ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

হরিপুরে উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ, স্বচ্ছতা বজায় রাখার দাবি সংশ্লিষ্টদের

জসীমউদ্দিন ইতি, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ নিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে উপজেলার ১৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ছাড় ও বাস্তবায়ন সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করেই করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

 

সম্প্রতি একটি পক্ষ অভিযোগ তোলে, ৪৫ লাখ টাকার উন্নয়নকাজ শুরু হওয়ার আগেই অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে এবং প্রকল্প কমিটির সভাপতিরা এ বিষয়ে অবগত নন।

 

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুল সালাম বলেন, এলাকার উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করা এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। প্রতিটি প্রকল্প শতভাগ স্বচ্ছতা ও সরকারি নিয়ম মেনে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জনগণের অর্থের কোনো অপব্যবহার বরদাশত করা হবে না।

 

উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সমাজসেবক মাসুদ রানা অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে বলেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি প্রকল্পে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সভাপতি করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলনের ক্ষেত্রে সভাপতি ও সদস্য সচিবের যৌথ স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক। তাই সভাপতিরা কিছু জানেন না—এমন দাবি সম্পূর্ণ অসত্য। নিয়ম মেনেই অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে এবং তা প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে ব্যবহার করা হচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করা এবং রাজনৈতিকভাবে তাদের পরিবারকে হেয় করতেই একটি মহল বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। বরাদ্দকৃত অর্থের প্রতিটি টাকার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

 

কয়েকজন প্রকল্প কমিটির সভাপতির সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, প্রকল্পের কার্যক্রম ও অর্থ উত্তোলনের বিষয়ে তারা অবগত আছেন এবং নিয়ম অনুযায়ী চেকে স্বাক্ষর করেছেন। তাদের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।

 

হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চন্দন কর বলেন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ ও বাস্তবায়নে শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখা হচ্ছে। কাজ ছাড়া অর্থ আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই। প্রতিটি প্রকল্প নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে এবং কাজ শেষে বিধি অনুযায়ী চূড়ান্ত মূল্যায়ন করা হবে।

 

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, সরকারি বিধিমালা অনুসরণ করেই উপজেলার ১৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ছাড়, বাস্তবায়ন ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রুইথনপুর বাজারে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

error: Content is protected !!

হরিপুরে উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ, স্বচ্ছতা বজায় রাখার দাবি সংশ্লিষ্টদের

আপডেট টাইম : ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
জসীমউদ্দীন ইতি, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি :

জসীমউদ্দিন ইতি, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ নিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে উপজেলার ১৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ছাড় ও বাস্তবায়ন সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করেই করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

 

সম্প্রতি একটি পক্ষ অভিযোগ তোলে, ৪৫ লাখ টাকার উন্নয়নকাজ শুরু হওয়ার আগেই অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে এবং প্রকল্প কমিটির সভাপতিরা এ বিষয়ে অবগত নন।

 

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুল সালাম বলেন, এলাকার উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করা এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। প্রতিটি প্রকল্প শতভাগ স্বচ্ছতা ও সরকারি নিয়ম মেনে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জনগণের অর্থের কোনো অপব্যবহার বরদাশত করা হবে না।

 

উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সমাজসেবক মাসুদ রানা অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে বলেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি প্রকল্পে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সভাপতি করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলনের ক্ষেত্রে সভাপতি ও সদস্য সচিবের যৌথ স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক। তাই সভাপতিরা কিছু জানেন না—এমন দাবি সম্পূর্ণ অসত্য। নিয়ম মেনেই অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে এবং তা প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে ব্যবহার করা হচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করা এবং রাজনৈতিকভাবে তাদের পরিবারকে হেয় করতেই একটি মহল বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। বরাদ্দকৃত অর্থের প্রতিটি টাকার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

 

কয়েকজন প্রকল্প কমিটির সভাপতির সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, প্রকল্পের কার্যক্রম ও অর্থ উত্তোলনের বিষয়ে তারা অবগত আছেন এবং নিয়ম অনুযায়ী চেকে স্বাক্ষর করেছেন। তাদের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।

 

হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চন্দন কর বলেন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ ও বাস্তবায়নে শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখা হচ্ছে। কাজ ছাড়া অর্থ আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই। প্রতিটি প্রকল্প নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে এবং কাজ শেষে বিধি অনুযায়ী চূড়ান্ত মূল্যায়ন করা হবে।

 

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, সরকারি বিধিমালা অনুসরণ করেই উপজেলার ১৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ছাড়, বাস্তবায়ন ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।