ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

৪৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ইবি ছাত্রশিবিরের বর্ণাট্য সাইকেল র‌্যালি

ইসমাইল হােসেন বাবুঃ

মেধা, সততা ও দেশপ্রেমে গড়ি আগামীর বাংলাদেশ” স্লোগানকে সামনে রেখে ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাট্য সাইকেল র‌্যালির আয়োজন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির।

আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে র‌্যালিটি শুরু হয়ে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক ধরে মদনডাঙ্গা মোড় ঘুরে এসে একইস্থানে সমাবেশে মিলিত হয়।

 

র‌্যালিটি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলীর নেতৃত্বে সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফি ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মাদ জাকারিয়াসহ দুই শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেয়।

 

সভাপতির বক্তব্যে ইউসুব আলী বলেন,বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে। ছাত্রশিবিরের ভিশন হচ্ছে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সৎ দক্ষ এবং দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরি। আমরা মূলত একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই। এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যে দেশে কোনো দুর্নীতি থাকবে না, যে দেশে কোনো হত্যা, খুন, রাহাজানি থাকবে না, যে দেশের মধ্যে কোনো চাঁদাবাজি থাকবে না, কোনো মানুষ মজলুমের শিকার হবে না।

 

এরকম একটি দেশ আমরা গড়তে চাই। আর সেই দেশ গড়ার জন্য যেটা সব থেকে বেশি প্রয়োজন, এমন কিছু নাগরিক প্রয়োজন বা বাংলাদেশের মানুষকে এমন হওয়া প্রয়োজন যেন তারা হবে সৎ, দক্ষ এবং দেশপ্রেমিক। সৎ দক্ষ এবং দেশপ্রেমিকের সমন্বয় ঘটলেই কেবল এমন কিছু মানুষ তৈরি করা সম্ভব যে মানুষগুলোর মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ আমরা তৈরি করতে পারব।

 

কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা দিয়ে বলেন,আমরা যদি চায়নার কথা যদি চিন্তা করি, ৭০ এর দশকে আমরা দেখেছি যে চায়নার অর্থনীতি এবং বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রায় সেইম ছিল। চায়না ছিল ১৬০ মার্কিন ডলার মাথাপিছু আয়, বাংলাদেশে ছিল ১৪০ মার্কিন ডলার মাথাপিছু আয়। সামান্য পার্থক্য ছিল। কিন্তু এই অল্প সময়ের মধ্যে বিশাল একটা পরিবর্তন হয়েছে শুধুমাত্র একটি সুন্দর শিক্ষা ব্যবস্থা থাকার কারণে। কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা থাকার কারণে। তো আমরা চাই যে দল ক্ষমতায় আসবে আগামীতে সেই দল যেন এরকম একটি কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার প্রবর্তন করে।

 

জাতীয় গণমাধ্যমগুলোর সমালোচনা করে বলেন,মিডিয়া যেন কোনো বিশেষ দলের দালালি না করে বা সত্য গোপন না করে। বিগত সরকারের আমলের উদাহরণ টেনে তিনি মিডিয়াকে ‘ফ্যাসিবাদ’ তৈরিতে সাহায্য না করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানাই।

 

আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে ছাত্র সমাজকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এমন দল বা ব্যক্তিকে নির্বাচনে জয়ী করার কথা বলা হয়েছে যারা মানুষের অধিকার রক্ষা করবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং দেশে ইনসাফ কায়েম করবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষনা করেনঃ -অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা

error: Content is protected !!

৪৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ইবি ছাত্রশিবিরের বর্ণাট্য সাইকেল র‌্যালি

আপডেট টাইম : ০৬:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ইসমাইল হোসেন বাবু, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার :

ইসমাইল হােসেন বাবুঃ

মেধা, সততা ও দেশপ্রেমে গড়ি আগামীর বাংলাদেশ” স্লোগানকে সামনে রেখে ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাট্য সাইকেল র‌্যালির আয়োজন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির।

আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে র‌্যালিটি শুরু হয়ে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক ধরে মদনডাঙ্গা মোড় ঘুরে এসে একইস্থানে সমাবেশে মিলিত হয়।

 

র‌্যালিটি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলীর নেতৃত্বে সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফি ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মাদ জাকারিয়াসহ দুই শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেয়।

 

সভাপতির বক্তব্যে ইউসুব আলী বলেন,বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে। ছাত্রশিবিরের ভিশন হচ্ছে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সৎ দক্ষ এবং দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরি। আমরা মূলত একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই। এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যে দেশে কোনো দুর্নীতি থাকবে না, যে দেশে কোনো হত্যা, খুন, রাহাজানি থাকবে না, যে দেশের মধ্যে কোনো চাঁদাবাজি থাকবে না, কোনো মানুষ মজলুমের শিকার হবে না।

 

এরকম একটি দেশ আমরা গড়তে চাই। আর সেই দেশ গড়ার জন্য যেটা সব থেকে বেশি প্রয়োজন, এমন কিছু নাগরিক প্রয়োজন বা বাংলাদেশের মানুষকে এমন হওয়া প্রয়োজন যেন তারা হবে সৎ, দক্ষ এবং দেশপ্রেমিক। সৎ দক্ষ এবং দেশপ্রেমিকের সমন্বয় ঘটলেই কেবল এমন কিছু মানুষ তৈরি করা সম্ভব যে মানুষগুলোর মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ আমরা তৈরি করতে পারব।

 

কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা দিয়ে বলেন,আমরা যদি চায়নার কথা যদি চিন্তা করি, ৭০ এর দশকে আমরা দেখেছি যে চায়নার অর্থনীতি এবং বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রায় সেইম ছিল। চায়না ছিল ১৬০ মার্কিন ডলার মাথাপিছু আয়, বাংলাদেশে ছিল ১৪০ মার্কিন ডলার মাথাপিছু আয়। সামান্য পার্থক্য ছিল। কিন্তু এই অল্প সময়ের মধ্যে বিশাল একটা পরিবর্তন হয়েছে শুধুমাত্র একটি সুন্দর শিক্ষা ব্যবস্থা থাকার কারণে। কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা থাকার কারণে। তো আমরা চাই যে দল ক্ষমতায় আসবে আগামীতে সেই দল যেন এরকম একটি কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার প্রবর্তন করে।

 

জাতীয় গণমাধ্যমগুলোর সমালোচনা করে বলেন,মিডিয়া যেন কোনো বিশেষ দলের দালালি না করে বা সত্য গোপন না করে। বিগত সরকারের আমলের উদাহরণ টেনে তিনি মিডিয়াকে ‘ফ্যাসিবাদ’ তৈরিতে সাহায্য না করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানাই।

 

আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে ছাত্র সমাজকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এমন দল বা ব্যক্তিকে নির্বাচনে জয়ী করার কথা বলা হয়েছে যারা মানুষের অধিকার রক্ষা করবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং দেশে ইনসাফ কায়েম করবে।