ঢাকা , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

বাঘার লোকালয়ে দলছুট ‘রেসাস বানর’ হনুমান বলে দেখতে উৎসুক জনতার ভিড়

আব্দুল হামিদ মিঞাঃ

 

রাজশাহীর বাঘায় দলছুট এক বন্যপ্রাণীর দেখা মিলেছে। বন্যপ্রাণীটিকে অনেকেই হনুমান বলে ধারনা করেছেন। উৎসুক জনতা বন্যপ্রাণীটি দেখার চেষ্টা করলেই লাফিয়ে বেড়াচ্ছিল। তবে বন্যপ্রাণী বিভাগ জানিয়েছেন, এটি ‘রেসাস বানর’ ‘হনুমান’ নয়।
সোমবার(২৯-০৯-২০২৫) দুপুর থেকে বানরটি এখানে সেখানে বিচরন করছিল। সর্বশেষ দেখা মেলে উপজেলার চত্বরের ভেতরে।

 

এমন দৃশ্যের সম্মুখীন হয়ে উপজেলা মডেল মসজিদের এক কর্মী আশরাফ আলী জানান,হঠাৎ করেই তার চোখ পড়ে উপজেলা পরিষদের প্রাচীরের উপরে। তার কাছে দেখতে এটি হনুমান বলে মনে হয়েছে। যার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিয়েছেন। যা দেখে কেউ হনুমান কেউ বানর বলে ধারনা করেছেন। শান্ত নামে এক কলেজ শিক্ষার্থী জানান,কখনো প্রাচীরের উপর আবার কখনো নীচে নেমে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়াতে দেখেছেন। তবে বানর না হনুমান তা জানেন না।

 

বন্যপ্রাণী বিভাগ সুত্রে জানা যায়, রেসাস প্রজাতির বানর- রঙ ধুলো-বাদামী থেকে লালচে-গোলাপী রঙের হয়, যাদের মুখমন্ডলে খুব কম পশম পাওয়া যায় । তাদের পাঁজরের রঙ তাদের মুখের মতোই এবং তাদের মাঝারি দৈর্ঘ্যের লেজ থাকে যার গড় উচ্চতা ২০৭.৬ থেকে ২২৮.৯ মিমি (৮.১৭ এবং ৯.০১ ইঞ্চি) (ফুডেন ২০০০)।

 

হোয়াটঅ্যাপের মাধ্যমে বন্যপ্রাণীটির ছবি পাঠিয়ে যোগাযোগ করলে রাজশাহী বিভাগের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, এটি ‘রেসাস বানর’ ‘হনুমান’ নয়। মুঠোফোনে তিনি বলেন,তাদের আবাসিক স্থল ছিল টাঙ্গাইলের মধুপুর ভায়াল বনে। বনগুলো খন্ড খন্ড হওয়ার ফলে দলছুট হয়ে বিভিন্ন স্থানে চলে যাচ্ছে । নিজ এলাকা ছেড়ে এখানে সেখানে ছুটছে খাবারের সন্ধানে ।
দলছুট বানরগুলো বিশেষ করে পাথরবাহী ট্রাকে কিংবা অন্য কোন উপায়ে এলাকায় এসেছে। তিনি বলেন,বিরক্ত না করে মানুষ হিসেবে তাদের প্রতি দয়া দেখিয়ে মুক্ত চলাচলে সহায়তা করতে হবে। তবে খাবার দিলে তারা এলাকা ছাড়বে না।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে প্রধানমন্ত্রীঃ -এম.পি বাবুল

error: Content is protected !!

বাঘার লোকালয়ে দলছুট ‘রেসাস বানর’ হনুমান বলে দেখতে উৎসুক জনতার ভিড়

আপডেট টাইম : ০৭:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
আব্দুল হামিদ মিঞা, বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি :

আব্দুল হামিদ মিঞাঃ

 

রাজশাহীর বাঘায় দলছুট এক বন্যপ্রাণীর দেখা মিলেছে। বন্যপ্রাণীটিকে অনেকেই হনুমান বলে ধারনা করেছেন। উৎসুক জনতা বন্যপ্রাণীটি দেখার চেষ্টা করলেই লাফিয়ে বেড়াচ্ছিল। তবে বন্যপ্রাণী বিভাগ জানিয়েছেন, এটি ‘রেসাস বানর’ ‘হনুমান’ নয়।
সোমবার(২৯-০৯-২০২৫) দুপুর থেকে বানরটি এখানে সেখানে বিচরন করছিল। সর্বশেষ দেখা মেলে উপজেলার চত্বরের ভেতরে।

 

এমন দৃশ্যের সম্মুখীন হয়ে উপজেলা মডেল মসজিদের এক কর্মী আশরাফ আলী জানান,হঠাৎ করেই তার চোখ পড়ে উপজেলা পরিষদের প্রাচীরের উপরে। তার কাছে দেখতে এটি হনুমান বলে মনে হয়েছে। যার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিয়েছেন। যা দেখে কেউ হনুমান কেউ বানর বলে ধারনা করেছেন। শান্ত নামে এক কলেজ শিক্ষার্থী জানান,কখনো প্রাচীরের উপর আবার কখনো নীচে নেমে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়াতে দেখেছেন। তবে বানর না হনুমান তা জানেন না।

 

বন্যপ্রাণী বিভাগ সুত্রে জানা যায়, রেসাস প্রজাতির বানর- রঙ ধুলো-বাদামী থেকে লালচে-গোলাপী রঙের হয়, যাদের মুখমন্ডলে খুব কম পশম পাওয়া যায় । তাদের পাঁজরের রঙ তাদের মুখের মতোই এবং তাদের মাঝারি দৈর্ঘ্যের লেজ থাকে যার গড় উচ্চতা ২০৭.৬ থেকে ২২৮.৯ মিমি (৮.১৭ এবং ৯.০১ ইঞ্চি) (ফুডেন ২০০০)।

 

হোয়াটঅ্যাপের মাধ্যমে বন্যপ্রাণীটির ছবি পাঠিয়ে যোগাযোগ করলে রাজশাহী বিভাগের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, এটি ‘রেসাস বানর’ ‘হনুমান’ নয়। মুঠোফোনে তিনি বলেন,তাদের আবাসিক স্থল ছিল টাঙ্গাইলের মধুপুর ভায়াল বনে। বনগুলো খন্ড খন্ড হওয়ার ফলে দলছুট হয়ে বিভিন্ন স্থানে চলে যাচ্ছে । নিজ এলাকা ছেড়ে এখানে সেখানে ছুটছে খাবারের সন্ধানে ।
দলছুট বানরগুলো বিশেষ করে পাথরবাহী ট্রাকে কিংবা অন্য কোন উপায়ে এলাকায় এসেছে। তিনি বলেন,বিরক্ত না করে মানুষ হিসেবে তাদের প্রতি দয়া দেখিয়ে মুক্ত চলাচলে সহায়তা করতে হবে। তবে খাবার দিলে তারা এলাকা ছাড়বে না।