ঢাকা , রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত Logo সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি Logo নগরকান্দায় ৯৫০ পিচ ইয়াবাসহ আটক ১
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের এই লংমার্চঃ -গাইবান্ধায় শফিকুর রহমান

আশরাফুজ্জামানঃ

 

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ১১ দলীয় ঐক্যের এই লংমার্চ কোনো দলের নয়, দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের এই লংমার্চ। যদি গণভোটের গণরায় বাস্তাবায়ন করা হতো তাহলে এই লংমার্চ করার প্রয়োজন হতোনা।

 

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাতটার দিকে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের আটদফা দাবিতে ঢাকা টু রংপুর লংমার্চের গাইবান্ধার ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পলাশবাড়ির চৌমাথার পথসভায় প্রধান অতিথির সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

জামায়াতে আমীর বলেন, যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হতো তাহলে লংমার্চ করতাম না, যদি চাঁদাবাজি বন্ধ হতো তাহলে লংমার্চ করতাম না, দেশে যদি দুর্নীতি করা বন্ধ হতো তাহলে লংমার্চ করতাম না, মানুষ যদি বিদ্যুৎ পেতো লংমার্চ করতাম না, ন্যায্য মূল্যে পর্যাপ্ত সার পেত লংমার্চ করতাম না, যদি ঘরে ঘরে মানুষ নিরাপত্তা পেত তাহলে লংমার্চ করতাম না।

 

শফিকুর রহমান বলেন, প্রিয় দেশবাসী, আমাদের এসব দাবি যদি সরকার মেনে নেয় আল্লাহর কসম লংমার্চের প্রয়োজন হতোনা। এই দাবিগুলো আমাদের দলের একটাও দাবি নয়, প্রত্যেকটা দাবি এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি। সরকার যদি এইসব দাবি মেনে না নেয় তাহলে আজ ৮ দফা, কাল ৯ দফা, পরে ১০ দফা, পরে হবে ১ দফা।

 

শফিকুর রহমান প্রয়োজনে একদফা দাবি আদায়ে সবাইকে প্রস্তুত থাকার জিজ্ঞাসায় বলেন, আমরা সরকারকে সময় দিচ্ছি, শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। অন্যায় যে করে, আর অন্যায় যে সহে দুইয়ে সমান অপরাধী। দাবি আদায় নাহলে ঢাকায় বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে-আপনার রাজি আছেন? আপনার প্রস্তুত থাকবেন। আপনারাতো যাবেনই। সারাদেশের মুক্তিকামী মানুষদের নিয়ে নারী-পুরুষ সকলে ঢাকায় আসবেন। এই দাবি না আদায় হওয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরবোনা ইনশাআল্লাহ।

 

এর আগে পথসভায় বক্তব্য রাখে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এনসিপির মূখ্য সংগঠক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস ফরহাদ হোসেন সহ অন্যরা।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াতের এমপির ছেলে, ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা

error: Content is protected !!

১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের এই লংমার্চঃ -গাইবান্ধায় শফিকুর রহমান

আপডেট টাইম : ১০ ঘন্টা আগে
আশরাফুজ্জামান, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি :

আশরাফুজ্জামানঃ

 

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ১১ দলীয় ঐক্যের এই লংমার্চ কোনো দলের নয়, দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের এই লংমার্চ। যদি গণভোটের গণরায় বাস্তাবায়ন করা হতো তাহলে এই লংমার্চ করার প্রয়োজন হতোনা।

 

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাতটার দিকে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের আটদফা দাবিতে ঢাকা টু রংপুর লংমার্চের গাইবান্ধার ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পলাশবাড়ির চৌমাথার পথসভায় প্রধান অতিথির সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

জামায়াতে আমীর বলেন, যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হতো তাহলে লংমার্চ করতাম না, যদি চাঁদাবাজি বন্ধ হতো তাহলে লংমার্চ করতাম না, দেশে যদি দুর্নীতি করা বন্ধ হতো তাহলে লংমার্চ করতাম না, মানুষ যদি বিদ্যুৎ পেতো লংমার্চ করতাম না, ন্যায্য মূল্যে পর্যাপ্ত সার পেত লংমার্চ করতাম না, যদি ঘরে ঘরে মানুষ নিরাপত্তা পেত তাহলে লংমার্চ করতাম না।

 

শফিকুর রহমান বলেন, প্রিয় দেশবাসী, আমাদের এসব দাবি যদি সরকার মেনে নেয় আল্লাহর কসম লংমার্চের প্রয়োজন হতোনা। এই দাবিগুলো আমাদের দলের একটাও দাবি নয়, প্রত্যেকটা দাবি এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি। সরকার যদি এইসব দাবি মেনে না নেয় তাহলে আজ ৮ দফা, কাল ৯ দফা, পরে ১০ দফা, পরে হবে ১ দফা।

 

শফিকুর রহমান প্রয়োজনে একদফা দাবি আদায়ে সবাইকে প্রস্তুত থাকার জিজ্ঞাসায় বলেন, আমরা সরকারকে সময় দিচ্ছি, শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। অন্যায় যে করে, আর অন্যায় যে সহে দুইয়ে সমান অপরাধী। দাবি আদায় নাহলে ঢাকায় বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে-আপনার রাজি আছেন? আপনার প্রস্তুত থাকবেন। আপনারাতো যাবেনই। সারাদেশের মুক্তিকামী মানুষদের নিয়ে নারী-পুরুষ সকলে ঢাকায় আসবেন। এই দাবি না আদায় হওয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরবোনা ইনশাআল্লাহ।

 

এর আগে পথসভায় বক্তব্য রাখে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এনসিপির মূখ্য সংগঠক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস ফরহাদ হোসেন সহ অন্যরা।