেনে বালু ভরাট করে মালায়েশিয়া প্রবাসী মৃত আবুতালেব ফরাজীর ছেলে আমিন ফরাজী দালানঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন।

মৃত জব্বার মোল্যার ছেলে বোম্বে ফেরত জাবের মোল্যার আঁধা পাঁকা ঘরের কাজ এখনো চলমান। মৃত বাহাদুর মোল্যার ছেলে ওমির মোল্যা স্থায়ী পাঁকা দোকানঘর নির্মাণ করে ব্যবসা করছেন।
এছাড়া বুড়িখালী বাজারে মুঞ্জুর মোল্যা ৫টি পাঁকা দোকানঘর নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছেন। মৃত নুরুল হক মোল্যার ছেলে ইব্রাহীম মোল্যা তিনটি পাঁকা দোকান ঘর তুলেছেন এবং তার উত্তরে নৈক প্রতিবেশীর পাঁকা দোকান ঘরের কাজ চলমান রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে অভিযুক্তরা জানান, নদী ভাঙ্গনে বসতি বিলীন হওয়ায় ২৫-৩০ বছর ধরে আমরা এসমস্ত জমি ভোগদখল করে আসছি।এ বিষয়ে পুরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো মনি শেখ বলেন, আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

এ বিষয়ে নড়াইলের পাউবো’র কালিয়া উপজেলার সহকারী প্রকৌশলী এ এইচ এম আল জহির সরকার বলেন, অভিযুক্তরা সরকারের অনুমতি ছাড়াই জমি জবরদখল করেছেন। একারণে সরকার বড় অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে। আমরা পরিদর্শনে গেলে তারা সাময়িক কাজ বন্ধ রাখেন। চলে আসলে আবার শুরু করেন। বিষয়টি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মৎস্য প্রকল্পের আওতায় বাঘার ৪ চাষী পেলেন পোনা ও খাদ্য সহায়তা

error: Content is protected !!

নড়াইলের কালিয়ায় পাউবো’র জমি জবরদখল করে বাড়ী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ

আপডেট টাইম : ০৮:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩
খন্দকার সাইফুল্লা আল মাহমুদ, নড়াইল প্রতিনিধি :

নড়াইলের কালিয়ায় প্রায় ৬ কিঃ মিঃ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জায়গা অবৈধভাবে দখল করে শতাধিক বাড়ীঘর এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। এতে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে। না প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা অবৈধ দখলদারদের নিকট থেকে পাউবো’র বিপুল পরিমান জমি উদ্ধারে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার  আহ্বান জানান।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের নোয়াগ্রাম, পার বিষ্ণুপুর, পারভোমবাগ ও বুড়িখালী বাজার এলাকা পর্যন্ত চিহিৃত দখলদাররা পাউবো’র জমি অবৈধভাবে দখল করে পাঁকা বিন্ডিং,আঁধা পাঁকা টিনের ঘর,ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে বসবাস ও ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। দখলদাররা ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে ওই জমি অবৈধভাবে ভোগ-দখল করে আসছেন বলে জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থাণীয় প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে পারভোমবাগ গ্রামের পাউবোর ড্রেনে বালু ভরাট করে মালায়েশিয়া প্রবাসী মৃত আবুতালেব ফরাজীর ছেলে আমিন ফরাজী দালানঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন।

মৃত জব্বার মোল্যার ছেলে বোম্বে ফেরত জাবের মোল্যার আঁধা পাঁকা ঘরের কাজ এখনো চলমান। মৃত বাহাদুর মোল্যার ছেলে ওমির মোল্যা স্থায়ী পাঁকা দোকানঘর নির্মাণ করে ব্যবসা করছেন।
এছাড়া বুড়িখালী বাজারে মুঞ্জুর মোল্যা ৫টি পাঁকা দোকানঘর নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছেন। মৃত নুরুল হক মোল্যার ছেলে ইব্রাহীম মোল্যা তিনটি পাঁকা দোকান ঘর তুলেছেন এবং তার উত্তরে নৈক প্রতিবেশীর পাঁকা দোকান ঘরের কাজ চলমান রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে অভিযুক্তরা জানান, নদী ভাঙ্গনে বসতি বিলীন হওয়ায় ২৫-৩০ বছর ধরে আমরা এসমস্ত জমি ভোগদখল করে আসছি।এ বিষয়ে পুরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো মনি শেখ বলেন, আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

এ বিষয়ে নড়াইলের পাউবো’র কালিয়া উপজেলার সহকারী প্রকৌশলী এ এইচ এম আল জহির সরকার বলেন, অভিযুক্তরা সরকারের অনুমতি ছাড়াই জমি জবরদখল করেছেন। একারণে সরকার বড় অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে। আমরা পরিদর্শনে গেলে তারা সাময়িক কাজ বন্ধ রাখেন। চলে আসলে আবার শুরু করেন। বিষয়টি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।