ঢাকা , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

সন্তান জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধন করলে পুরস্কার

আব্দুল হামিদ মিঞাঃ

 

সন্তানের জন্মনিবন্ধনের প্রয়োজন হলেই অভিভাবকের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে। তারা মনে করেন, এটা করতে যাওয়া মানে হয়রানির শিকার হওয়া। কারণ জন্মনিবন্ধন করা নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই। অনেকে দিনের পর দিন পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদে ধরনা দেন, বাড়তি টাকাও ব্যয় করেন।

 

কিন্তু জন্মনিবন্ধন সনদ হাতে পান না। এই পরিস্থিতি বদলে দিতে রাজশাহীর বাঘা পৌরসভা থেকে অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সন্তান জন্মগ্রহণের ৪৫ দিনের মধ্যে পৌরসভায় জন্মনিবন্ধন করালে অভিভাবকরা পাচ্ছেন পুরুস্কার। ভোগান্তি ছাড়াই বিনামূল্যে দ্রুত মিলছে সনদ।

 

সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, অর্থাৎ শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধনে অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করতে পৌর সভা থেকে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

সোমবার(০৬-১০-২০২৫) বিকেল ৪টায় বাঘা পৌরসভা কার্যালয়ে গত সেপ্টেম্বর’২৫ মাসে জন্মনিবন্ধন করা ১৯ জন অভিভাবকের হাতে জন্মনিবন্ধন সনদ ও পুরুস্কার প্রদান করা হয়। পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহি অফিসার শাম্মী আক্তার তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এসময় পৌরসভার নির্বাহি প্রকৌশলী তাজুল ইসলামসহ কর্মকর্তা-কর্মচারিগন উপস্থিত ছিলেন।

 

পৌরসভার উত্তরগাওপাড়া গ্রামের বর্ষা খাতুন জানান, তাঁর সদ্যোজাত শিশুর ১২দিনের মাথায় জন্মনিবন্ধন করাতে পৌরসভায় যান। ১০ দিনের দিন সন্তানের জন্মনিবন্ধন করিয়েছেন বাজুবাঘা গ্রামের যুথি খাতুন। ৩৯ দিনের মাথায় সন্তানের জন্মনিবন্ধন করিয়েছেন বানিয়া পাড়ার সুমাইয়া খাতুন।

 

তারা বলেন, শিশুর জন্মনিবন্ধন করানোর জন্য পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহি অফিসার আমাদের অভিনন্দন জানান। সেই সঙ্গে শিমুর জন্য পুরস্কার ও সন্তানের জন্মনিবন্ধন সনদ হাতে তুলে দেন। এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।

 

পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহি অফিসার শাম্মী আক্তার বলেন, বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জন্মনিবন্ধন একটি গুরুত্বপূর্ণ সনদ। কারণ স্কুলে ভর্তি থেকে শুরু করে শিশুর প্রতিটি কাজেই এটা বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক সন্তানের অভিভাবক জন্মনিবন্ধন করতে গড়িমসি করেন।

 

এ ছাড়া একটু বয়স হলে নিবন্ধন করাতে বেগ পেতে হতেও পারে। তাই অভিভাবকদের উপযুক্ত সময়ে সন্তানের জন্মনিবন্ধনে আগ্রহী করতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিশুর ৪৫ দিন বয়সের মধ্যে ঝামেলা ছাড়াই বিনামূল্যে জন্মনিবন্ধন সনদ পাওয়া সম্ভব।

 

তিনি বলেন,আগামীতেও যেসব শিশুর অভিভাবক ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধন করাতে পৌরসভায় আসবেন, তাদের সনদের সঙ্গে পুরস্কার দেওয়া হবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে প্রধানমন্ত্রীঃ -এম.পি বাবুল

error: Content is protected !!

সন্তান জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধন করলে পুরস্কার

আপডেট টাইম : ০৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
আব্দুল হামিদ মিঞা, বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি :

আব্দুল হামিদ মিঞাঃ

 

সন্তানের জন্মনিবন্ধনের প্রয়োজন হলেই অভিভাবকের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে। তারা মনে করেন, এটা করতে যাওয়া মানে হয়রানির শিকার হওয়া। কারণ জন্মনিবন্ধন করা নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই। অনেকে দিনের পর দিন পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদে ধরনা দেন, বাড়তি টাকাও ব্যয় করেন।

 

কিন্তু জন্মনিবন্ধন সনদ হাতে পান না। এই পরিস্থিতি বদলে দিতে রাজশাহীর বাঘা পৌরসভা থেকে অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সন্তান জন্মগ্রহণের ৪৫ দিনের মধ্যে পৌরসভায় জন্মনিবন্ধন করালে অভিভাবকরা পাচ্ছেন পুরুস্কার। ভোগান্তি ছাড়াই বিনামূল্যে দ্রুত মিলছে সনদ।

 

সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, অর্থাৎ শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধনে অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করতে পৌর সভা থেকে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

সোমবার(০৬-১০-২০২৫) বিকেল ৪টায় বাঘা পৌরসভা কার্যালয়ে গত সেপ্টেম্বর’২৫ মাসে জন্মনিবন্ধন করা ১৯ জন অভিভাবকের হাতে জন্মনিবন্ধন সনদ ও পুরুস্কার প্রদান করা হয়। পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহি অফিসার শাম্মী আক্তার তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এসময় পৌরসভার নির্বাহি প্রকৌশলী তাজুল ইসলামসহ কর্মকর্তা-কর্মচারিগন উপস্থিত ছিলেন।

 

পৌরসভার উত্তরগাওপাড়া গ্রামের বর্ষা খাতুন জানান, তাঁর সদ্যোজাত শিশুর ১২দিনের মাথায় জন্মনিবন্ধন করাতে পৌরসভায় যান। ১০ দিনের দিন সন্তানের জন্মনিবন্ধন করিয়েছেন বাজুবাঘা গ্রামের যুথি খাতুন। ৩৯ দিনের মাথায় সন্তানের জন্মনিবন্ধন করিয়েছেন বানিয়া পাড়ার সুমাইয়া খাতুন।

 

তারা বলেন, শিশুর জন্মনিবন্ধন করানোর জন্য পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহি অফিসার আমাদের অভিনন্দন জানান। সেই সঙ্গে শিমুর জন্য পুরস্কার ও সন্তানের জন্মনিবন্ধন সনদ হাতে তুলে দেন। এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।

 

পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহি অফিসার শাম্মী আক্তার বলেন, বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জন্মনিবন্ধন একটি গুরুত্বপূর্ণ সনদ। কারণ স্কুলে ভর্তি থেকে শুরু করে শিশুর প্রতিটি কাজেই এটা বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক সন্তানের অভিভাবক জন্মনিবন্ধন করতে গড়িমসি করেন।

 

এ ছাড়া একটু বয়স হলে নিবন্ধন করাতে বেগ পেতে হতেও পারে। তাই অভিভাবকদের উপযুক্ত সময়ে সন্তানের জন্মনিবন্ধনে আগ্রহী করতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিশুর ৪৫ দিন বয়সের মধ্যে ঝামেলা ছাড়াই বিনামূল্যে জন্মনিবন্ধন সনদ পাওয়া সম্ভব।

 

তিনি বলেন,আগামীতেও যেসব শিশুর অভিভাবক ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধন করাতে পৌরসভায় আসবেন, তাদের সনদের সঙ্গে পুরস্কার দেওয়া হবে।