ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

৬৪ কেন ৬৪ হাজার মামলা দিয়েও আমাকে সরানো যাবে না -আমির হামজা

ইসমাইল হোসেন বাবু:

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ইসলামিক বক্তা মুফতি মাওলানা আমির হামজা বলেছেন, “আমি আয়না ঘর ও ফাঁসির কনডেম সেলে অনেক বছর ছিলাম। আমাকে মেরে না ফেললে আমার বিরুদ্ধে ৬৪ কেন, ৬৪ হাজার মামলা দিয়েও আমাকে নির্বাচনের পথ থেকে সরানো যাবে না।”

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ঝাউদিয়া ফুটবল মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, “আমাদের জন্ম এই থানাতেই। আমি কী কী করতে চাই, সেগুলো আগেই জানিয়ে দিতে চাই। বহু মানুষ বহু কথা আমাদের কানে তুলে দিচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ২০১৩, ২০১৫, ২০১৭ ও ২০২৩ সালের বক্তব্য কাটিং-কুটিং করে উল্টো-পাল্টা উপস্থাপন করা হচ্ছে। মানুষকে ভুল বোঝিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার জন্য ভয় ও ষড়যন্ত্র ঢুকিয়ে দিয়ে মামলা বাণিজ্য শুরু করা হয়েছে।”

আমির হামজা বলেন, “৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলা। এই থানা বিক্রি করলেও এত টাকা হবে না। পাগলা কুকুরে কামড় দিলেও মানুষ এভাবে ক্ষেপে যায় না। আপনারা আলহাজ্ব আব্দুল গফুর সাহেবের কাছ থেকে শুনেছেন, তারা মহিলাদের নিয়ে ঝাঁটা মিছিল করেছে। যে মহিলা নেতৃত্বে ছিল বটতৈল ক্যানেলপাড়ার, তিনি একজন মাদক ব্যবসায়ী। এই মহিলা শুধু মাদক ও ফেনসিডিলের কারণে ২০ বারেরও বেশি জেলে গেছেন। আপনাদের জনসমর্থন এত তলানিতে যে ৩০০ টাকা দিয়ে মাদক ব্যবসায়ী ভাড়া করতে হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “ন্যায়বিচারভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প এই দেশে আর কোনো দল নেই। আমরা কিছু মসজিদের ইমামদের বলতে শুনেছি, এরা আল্লাহর আইন চায় না। এ জন্য একটি ইসলামিক দল তাদের থেকে বেরিয়ে গেছে। আমাদের ব্যানারে দেখুন—লেখা আছে, ‘আল্লাহর আইন চাই’।”

আমির হামজা বলেন, “আমি নিজেও নিরাপত্তাহীনতায় আছি। বহু মানুষ এখন নিরাপদ নয়। মরহুম এরশাদ বলেছিলেন—ঘরে থাকলে খুন হয়, আর বাইরে গেলে গুম হয়। আমরা আর এই দৃশ্য বাংলাদেশে দেখতে চাই না। ফ্যাসিস্টদের সময় হয় মানুষ খুন হয়েছে, নয়তো গুম হয়েছে, নাহয় কোথায় গেছে কেউ বলতে পারে না। সামনে যদি এ দিন আর ফিরিয়ে আনতে না চান, তাহলে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন।”

এ সময় নির্বাচনী জনসভায় জেলা ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

তানোরে শিব নদী পাড়ে বিনোদন পিপাসু মানুষের ভিড়

error: Content is protected !!

৬৪ কেন ৬৪ হাজার মামলা দিয়েও আমাকে সরানো যাবে না -আমির হামজা

আপডেট টাইম : ১১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
ইসমাইল হোসেন বাবু, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার :

ইসমাইল হোসেন বাবু:

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ইসলামিক বক্তা মুফতি মাওলানা আমির হামজা বলেছেন, “আমি আয়না ঘর ও ফাঁসির কনডেম সেলে অনেক বছর ছিলাম। আমাকে মেরে না ফেললে আমার বিরুদ্ধে ৬৪ কেন, ৬৪ হাজার মামলা দিয়েও আমাকে নির্বাচনের পথ থেকে সরানো যাবে না।”

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ঝাউদিয়া ফুটবল মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, “আমাদের জন্ম এই থানাতেই। আমি কী কী করতে চাই, সেগুলো আগেই জানিয়ে দিতে চাই। বহু মানুষ বহু কথা আমাদের কানে তুলে দিচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ২০১৩, ২০১৫, ২০১৭ ও ২০২৩ সালের বক্তব্য কাটিং-কুটিং করে উল্টো-পাল্টা উপস্থাপন করা হচ্ছে। মানুষকে ভুল বোঝিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার জন্য ভয় ও ষড়যন্ত্র ঢুকিয়ে দিয়ে মামলা বাণিজ্য শুরু করা হয়েছে।”

আমির হামজা বলেন, “৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলা। এই থানা বিক্রি করলেও এত টাকা হবে না। পাগলা কুকুরে কামড় দিলেও মানুষ এভাবে ক্ষেপে যায় না। আপনারা আলহাজ্ব আব্দুল গফুর সাহেবের কাছ থেকে শুনেছেন, তারা মহিলাদের নিয়ে ঝাঁটা মিছিল করেছে। যে মহিলা নেতৃত্বে ছিল বটতৈল ক্যানেলপাড়ার, তিনি একজন মাদক ব্যবসায়ী। এই মহিলা শুধু মাদক ও ফেনসিডিলের কারণে ২০ বারেরও বেশি জেলে গেছেন। আপনাদের জনসমর্থন এত তলানিতে যে ৩০০ টাকা দিয়ে মাদক ব্যবসায়ী ভাড়া করতে হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “ন্যায়বিচারভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প এই দেশে আর কোনো দল নেই। আমরা কিছু মসজিদের ইমামদের বলতে শুনেছি, এরা আল্লাহর আইন চায় না। এ জন্য একটি ইসলামিক দল তাদের থেকে বেরিয়ে গেছে। আমাদের ব্যানারে দেখুন—লেখা আছে, ‘আল্লাহর আইন চাই’।”

আমির হামজা বলেন, “আমি নিজেও নিরাপত্তাহীনতায় আছি। বহু মানুষ এখন নিরাপদ নয়। মরহুম এরশাদ বলেছিলেন—ঘরে থাকলে খুন হয়, আর বাইরে গেলে গুম হয়। আমরা আর এই দৃশ্য বাংলাদেশে দেখতে চাই না। ফ্যাসিস্টদের সময় হয় মানুষ খুন হয়েছে, নয়তো গুম হয়েছে, নাহয় কোথায় গেছে কেউ বলতে পারে না। সামনে যদি এ দিন আর ফিরিয়ে আনতে না চান, তাহলে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন।”

এ সময় নির্বাচনী জনসভায় জেলা ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।