আলিফ হোসেনঃ
রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) সংসদীয় আসনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের রমরমা পদচারণ লক্ষ করা গেছে।
বিশেষ করে আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক সামরিক সচিব ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন, ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন ও ব্যবসায়ী এ্যাডঃ সুলতানুল ইসলাম তারেকের জম্পেশ পদচারণা লক্ষ্য করা গেছে। মনোনয়ন প্রত্যাশীরা প্রতিটি মণ্ডপ পরিদর্শন করে কুশলবিনিময় করছেন।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং অনুদান দেওয়ায় সাধারণ মানুষ মনে করছেন শারদীয় দুর্গোৎসব মনোনয়ন প্রত্যাশীদের অনেকটা নির্বাচনি উৎসবে পরিণত হয়েছে।
এদিকে নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন পুজা মন্ডপ পরিদর্শন, ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ, আর্থিক অনুদান প্রদান এবং সার্বিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে প্রচারণায় অন্যদের থেকে যোজন যোজন দুরুত্বে এগিয়ে রয়েছেন মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দিন। রাজশাহী-১ আসনে আগামিতে আরো দু’দশক অপ্রতিদন্দী নেতৃত্ব প্রয়াত ব্যারিষ্টার আমিনুল হক পরিবারের বিকল্প কোনো নেতৃত্ব আসবে না বলে মনে করেন বিএনপির তৃণমুল।
তাই এবার সকলের একটাই দেখার ছিলো ব্যারিস্টার পরিবার থেকে কে আসছেন। অন্যদিকে ব্যারিস্টার পরিবার থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনকে।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ মহলের ভাষ্য, রাজশাহী অঞ্চলে বিএনপিকে শক্তিশালী ও রাজশাহী-১ আসনে নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন ও তার পাশাপাশি এই জনপদের মানুষের ভাগ্যেন্নোয়নে ব্যারিস্টার পরিবারের যে অবদান রয়েছে,তার জন্য তারা তার এবং তার পরিবারের কাছে এই জনপদের মানুষ চিরকৃতজ্ঞ ও ঋণী।
আর তাই এই জনপদের মানুষ তার পরিবারের বিকল্প কোনো নেতৃত্ব কখানো কোনো অবস্থাতেই মানবে না।আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই জনপদের মানুষের একটাই দাবি তারা ব্যারিস্টার আমিনুল পরিবারের নেতৃত্ব চাই। তারা সেই নেতৃত্বকে বিজয়ী করে কিছুটা হলেও ঋণ পরিশোধ করতে চাই।
তারা বলেন, প্রয়োজনে তারা স্বপক্ষ ত্যাগ করবেন, তবুও ব্যারিস্টার পরিবারের বিকল্প কোনো নেতৃত্ব কখানো মেনে নিবেন না। তাদের দাবি এখানে ব্যারিস্টার পরিবারের সদস্যদের বিপক্ষে প্রার্থী হতে চাওয়া মানে ব্যারিস্টার পরিবারের অবদান অস্বীকার করা, শিষ্টাচার বহির্ভূত এবং প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ বিএনপির বিরোধিতা করা।
কারণ দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ব্যারিস্টার আমিনুলের হাজারো কাজের মাঝে দু”একটা কাজ নিয়ে বিতর্ক বা সমালোচনা থাকতেই পারে এটা যেমন স্বাভাবিক,তেমনি, এই অঞ্চলে বিএনপির রাজনীতি প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নে তার এবং তার পরিবারের যে অবদান রয়েছে তা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নাই।যারা এটা অস্বীকার করে তারা কখানোই আদর্শিক বিএনপি হতে পারে না, তারা হঠাৎ বিএনপি।আর বিএনপির রাজনীতিতে হঠাৎ বিএনপির কোনো জায়গা নাই।

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি 
আলিফ হোসেন, তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি 





















