ঢাকা , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

রাজশাহীতে পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেলেনা আকতার

ফিরোজ আলমঃ

 

শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে বিভিন্ন পূজা মন্ডপগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘুরে দেখেন এবং পূজা উদযাপন কমিটি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলেন রাজশাহী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হেলেনা আকতার।

 

রাজশাহী মোহনপুর উপজেলায় সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সময় রাত্রি ৭.৪৫ মিনিট হতে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার ২নং ঘাসিগ্রাম ইউনিয়ন মহিষকুন্ডি দূর্গা মন্দির, ডাঙ্গাপাড়া সার্বজনীন দূর্গা মন্দির, ঘাসিগ্রাম সার্বজনীন দূর্গা মন্দির, ৩নং রায়ঘাটি ইউনিয়ন কামারপাড়া দূর্গা মন্দিরসহ উপজেলার বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেন, পূজা মন্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন এবং পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলেন রাজশাহী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হেলেনা আকতার।

 

পূজা মন্ডপগুলো পরিদর্শনকালীন সময়ে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সার্বক্ষণিক সঙ্গে ছিলেন মোহনপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান, মোহনপুর উপজেলা মাদক, জঙ্গিবাদ, নাশকতারোধ, ইভটিজিং ও নারী-শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক, মোহনপুর থানা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম কমিটি ও পুলিশ বান্ধব কমিটি সদস্য, সচেতনকর্মী, সাংবাদিক, ফিরোজ আলম।

 

উপজেলার মন্ডপগুলো পরিদর্শন শেষে রাজশাহী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হেলেনা আকতার তিনি বলেন, “দুর্গাপূজা হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব” এ ধর্মীয় উৎসবে সবাই যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, সেজন্য গ্রাম পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্য নিরাপত্তার কাজে দিনরাত নিয়োজিত আছেন এবং পুলিশের টহল টিম নিয়মিত মাঠে থাকবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মন্ডপ এলাকায় মাদক, জুয়া ও যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। এ উৎসবকে ঘিরে কেউ যেন কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয় রাজশাহী জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

 

তিনি আরও জানান, প্রতিটি পূজা মন্ডপে পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি, গ্রাম পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবীরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে সিসি ক্যামেরা মনিটরিং, টহল ব্যবস্থা চালু রাখা হয়েছে। যেকোনো সমস্যা বা অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।
সামাজিক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে পূজা উদযাপনের আহবান জানান।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে প্রধানমন্ত্রীঃ -এম.পি বাবুল

error: Content is protected !!

রাজশাহীতে পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেলেনা আকতার

আপডেট টাইম : ০২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ফিরোজ আলম, মোহনপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি :

ফিরোজ আলমঃ

 

শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে বিভিন্ন পূজা মন্ডপগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘুরে দেখেন এবং পূজা উদযাপন কমিটি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলেন রাজশাহী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হেলেনা আকতার।

 

রাজশাহী মোহনপুর উপজেলায় সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সময় রাত্রি ৭.৪৫ মিনিট হতে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার ২নং ঘাসিগ্রাম ইউনিয়ন মহিষকুন্ডি দূর্গা মন্দির, ডাঙ্গাপাড়া সার্বজনীন দূর্গা মন্দির, ঘাসিগ্রাম সার্বজনীন দূর্গা মন্দির, ৩নং রায়ঘাটি ইউনিয়ন কামারপাড়া দূর্গা মন্দিরসহ উপজেলার বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেন, পূজা মন্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন এবং পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলেন রাজশাহী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হেলেনা আকতার।

 

পূজা মন্ডপগুলো পরিদর্শনকালীন সময়ে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সার্বক্ষণিক সঙ্গে ছিলেন মোহনপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান, মোহনপুর উপজেলা মাদক, জঙ্গিবাদ, নাশকতারোধ, ইভটিজিং ও নারী-শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক, মোহনপুর থানা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম কমিটি ও পুলিশ বান্ধব কমিটি সদস্য, সচেতনকর্মী, সাংবাদিক, ফিরোজ আলম।

 

উপজেলার মন্ডপগুলো পরিদর্শন শেষে রাজশাহী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হেলেনা আকতার তিনি বলেন, “দুর্গাপূজা হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব” এ ধর্মীয় উৎসবে সবাই যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, সেজন্য গ্রাম পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্য নিরাপত্তার কাজে দিনরাত নিয়োজিত আছেন এবং পুলিশের টহল টিম নিয়মিত মাঠে থাকবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মন্ডপ এলাকায় মাদক, জুয়া ও যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। এ উৎসবকে ঘিরে কেউ যেন কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয় রাজশাহী জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

 

তিনি আরও জানান, প্রতিটি পূজা মন্ডপে পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি, গ্রাম পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবীরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে সিসি ক্যামেরা মনিটরিং, টহল ব্যবস্থা চালু রাখা হয়েছে। যেকোনো সমস্যা বা অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।
সামাজিক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে পূজা উদযাপনের আহবান জানান।