ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

ফরিদপুরে ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা, তিন কর্মকর্তাকে শোকজ

-চরভদ্রাসন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়।

স্টাফ রিপোর্টারঃ


ফরিদপুরের চরভদ্রাসন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্রে উচ্চতর গণিত (সৃজনশীল) পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তিন কর্মকর্তাকে শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ১৭ মে অনুষ্ঠিত উচ্চতর গণিত পরীক্ষায় এ অনিয়ম ঘটে। তবে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বৃহস্পতিবার (২১ মে) তা ব্যাপক আলোচনায় আসে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘নায়াগ্রা’ (৩ সেট) প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার কথা থাকলেও চরভদ্রাসন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩৪ জন পরীক্ষার্থীকে ভুলবশত ‘সাহারা’ (১ সেট) প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়। একই দিনে রোকন উদ্দিন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অংশ নেওয়া অপর ৩৪ জন পরীক্ষার্থী নির্ধারিত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেয়।

পরীক্ষার্থী মেহেদী হাসান জানান, পরীক্ষা শেষে অন্য কেন্দ্রের প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে তারা ভিন্নতা বুঝতে পারেন। পরে বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অবহিত করা হয়।

চরহাজিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমার মণ্ডল বলেন, শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়।

চরভদ্রাসন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার মাকসুদুর রহমান বলেন, বিষয়টি জানার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কেন্দ্র সচিব নজরুল ইসলাম, হল সুপার মোজাহারুল হক এবং ট্যাগ অফিসার মো. জাহিদ তালুকদারকে শোকজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রের কার্যক্রম সচল রাখতে নতুন কর্মকর্তাদের জরুরি ভিত্তিতে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া মমতাজ বলেন, ঘটনাটি পরীক্ষার পরদিন জানা যায় এবং সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা শিক্ষাবোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, পরীক্ষার্থীদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তারা যে প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছে, সেই অনুযায়ী খাতা মূল্যায়ন করে ফল প্রকাশ করা হবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঘায় বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্যানিটারি প্যাড ভেন্ডিং মেশিন উদ্বোধন, মেয়েদের লজ্জা কাটাতে

error: Content is protected !!

ফরিদপুরে ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা, তিন কর্মকর্তাকে শোকজ

আপডেট টাইম : ০৯:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার :

স্টাফ রিপোর্টারঃ


ফরিদপুরের চরভদ্রাসন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্রে উচ্চতর গণিত (সৃজনশীল) পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তিন কর্মকর্তাকে শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ১৭ মে অনুষ্ঠিত উচ্চতর গণিত পরীক্ষায় এ অনিয়ম ঘটে। তবে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বৃহস্পতিবার (২১ মে) তা ব্যাপক আলোচনায় আসে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘নায়াগ্রা’ (৩ সেট) প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার কথা থাকলেও চরভদ্রাসন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩৪ জন পরীক্ষার্থীকে ভুলবশত ‘সাহারা’ (১ সেট) প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়। একই দিনে রোকন উদ্দিন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অংশ নেওয়া অপর ৩৪ জন পরীক্ষার্থী নির্ধারিত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেয়।

পরীক্ষার্থী মেহেদী হাসান জানান, পরীক্ষা শেষে অন্য কেন্দ্রের প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে তারা ভিন্নতা বুঝতে পারেন। পরে বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অবহিত করা হয়।

চরহাজিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমার মণ্ডল বলেন, শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়।

চরভদ্রাসন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার মাকসুদুর রহমান বলেন, বিষয়টি জানার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কেন্দ্র সচিব নজরুল ইসলাম, হল সুপার মোজাহারুল হক এবং ট্যাগ অফিসার মো. জাহিদ তালুকদারকে শোকজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রের কার্যক্রম সচল রাখতে নতুন কর্মকর্তাদের জরুরি ভিত্তিতে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া মমতাজ বলেন, ঘটনাটি পরীক্ষার পরদিন জানা যায় এবং সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা শিক্ষাবোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, পরীক্ষার্থীদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তারা যে প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছে, সেই অনুযায়ী খাতা মূল্যায়ন করে ফল প্রকাশ করা হবে।