ঢাকা , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

লালপুরে পানিবন্দি স্কুলে চরম দুর্ভোগ

রাশিদুল ইসলাম রাশেদঃ
নাটোরের লালপুর উপজেলার দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নের জ্যোতগৌরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় টানা বর্ষণে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ফলে বিদ্যালয়ের ১৪২ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন।
বসন্তপুর বিল উপচে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ ও যাতায়াতের একমাত্র পথ দীর্ঘদিন ধরে পানিতে তলিয়ে আছে। প্রতিদিন হাঁটুসমান নোংরা পানি মাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসতে হচ্ছে। এতে জামা-কাপড় ও বইপত্র ভিজে যাওয়ার পাশাপাশি অনেকে চর্মরোগেও ভুগছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু মাসুম জানান, শ্রেণিকক্ষে সাপ, ব্যাঙ ও পোকামাকড় ঢোকার ভয়ে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার পরামর্শে শিশু শ্রেণির পাঠদান সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। পাকা রাস্তা থেকে মাত্র ৫০ মিটার রাস্তা ভরাট দিয়ে উঁচু করলে অন্তত যাতায়াত সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি মনে করেন।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোসা. নার্গিস সুলতানা বলেন, “উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ পেলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসানও প্রকৌশল বিভাগকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
অভিভাবক ও শিক্ষকরা জানান, দ্রুত রাস্তা ও মাঠ ভরাট না করলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবেশ আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে প্রধানমন্ত্রীঃ -এম.পি বাবুল

error: Content is protected !!

লালপুরে পানিবন্দি স্কুলে চরম দুর্ভোগ

আপডেট টাইম : ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
রাশিদুল ইসলাম রাশেদ, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি :
রাশিদুল ইসলাম রাশেদঃ
নাটোরের লালপুর উপজেলার দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নের জ্যোতগৌরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় টানা বর্ষণে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ফলে বিদ্যালয়ের ১৪২ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন।
বসন্তপুর বিল উপচে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ ও যাতায়াতের একমাত্র পথ দীর্ঘদিন ধরে পানিতে তলিয়ে আছে। প্রতিদিন হাঁটুসমান নোংরা পানি মাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসতে হচ্ছে। এতে জামা-কাপড় ও বইপত্র ভিজে যাওয়ার পাশাপাশি অনেকে চর্মরোগেও ভুগছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু মাসুম জানান, শ্রেণিকক্ষে সাপ, ব্যাঙ ও পোকামাকড় ঢোকার ভয়ে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার পরামর্শে শিশু শ্রেণির পাঠদান সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। পাকা রাস্তা থেকে মাত্র ৫০ মিটার রাস্তা ভরাট দিয়ে উঁচু করলে অন্তত যাতায়াত সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি মনে করেন।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোসা. নার্গিস সুলতানা বলেন, “উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ পেলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসানও প্রকৌশল বিভাগকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
অভিভাবক ও শিক্ষকরা জানান, দ্রুত রাস্তা ও মাঠ ভরাট না করলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবেশ আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।