ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

কালুখালী সরকারী কলেজের শিক্ষকসহ ১১ কর্মচারীর পদ শূন্য

সাহিদা পারভীনঃ

 

রাজবাড়ীর কালুখালী সরকারী কলেজের শিক্ষকসহ ১১ কর্মচারীর পদ শূন্য আছে। এতে পড়ালেখার মান নষ্ট হচ্ছে। নিরাপত্তাহীন হয়ে পরেছে কলেজটির কোটি টাকার সম্পদ।

১৯৮৮ সালে কালুখালীর চন্দনা নদীর পারের ছায়াঘেড়া মনোরম পরিবেশে কালুখালী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০১ সালে কলেজটির ডিগ্রী শাখা চালু হয়। পরে ২০১৮ সালে এ কলেজ জাতীয়করন হয়। এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে কালুখালী সরকারী কলেজ। বর্তমানে কলেজটিতে ২ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী পড়ালেখা করে। তবে নানা সংকটে কলেজটির পড়ালেখার পরিবেশ হুমকী মুখে পরেছে।

 

কলেজটির ৯ জন সহকারী অধ্যাপক থাকার কথা থাকলেও আছে ৪ জন,প্রভাষক থাকার কথা ৩০ জন, আছে ২৮ জন। এছাড়া ১ জন গ্রন্থাগারিক, ১ জন অফিস সহায়ক ও ২ জন নিরাপত্তা প্রহরীর পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য আছে। কলেজটির কম্পিউটার ল্যাব এ্যাসিসটেন্ট চাকুরী থেকে অব্যহতি না নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে।

 

এতে স্থবির হয়ে পরেছে কলেজটির গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজ। তবে এতো প্রতিকুলতার মধ্যেও কলেজটির শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা ও পড়ালেখায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখছে। চলতি বছরে কালুখালী সরকারী কলেজ জেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

কালুখালী সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসার মোহাম্মাদ আবদুল হামিদ জেলা শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান হয়েছে। ৩ শিক্ষক হয়েছে সেরা শিক্ষক।

এ অবস্থায় কালুখালীবাসীর দাবী কতৃপক্ষ যেন কলেজটির শিক্ষক ও কর্মচারী সংকট দূর করে এর পড়ালেখার প্রকৃত পরিবেশ ফিরিয়ে আনে।

 

 

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

error: Content is protected !!

কালুখালী সরকারী কলেজের শিক্ষকসহ ১১ কর্মচারীর পদ শূন্য

আপডেট টাইম : ০৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
সাহিদা পারভীন, কালুখালি (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি :

সাহিদা পারভীনঃ

 

রাজবাড়ীর কালুখালী সরকারী কলেজের শিক্ষকসহ ১১ কর্মচারীর পদ শূন্য আছে। এতে পড়ালেখার মান নষ্ট হচ্ছে। নিরাপত্তাহীন হয়ে পরেছে কলেজটির কোটি টাকার সম্পদ।

১৯৮৮ সালে কালুখালীর চন্দনা নদীর পারের ছায়াঘেড়া মনোরম পরিবেশে কালুখালী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০১ সালে কলেজটির ডিগ্রী শাখা চালু হয়। পরে ২০১৮ সালে এ কলেজ জাতীয়করন হয়। এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে কালুখালী সরকারী কলেজ। বর্তমানে কলেজটিতে ২ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী পড়ালেখা করে। তবে নানা সংকটে কলেজটির পড়ালেখার পরিবেশ হুমকী মুখে পরেছে।

 

কলেজটির ৯ জন সহকারী অধ্যাপক থাকার কথা থাকলেও আছে ৪ জন,প্রভাষক থাকার কথা ৩০ জন, আছে ২৮ জন। এছাড়া ১ জন গ্রন্থাগারিক, ১ জন অফিস সহায়ক ও ২ জন নিরাপত্তা প্রহরীর পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য আছে। কলেজটির কম্পিউটার ল্যাব এ্যাসিসটেন্ট চাকুরী থেকে অব্যহতি না নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে।

 

এতে স্থবির হয়ে পরেছে কলেজটির গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজ। তবে এতো প্রতিকুলতার মধ্যেও কলেজটির শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা ও পড়ালেখায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখছে। চলতি বছরে কালুখালী সরকারী কলেজ জেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

কালুখালী সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসার মোহাম্মাদ আবদুল হামিদ জেলা শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান হয়েছে। ৩ শিক্ষক হয়েছে সেরা শিক্ষক।

এ অবস্থায় কালুখালীবাসীর দাবী কতৃপক্ষ যেন কলেজটির শিক্ষক ও কর্মচারী সংকট দূর করে এর পড়ালেখার প্রকৃত পরিবেশ ফিরিয়ে আনে।