ঢাকা , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

শেখ মুজিবের বাকশাল বিলুপ্তি করে শেখ হাসিনা তার পিতার সাথে বেঈমানি করেছেঃ – মফিকুল হাসান তৃপ্তি

সাজেদুর রহমানঃ

শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে প্রথমে যদি এদেশের কেউ বেঈমানি করে থাকে তবে সেটা করেছে শেখ হাসিনা। আপনারা জানেন ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিব প্রেসিডেন্ট থাকাকালে দেশের সকল রাজনৈতিক দল নিশিদ্ধ ঘোষনা করে প্রতিষ্ঠিত করলেন একদলীয় শাসন ব্যবস্থা বাকশাল। তিনি পার্লামেন্টে ঘোষনা করলেন দেশে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা বাকশাল দল ছাড়া আর কোন দল কেউ করতে পারবে না।

 

সরকার নিয়ন্ত্রিত ৪টি সংবাদপত্র ছাড়া দেশের সকল সংবাদপত্র নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হলো। শেখ মুজিবের একদলীয় শাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে দেশের সাংবাদিক, রাজনৈতিক, অর্থনীতিবীদ দেশের সামরিক বেসমারিক ব্যাক্তিদের কিছু বলার থাকল না। সর্বত্র নিস্তবদ্ধতা। তাহলে সেই বাকশালকে উপেক্ষা করে শেখ হাসিনা তার পিতার গড়া বাকশালকে বিলুপ্তি ঘোষনা করে আবার আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠা করল। তাহলে বলতে হয় শেখ হাসিনাই তার পিতার সাথে প্রথম বেঈমানি করেছিল।

 

তিনি আরও বলেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখা পড়া করার সময় থেকে ছাত্র দল রাজনীতি শুরু করি। এরপর আমি দলের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করি। আমি কেন্দ্রীয় বিএনপির দপ্তর সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি না হয়েও অনেক কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা রাস্তাঘাট স্কুল কলেজের উন্নয়ন করি। আমি এলাকার অনেক বেকার ছেলে মেয়েদের সরকারী চাকুরী দিতে সহযোগিতা করেছি। বিনিময়ে তাদের নিকট থেকে একটি পয়সাও নেই নাই।

 

আমরা সঠিক ভাবে বিগত ১৫ টি বছর রাজনীতি করার সুযোগ পায়নি। আমাদের খুন গুম করার সুযোগ খুজেছে ফ্যাসিবাদি আওয়ামী সরকার। আমাকে মিথ্যা হত্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়েছে। আমি এমপি হলে আগে যারা নানা মামলা হামলার শিকার হয়েছে তাদের পাশে থাকব। আমাদের এই সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান রোধ করব। বৃহস্পতিবার দুপুরে বেনাপোল দিঘিরপাড় ঈদগাহ ময়দানে এক জনসভায় এ কথা বলেন ৮৫ যশোর-১ শার্শা আসনের সাবেক এমপি মফিকুল হাসান তৃপ্তি।

বেনাপোলের দিঘিরপাড় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, শার্শা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক তাজ উদ্দিন তাজ, আইন বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান, তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক আতাউর রহমান আতা, শার্শা উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আল মামুন বাবলু, শার্শা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমদাদুল হক ইমদা, বেনাপোল পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুজ্জামান মির্জা, সদস্য সাইফুল ইসলাম আসাদ, মফিজুর রহমান পিন্টু সহ স্বেচ্ছাসেবক দল শ্রমিক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিল।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে প্রধানমন্ত্রীঃ -এম.পি বাবুল

error: Content is protected !!

শেখ মুজিবের বাকশাল বিলুপ্তি করে শেখ হাসিনা তার পিতার সাথে বেঈমানি করেছেঃ – মফিকুল হাসান তৃপ্তি

আপডেট টাইম : ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
সাজেদুর রহমান, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি :

সাজেদুর রহমানঃ

শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে প্রথমে যদি এদেশের কেউ বেঈমানি করে থাকে তবে সেটা করেছে শেখ হাসিনা। আপনারা জানেন ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিব প্রেসিডেন্ট থাকাকালে দেশের সকল রাজনৈতিক দল নিশিদ্ধ ঘোষনা করে প্রতিষ্ঠিত করলেন একদলীয় শাসন ব্যবস্থা বাকশাল। তিনি পার্লামেন্টে ঘোষনা করলেন দেশে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা বাকশাল দল ছাড়া আর কোন দল কেউ করতে পারবে না।

 

সরকার নিয়ন্ত্রিত ৪টি সংবাদপত্র ছাড়া দেশের সকল সংবাদপত্র নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হলো। শেখ মুজিবের একদলীয় শাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে দেশের সাংবাদিক, রাজনৈতিক, অর্থনীতিবীদ দেশের সামরিক বেসমারিক ব্যাক্তিদের কিছু বলার থাকল না। সর্বত্র নিস্তবদ্ধতা। তাহলে সেই বাকশালকে উপেক্ষা করে শেখ হাসিনা তার পিতার গড়া বাকশালকে বিলুপ্তি ঘোষনা করে আবার আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠা করল। তাহলে বলতে হয় শেখ হাসিনাই তার পিতার সাথে প্রথম বেঈমানি করেছিল।

 

তিনি আরও বলেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখা পড়া করার সময় থেকে ছাত্র দল রাজনীতি শুরু করি। এরপর আমি দলের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করি। আমি কেন্দ্রীয় বিএনপির দপ্তর সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি না হয়েও অনেক কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা রাস্তাঘাট স্কুল কলেজের উন্নয়ন করি। আমি এলাকার অনেক বেকার ছেলে মেয়েদের সরকারী চাকুরী দিতে সহযোগিতা করেছি। বিনিময়ে তাদের নিকট থেকে একটি পয়সাও নেই নাই।

 

আমরা সঠিক ভাবে বিগত ১৫ টি বছর রাজনীতি করার সুযোগ পায়নি। আমাদের খুন গুম করার সুযোগ খুজেছে ফ্যাসিবাদি আওয়ামী সরকার। আমাকে মিথ্যা হত্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়েছে। আমি এমপি হলে আগে যারা নানা মামলা হামলার শিকার হয়েছে তাদের পাশে থাকব। আমাদের এই সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান রোধ করব। বৃহস্পতিবার দুপুরে বেনাপোল দিঘিরপাড় ঈদগাহ ময়দানে এক জনসভায় এ কথা বলেন ৮৫ যশোর-১ শার্শা আসনের সাবেক এমপি মফিকুল হাসান তৃপ্তি।

বেনাপোলের দিঘিরপাড় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, শার্শা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক তাজ উদ্দিন তাজ, আইন বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান, তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক আতাউর রহমান আতা, শার্শা উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আল মামুন বাবলু, শার্শা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমদাদুল হক ইমদা, বেনাপোল পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুজ্জামান মির্জা, সদস্য সাইফুল ইসলাম আসাদ, মফিজুর রহমান পিন্টু সহ স্বেচ্ছাসেবক দল শ্রমিক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিল।