মোঃ ফখরুজ্জামান চৌধুরী কৌশিকঃ
দেশীয় কৃষকের স্বার্থ বিবেচনা করে ভারত থেকে দেশে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। তবে পুরোনো আমদানির অনুমতি দিয়ে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত আমদানি করতে পারবেন আমদানিকাকররা। এদিকে আমদানি না হলে দেশের বাজারে পণ্যটির দাম বাড়বে বলে দাবি আমদানিকারকদের।
সোমবার সকাল থেকে নতুন করে ভারত থেকে দেশে কোনও পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়নি সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতর। তবে পুরোনো আমদানির অনুমতির বিপরীতে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ১২ ট্রাকে ৩৪৪ টন ।
দেশে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠলে দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়। এর ফলে ৩ মাস বন্ধের পর আবারও গত ৭ ডিসেম্বর থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। আমদানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম কমতে শুরু করে। বর্তমানে পেঁয়াজের দাম কমতে কমতে অনেকটা স্থিতিশীল অবস্থায় চলে এসেছে। পাইকারি বাজারে দাম ৪০ থেকে ৫০টাকায় নেমে এসেছে।
পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি বন্ধ করে দেওয়ায় দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ে আবারও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। দাম কেজিতে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় গিয়ে দাঁড়াতে পারে। ইতিমধ্যেই আমদানির অনুমতি দেওয়া বন্ধের খবরে কেজিতে বন্দরে ২ টাকার মতো বেড়েছে।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী জানান, দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার পণ্যটি আমদানির অনুমতি দিলেও সোমবার সকাল থেকে নতুন করে কোনও পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়নি। তবে আগের ইস্যু করা আমদানির অনুমতির বিপরীতে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পণ্যটি আমদানি করা যাবে।
প্রিন্ট

সদরপুরে নিম্ম আয়ের মানুষের ভীড় বাড়ছে ফুটপাতের পুরানো শীতবস্ত্রের দোকানে 
মোঃ ফখরুজ্জামান চৌধুরী কৌশিক, হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি 





















