ঢাকা , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

যশোরের বাজারে সবজির দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম

মোঃ নূর ই আলম (কাজী নূর)ঃ
যশোরের বাজারে সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম। রবিবার যশোর হাজী মোহাম্মদ মহসিন রোড বড় বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব রকম ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে খোলা সয়াবিন তেল ২০০ টাকা কেজি, বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯০ টাকা লিটার, পাম তেল ১৮০ টাকা কেজি, সরিষার তেল ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। কাঠেরপুলের মুদি দোকান বিপুল স্টোরের মালিক বিপুল সাহা জানান, হঠাৎ করে সব রকম ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
দাম বৃদ্ধি পাবার কারন জানতে চাইলে বিপুল সাহা জানান, তেলের বাজার নিয়ন্ত্রিত হয় চট্টগ্রামের পাইকারি বাজার থেকে। এখানে আমাদের কিছু করার বা বলার নেই। যশোরের মিল মালিকরা বিস্তারিত বলতে পারবে। আমরা সামান্য লাভে বিক্রি করি।
সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে অধিকাংশ সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তবে আগাম শীতকালীন সবজি সরবরাহ কিছুটা কম লক্ষ্য করা গেছে। জানতে চাইলে সবজির পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা ফারুক হোসেন জানান, ভোরে এসে আড়ত থেকে মাল কিনি। যেমন কেনা তেমন বিক্রি। আগাম শীতকালীন সবজির সরবরাহ গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে বেশ কম থাকায় দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। চাষিরা দাম বেশি পাবার আশায় ক্ষেত থেকে মাল না তোলার কারনে এ অবস্থার সৃষ্টি।
বড় বাজার (নিচের বাজার) ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে, ফুলকপি ১৭০ টাকা, শিম ১৬০ টাকা, বাঁধাকপি ১১০ টাকা, মূলা ৩০ টাকা, পুঁইশাকের মিচুরি ১২০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা, গাজর ১৩০ টাকা, বিটরুট ১৪০ টাকা, কাকরোল ৮০ টাকা, উচ্ছে ১০০ টাকা, মেটে আলু ১০০ টাকা, ঝিঙে ৪০ টাকা, জলপাই ৪০ টাকা, কুশি ৪০ টাকা, কলা ৪০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, ধুন্দল ৪০ টাকা, ওল ৬০ টাকা, কুমড়ো ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, মানকচু ৬০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, ঢেরস ৭০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, পুঁইশাক ২০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, কচুর মুখি ২০ টাকা, টমেটো ৮০ টাকা, শষা ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া শাপলা ফুট ১০ টাকা, সবুজ শাক ১৫ টাকা, পালং শাক ৪০ টাকা, শাকের ডাটা ৩০ টাকা আটি ও লাউ ৩০ থেকে ৪০, চাল কুমড়ো ৩০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে, আড়াই থেকে ৩ কেজি সাইজের কাতলা ৩৫০ টাকা, দেড় কেজি সাইজের রুই ৩৬০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, নাইলোটিকা ১৭০ টাকা, বেলে ১১০০ টাকা, দেশি কৈ ৭৫০ টাকা, চাষের কৈ ২২০ টাকা, পাঙাশ ২২০ টাকা, গলদা চিংড়ি ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা, হরিণা চিংড়ি ৮০০ টাকা, পুঁটি ২৫০ টাকা, সরপুঁটি ১৮০ টাকা, বাইন ৮৮০ টাকা, টেংরা ৫৫০ টাকা, পারশে ৫৫০ থেকে ৬২০ টাকা, মায়া ২৮০ টাকা, সিলভার কার্প ২০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা ও টাকি ৪৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
মাছ ব্যবসায়ী জয় সাহা বলেন, বাজার মাছের সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। দাম কিছুটা বেশি তবে সব মাছ নয়। বাজার ঘুরে দেখেন তুলনামূলক আজ মাছের দাম কম আছে। বাজার করতে আসা শহরের ডিআইজি রোডের বাসিন্দা শরিফুল আলম বলেন, সবজির দাম কিছুটা কমেছে ঠিক। কিন্তু মাছের বাজার লাগামহীন। আমাদের মতো স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এ বাজারে চলা অত্যন্ত কঠিন।
মুরগীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে, ব্রয়লার মুরগী ১৮০ টাকা, সোনালী ২৬০ টাকা, লেয়ার ৩৩০ টাকা, দেশি ৫৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। সাদ্দাম ব্রয়লার হাউজের মালিক সাদ্দাম মোল্লা বলেন, দাম কম থাকায় মুরগী বিক্রি বেশ ভালো। আবার মাছের দাম বেশি হবার কারনে মুরগীর উপর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
চালের পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে স্বর্না ৫২ টাকা, আটাশ ৫৬ থেকে ৫৮ টাকা, পাইজাম ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা, মিনিকেট ৬০ থেকে ৬৬ টাকা, বাসমতী ৮০ থেকে ৮৪ টাকা, নাজিরশাইল ৮০ টাকা, কাজল লতা ৭০ টাকা ও সুবললতা ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। চাল ব্যবসায়ী আলম ট্রেডার্সের মালিক বদরুল আলম বলেন, চালের দাম বৃদ্ধি পাবার কোন সম্ভাবনা নেই। তবে চালের দাম কম থাকলেও বিক্রি নেই।
অপরদিকে সব রকম ডাল এবং মুদি পণ্যের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও গরম মশলা দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে দেশি মসুরি ১৪০ টাকা, মোটা মসুরি ১০০ টাকা, সোনা মুগ ১৬০ টাকা, মোটা মুগ ১২০ টাকা, ছোলার ডাল ১১০ টাকা, সাদা চিনি ১০৫ টাকা, লাল চিনি ১৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাল ডিম আকার ভেদে ৩৬ থেকে ৪২ টাকা, সোনালী মুরগীর ডিম ৪৮ টাকা, বড় বাদামি ডিম (প্যারেন্টস) ৪৮ টাকা, হাঁস ৬৮ টাকা, দেশি ৭২ টাকা ও কোয়েল ১০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে। ডিমের পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা মা এন্টারপ্রাইজের মালিক কুদ্দুস আলী বলেন, ডিমের দাম বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা কম। কারন গরম কমলে ডিম নষ্ট হয় না, ঘাটতি কম হলে দাম বৃদ্ধি পায় না।
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন: আমতলীতে একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত ৭

error: Content is protected !!

যশোরের বাজারে সবজির দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম

আপডেট টাইম : ১০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
মোঃ নূর-ই-আলম (কাজী নূর), যশোর জেলা প্রতিনিধি :
মোঃ নূর ই আলম (কাজী নূর)ঃ
যশোরের বাজারে সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম। রবিবার যশোর হাজী মোহাম্মদ মহসিন রোড বড় বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব রকম ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে খোলা সয়াবিন তেল ২০০ টাকা কেজি, বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯০ টাকা লিটার, পাম তেল ১৮০ টাকা কেজি, সরিষার তেল ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। কাঠেরপুলের মুদি দোকান বিপুল স্টোরের মালিক বিপুল সাহা জানান, হঠাৎ করে সব রকম ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
দাম বৃদ্ধি পাবার কারন জানতে চাইলে বিপুল সাহা জানান, তেলের বাজার নিয়ন্ত্রিত হয় চট্টগ্রামের পাইকারি বাজার থেকে। এখানে আমাদের কিছু করার বা বলার নেই। যশোরের মিল মালিকরা বিস্তারিত বলতে পারবে। আমরা সামান্য লাভে বিক্রি করি।
সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে অধিকাংশ সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তবে আগাম শীতকালীন সবজি সরবরাহ কিছুটা কম লক্ষ্য করা গেছে। জানতে চাইলে সবজির পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা ফারুক হোসেন জানান, ভোরে এসে আড়ত থেকে মাল কিনি। যেমন কেনা তেমন বিক্রি। আগাম শীতকালীন সবজির সরবরাহ গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে বেশ কম থাকায় দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। চাষিরা দাম বেশি পাবার আশায় ক্ষেত থেকে মাল না তোলার কারনে এ অবস্থার সৃষ্টি।
বড় বাজার (নিচের বাজার) ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে, ফুলকপি ১৭০ টাকা, শিম ১৬০ টাকা, বাঁধাকপি ১১০ টাকা, মূলা ৩০ টাকা, পুঁইশাকের মিচুরি ১২০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা, গাজর ১৩০ টাকা, বিটরুট ১৪০ টাকা, কাকরোল ৮০ টাকা, উচ্ছে ১০০ টাকা, মেটে আলু ১০০ টাকা, ঝিঙে ৪০ টাকা, জলপাই ৪০ টাকা, কুশি ৪০ টাকা, কলা ৪০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, ধুন্দল ৪০ টাকা, ওল ৬০ টাকা, কুমড়ো ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, মানকচু ৬০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, ঢেরস ৭০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, পুঁইশাক ২০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, কচুর মুখি ২০ টাকা, টমেটো ৮০ টাকা, শষা ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া শাপলা ফুট ১০ টাকা, সবুজ শাক ১৫ টাকা, পালং শাক ৪০ টাকা, শাকের ডাটা ৩০ টাকা আটি ও লাউ ৩০ থেকে ৪০, চাল কুমড়ো ৩০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে, আড়াই থেকে ৩ কেজি সাইজের কাতলা ৩৫০ টাকা, দেড় কেজি সাইজের রুই ৩৬০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, নাইলোটিকা ১৭০ টাকা, বেলে ১১০০ টাকা, দেশি কৈ ৭৫০ টাকা, চাষের কৈ ২২০ টাকা, পাঙাশ ২২০ টাকা, গলদা চিংড়ি ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা, হরিণা চিংড়ি ৮০০ টাকা, পুঁটি ২৫০ টাকা, সরপুঁটি ১৮০ টাকা, বাইন ৮৮০ টাকা, টেংরা ৫৫০ টাকা, পারশে ৫৫০ থেকে ৬২০ টাকা, মায়া ২৮০ টাকা, সিলভার কার্প ২০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা ও টাকি ৪৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
মাছ ব্যবসায়ী জয় সাহা বলেন, বাজার মাছের সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। দাম কিছুটা বেশি তবে সব মাছ নয়। বাজার ঘুরে দেখেন তুলনামূলক আজ মাছের দাম কম আছে। বাজার করতে আসা শহরের ডিআইজি রোডের বাসিন্দা শরিফুল আলম বলেন, সবজির দাম কিছুটা কমেছে ঠিক। কিন্তু মাছের বাজার লাগামহীন। আমাদের মতো স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এ বাজারে চলা অত্যন্ত কঠিন।
মুরগীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে, ব্রয়লার মুরগী ১৮০ টাকা, সোনালী ২৬০ টাকা, লেয়ার ৩৩০ টাকা, দেশি ৫৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। সাদ্দাম ব্রয়লার হাউজের মালিক সাদ্দাম মোল্লা বলেন, দাম কম থাকায় মুরগী বিক্রি বেশ ভালো। আবার মাছের দাম বেশি হবার কারনে মুরগীর উপর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
চালের পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে স্বর্না ৫২ টাকা, আটাশ ৫৬ থেকে ৫৮ টাকা, পাইজাম ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা, মিনিকেট ৬০ থেকে ৬৬ টাকা, বাসমতী ৮০ থেকে ৮৪ টাকা, নাজিরশাইল ৮০ টাকা, কাজল লতা ৭০ টাকা ও সুবললতা ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। চাল ব্যবসায়ী আলম ট্রেডার্সের মালিক বদরুল আলম বলেন, চালের দাম বৃদ্ধি পাবার কোন সম্ভাবনা নেই। তবে চালের দাম কম থাকলেও বিক্রি নেই।
অপরদিকে সব রকম ডাল এবং মুদি পণ্যের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও গরম মশলা দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে বর্তমানে দেশি মসুরি ১৪০ টাকা, মোটা মসুরি ১০০ টাকা, সোনা মুগ ১৬০ টাকা, মোটা মুগ ১২০ টাকা, ছোলার ডাল ১১০ টাকা, সাদা চিনি ১০৫ টাকা, লাল চিনি ১৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাল ডিম আকার ভেদে ৩৬ থেকে ৪২ টাকা, সোনালী মুরগীর ডিম ৪৮ টাকা, বড় বাদামি ডিম (প্যারেন্টস) ৪৮ টাকা, হাঁস ৬৮ টাকা, দেশি ৭২ টাকা ও কোয়েল ১০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে। ডিমের পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা মা এন্টারপ্রাইজের মালিক কুদ্দুস আলী বলেন, ডিমের দাম বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা কম। কারন গরম কমলে ডিম নষ্ট হয় না, ঘাটতি কম হলে দাম বৃদ্ধি পায় না।