ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

বেনাপোল বন্দরের ৩৭ নম্বর শেড থেকে চুরি হওয়া ১৯ প্যাকেজ পণ্য উদ্ধার

সাজেদুর রহমানঃ

বেনাপোল স্থলবন্দরের ৩৭ নম্বর শেড থেকে চুরি হওয়া ১৯ প্যাকেজ ভারতীয় পণ্য উদ্ধার করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৩ জুলাই) বিকালে শেডের মধ্যে নিলামের পরিত্যাক্ত মালামালের ভিতর পলিথিন দিয়ে ঢাকা অবস্থায় এসব পণ্য উদ্ধার করেন কাস্টমস।

 

বন্দর ও কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, গত ১২ মার্চ মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ভারত থেকে একটি পণ্যচালান আমদানি করেন বেনাপোলের সাফা ইমপেক্স নামক আমদানিকারক। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ গোপন সূত্রে জানতে পেরে পণ্য চালানটি আটক পূর্বক ইনভেন্ট্রি করে আমদানিকৃত বেকিং পাউডারের পরিবর্তে ১০৮ প্যাকেজ ভারতীয় শাড়ি, থ্রিপিস, বেবিওয়্যার, ফেসওয়াশ, ক্রিম, লোশনসহ বিভিন্ন রকম মালামাল পাই। আটক মালামাল বন্দরের ৩৭ নম্বর শেডে বন্দর কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রাখেন। গত ২ জুন পণ্য চালানটি পুনরায় ইনভেন্টি করার সময় ১৯ প্যাকেজ পণ্য কম পাওয়া যায়। সোমবার ওই ১৯ প্যাকেজ শেড অভ্যন্তরে নিলামের মালামালের মধ্যে পলিথিনে ঢাকা অবস্থায় উদ্ধার করেন।

 

কাস্টমসের আটককৃত মালামাল বন্দরের শেড থেকে চুরি হওয়ার ঘটনায় ১০ জুন বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আমির মাহামুদ আরেফিন বাদি হয়ে বন্দরের কর্মকর্তা সহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে প্রতারনার মামলা দায়ের করেন বেনাপোল পোর্ট থানায়।

 

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা চালানটির আমদানিকারক বেনাপোলের সাফা ইমপেক্স এবং সিএন্ডএফ এজেন্ট মেসার্স হুদা এন্টারপ্রাইজ। মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় পণ্য আমদানি করেন এবং প্রায় ২ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৫ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হচ্ছিলো।

 

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন বলেন, “উদ্ধার হওয়া ১৯ প্যাকেজ আগের জব্দ করা চালানেরই অংশ। কিভাবে মালামালগুলো শেডের ভেতরে সরিয়ে রাখা হয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার তৌফিকুর রহমান বলেন, উদ্ধার হওয়া পণ্য গণনা ও যাচাইয়ের কাজ চলছে। এরপর প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রুইথনপুর বাজারে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

error: Content is protected !!

বেনাপোল বন্দরের ৩৭ নম্বর শেড থেকে চুরি হওয়া ১৯ প্যাকেজ পণ্য উদ্ধার

আপডেট টাইম : ৪ ঘন্টা আগে
সাজেদুর রহমান, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি :

সাজেদুর রহমানঃ

বেনাপোল স্থলবন্দরের ৩৭ নম্বর শেড থেকে চুরি হওয়া ১৯ প্যাকেজ ভারতীয় পণ্য উদ্ধার করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৩ জুলাই) বিকালে শেডের মধ্যে নিলামের পরিত্যাক্ত মালামালের ভিতর পলিথিন দিয়ে ঢাকা অবস্থায় এসব পণ্য উদ্ধার করেন কাস্টমস।

 

বন্দর ও কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, গত ১২ মার্চ মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ভারত থেকে একটি পণ্যচালান আমদানি করেন বেনাপোলের সাফা ইমপেক্স নামক আমদানিকারক। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ গোপন সূত্রে জানতে পেরে পণ্য চালানটি আটক পূর্বক ইনভেন্ট্রি করে আমদানিকৃত বেকিং পাউডারের পরিবর্তে ১০৮ প্যাকেজ ভারতীয় শাড়ি, থ্রিপিস, বেবিওয়্যার, ফেসওয়াশ, ক্রিম, লোশনসহ বিভিন্ন রকম মালামাল পাই। আটক মালামাল বন্দরের ৩৭ নম্বর শেডে বন্দর কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রাখেন। গত ২ জুন পণ্য চালানটি পুনরায় ইনভেন্টি করার সময় ১৯ প্যাকেজ পণ্য কম পাওয়া যায়। সোমবার ওই ১৯ প্যাকেজ শেড অভ্যন্তরে নিলামের মালামালের মধ্যে পলিথিনে ঢাকা অবস্থায় উদ্ধার করেন।

 

কাস্টমসের আটককৃত মালামাল বন্দরের শেড থেকে চুরি হওয়ার ঘটনায় ১০ জুন বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আমির মাহামুদ আরেফিন বাদি হয়ে বন্দরের কর্মকর্তা সহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে প্রতারনার মামলা দায়ের করেন বেনাপোল পোর্ট থানায়।

 

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা চালানটির আমদানিকারক বেনাপোলের সাফা ইমপেক্স এবং সিএন্ডএফ এজেন্ট মেসার্স হুদা এন্টারপ্রাইজ। মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় পণ্য আমদানি করেন এবং প্রায় ২ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৫ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হচ্ছিলো।

 

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন বলেন, “উদ্ধার হওয়া ১৯ প্যাকেজ আগের জব্দ করা চালানেরই অংশ। কিভাবে মালামালগুলো শেডের ভেতরে সরিয়ে রাখা হয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার তৌফিকুর রহমান বলেন, উদ্ধার হওয়া পণ্য গণনা ও যাচাইয়ের কাজ চলছে। এরপর প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।