ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে Logo নরসিংদীর শিবপুরে ২৬ মামলার আসামিসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার Logo খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে পালিত হবে আগামীকাল Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার Logo সকল রাজনৈক দল, ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণী পেশার মানুষের সেবা করতে বিএনপি সরকার ওয়াদাবদ্ধ Logo সেনবাগে কাওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ঈদ উপহার বিতরণ করলেন লায়ন শাহাদাত হোসেন Logo সিংড়ায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১০ Logo কুষ্টিয়ায় মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে বসতঘরে আগুন Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

নওগাঁয় ঈদ মার্কেটে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়

আত্রাই:

রমজান মাসে ঈদকে কেন্দ্র করে নওগাঁ জেলায় জমে উঠেছে ঈদ মার্কেট। সিট কাপড় ও পোশাকের দোকানগুলোতে বেড়েছে বেচাকেনা। নতুন পোশাক কিনতে দোকানগুলোতে দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। তবে এ বছর দেশীয় পোশাকের চাহিদা বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

 

মার্কেটগুলোতে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত সরগরম পরিবেশ বিরাজ করছে। দাম ও বেচাকেনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা। ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, বিপণিবিতানগুলোতে ততই বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত দোকান—সব জায়গাতেই ক্রেতাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

 

এবার ক্রেতাদের কাছে বিশেষ করে দেশীয় পোশাকের চাহিদা বেশি। শহরের আনন্দ বাজার, গীতাঞ্জলি শপিং কমপ্লেক্স, দেওয়ান বাজার, ইসলাম মার্কেট ও কাপড়পট্টিতে জমে উঠেছে ঈদের বেচাকেনা। ক্রেতারা তাদের সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পোশাক কিনতে বিভিন্ন দোকানে ঘুরছেন, দরদাম করে কিনছেন। অনেকেই তাদের পছন্দের পোশাক পেয়ে যাচ্ছেন।

 

রেডিমেট বা গার্মেন্টস পোশাকের দোকানগুলোতে বেশি বেচাকেনা হচ্ছে। শহরের ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ২৫০টি গার্মেন্টসের দোকান রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় কোটি টাকার বেচাকেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা আশা করছেন, ঈদের আগে ভালো মুনাফা করতে পারবেন।

 

তবে এ বছর পোশাকের ফ্যাশনে নির্দিষ্ট কোনো ট্রেন্ড নেই বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ছোট ও বড়দের টপসের দাম ৯০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। বড়দের থ্রি-পিসও একই দামে বিক্রি হচ্ছে। গারারা ও সারারা আড়াই হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা, জামদানি শাড়ি ৮৫০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা, টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ি ১ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং সিল্ক শাড়ি ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

জেলা সদর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা কাটখৈইর থেকে পরিবারসহ ঈদের বাজার করতে এসেছেন আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, “আর কয়েকদিন পর দোকানে প্রচুর ভিড় হবে। তাই একটু আগেই বাচ্চাদের নতুন পোশাক কেনার জন্য এসেছি। ভালো জিনিসের দাম একটু বেশি থাকাটা স্বাভাবিক। গত বছরের মতোই দাম রয়েছে। প্রায় ৭ হাজার টাকার মধ্যে পরিবারের চার সদস্যের পোশাক কিনেছি।”

 

শহরের মসজিদ মার্কেটের সিট-কাপড় ব্যবসায়ী রফিক হোসেন বলেন, “১২ রোজার মধ্যে পাইকারি বেচাকেনা শেষ হয়েছে। এখন খুচরা বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা নিজেদের পছন্দমতো সিট-কাপড় কিনে দর্জি দিয়ে তৈরি করে নিচ্ছেন।”

 

নওগাঁ শহরের কাপড়পট্টির বিসমিল্লাহ গার্মেন্টসের স্বত্বাধিকারী মনোয়ার বলেন, “রমজানের ৭ রোজা থেকে বেচাকেনা শুরু হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। রমজানের ২৯ রোজা বা চাঁদরাত পর্যন্ত বেচাকেনা চলবে। ক্রেতাদের কাছে এবার দেশীয় পোশাকের চাহিদা বেশি। দামও সাধ্যের মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে মেয়ে শিশু ও তরুণীদের পোশাকের চাহিদা বেশি। প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার টাকার মতো বেচাকেনা হচ্ছে।”


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

তানোরে বেকারদের পকেট কাটা !

error: Content is protected !!

নওগাঁয় ঈদ মার্কেটে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়

আপডেট টাইম : ০৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
মোঃ আব্দুল জব্বার ফারুক, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি :

আত্রাই:

রমজান মাসে ঈদকে কেন্দ্র করে নওগাঁ জেলায় জমে উঠেছে ঈদ মার্কেট। সিট কাপড় ও পোশাকের দোকানগুলোতে বেড়েছে বেচাকেনা। নতুন পোশাক কিনতে দোকানগুলোতে দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। তবে এ বছর দেশীয় পোশাকের চাহিদা বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

 

মার্কেটগুলোতে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত সরগরম পরিবেশ বিরাজ করছে। দাম ও বেচাকেনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা। ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, বিপণিবিতানগুলোতে ততই বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত দোকান—সব জায়গাতেই ক্রেতাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

 

এবার ক্রেতাদের কাছে বিশেষ করে দেশীয় পোশাকের চাহিদা বেশি। শহরের আনন্দ বাজার, গীতাঞ্জলি শপিং কমপ্লেক্স, দেওয়ান বাজার, ইসলাম মার্কেট ও কাপড়পট্টিতে জমে উঠেছে ঈদের বেচাকেনা। ক্রেতারা তাদের সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পোশাক কিনতে বিভিন্ন দোকানে ঘুরছেন, দরদাম করে কিনছেন। অনেকেই তাদের পছন্দের পোশাক পেয়ে যাচ্ছেন।

 

রেডিমেট বা গার্মেন্টস পোশাকের দোকানগুলোতে বেশি বেচাকেনা হচ্ছে। শহরের ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ২৫০টি গার্মেন্টসের দোকান রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় কোটি টাকার বেচাকেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা আশা করছেন, ঈদের আগে ভালো মুনাফা করতে পারবেন।

 

তবে এ বছর পোশাকের ফ্যাশনে নির্দিষ্ট কোনো ট্রেন্ড নেই বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ছোট ও বড়দের টপসের দাম ৯০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। বড়দের থ্রি-পিসও একই দামে বিক্রি হচ্ছে। গারারা ও সারারা আড়াই হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা, জামদানি শাড়ি ৮৫০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা, টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ি ১ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং সিল্ক শাড়ি ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

জেলা সদর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা কাটখৈইর থেকে পরিবারসহ ঈদের বাজার করতে এসেছেন আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, “আর কয়েকদিন পর দোকানে প্রচুর ভিড় হবে। তাই একটু আগেই বাচ্চাদের নতুন পোশাক কেনার জন্য এসেছি। ভালো জিনিসের দাম একটু বেশি থাকাটা স্বাভাবিক। গত বছরের মতোই দাম রয়েছে। প্রায় ৭ হাজার টাকার মধ্যে পরিবারের চার সদস্যের পোশাক কিনেছি।”

 

শহরের মসজিদ মার্কেটের সিট-কাপড় ব্যবসায়ী রফিক হোসেন বলেন, “১২ রোজার মধ্যে পাইকারি বেচাকেনা শেষ হয়েছে। এখন খুচরা বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা নিজেদের পছন্দমতো সিট-কাপড় কিনে দর্জি দিয়ে তৈরি করে নিচ্ছেন।”

 

নওগাঁ শহরের কাপড়পট্টির বিসমিল্লাহ গার্মেন্টসের স্বত্বাধিকারী মনোয়ার বলেন, “রমজানের ৭ রোজা থেকে বেচাকেনা শুরু হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। রমজানের ২৯ রোজা বা চাঁদরাত পর্যন্ত বেচাকেনা চলবে। ক্রেতাদের কাছে এবার দেশীয় পোশাকের চাহিদা বেশি। দামও সাধ্যের মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে মেয়ে শিশু ও তরুণীদের পোশাকের চাহিদা বেশি। প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার টাকার মতো বেচাকেনা হচ্ছে।”


প্রিন্ট