ঢাকা , বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

পিস্তল হাতে ভিডিও ভাইরাল, খেলনা দাবি যুবদল নেতার ছেলের

ইসমাইল হােসেন বাবুঃ

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পিস্তল হাতে ১০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সেটিকে কেন্দ্র করে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ করেছেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও জেলা যুবদলের প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল মাজেদের ছেলে সানজিদ আহমেদ। তাঁর দাবি, ভিডিওতে তাঁর হাতে থাকা পিস্তলটি আসল নয়, খেলনা।

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে সানজিদ আহমেদ জানান, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় এক বছর আগের একটি ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে তাঁকে ও তাঁর বাবা আব্দুল মজিদকে নিয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ভিডিওতে তাঁর হাতে থাকা পিস্তলটি ছিল খেলনা।

 

ভিডিওটির বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, বাড়ির পাশের মাঠের মাঝের সড়কে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। এসময় একটি শিশুর হাতে থাকা খেলনা পিস্তলটি দেখতে সুন্দর লাগায় আমি সেটি নিয়ে নাড়াচাড়া করি। তখনই কেউ ভিডিওটি ধারণ করে থাকতে পারেন।

 

ভিডিওটি কবে ধারণ করা হয়েছিল-এমন প্রশ্নের জবাবে সানজিদ বলেন, আনুমানিক এক বছর আগে। তবে ওই সময় ভিডিওতে তিনি ঠিক কী করছিলেন, তা তাঁর মনে নেই।

 

পিস্তলটি খেলনা হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক খেলনা পিস্তল দেখতে আসল অস্ত্রের মতো। ভিডিওটি ভালোভাবে দেখলে বিষয়টি বোঝা যাবে।

 

সানজিদ আরও অভিযোগ করেন,তাঁর বাবা যুবদলের নেতা এবং শিগগিরই কুষ্টিয়া জেলা যুবদলের কমিটি ঘোষণা হতে পারে-এমন পরিস্থিতিতে তাঁদের পরিবারকে ঘিরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে। ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাটিও সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে বলে তিনি দাবি করেন।

 

তিনি বলেন, আমার বাবার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে গিয়ে আমাদের পরিবারের অন্য সদস্যদের জীবনও বিষিয়ে তোলা হচ্ছে। আমি যুবদল নেতার সন্তান হয়ে কী অপরাধ করেছি? আমার কি স্বাভাবিক জীবনযাপনের অধিকার নেই? আমি কি বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডাও দিতে পারব না?

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রকাশের আগে তা যাচাই-বাছাই করার আহ্বান জানিয়ে সানজিদ সাংবাদিকদের বলেন, ফেসবুকে যে কেউ যা খুশি লিখতে পারেন। তবে সংবাদকর্মীরা যেন বিষয়টি যাচাই করে সত্য তুলে ধরেন।

 

তিনি আরও বলেন, আপনারা বিজ্ঞ সংবাদকর্মী। আপনারা বিচার-বিবেচনা করে সত্যটা তুলে ধরুন। আমাদের নানামুখী ষড়যন্ত্র থেকে মুক্তি দেন। সংবাদ সম্মেলনে কুষ্টিয়ায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুর নিউমার্কেটে মোবাইল কোর্ট অভিযান, জনতা স্টোরকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

error: Content is protected !!

পিস্তল হাতে ভিডিও ভাইরাল, খেলনা দাবি যুবদল নেতার ছেলের

আপডেট টাইম : ২ ঘন্টা আগে
ইসমাইল হােসেন বাবু, সিনিয়র ষ্টাফ রিপাের্টার :

ইসমাইল হােসেন বাবুঃ

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পিস্তল হাতে ১০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সেটিকে কেন্দ্র করে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ করেছেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও জেলা যুবদলের প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল মাজেদের ছেলে সানজিদ আহমেদ। তাঁর দাবি, ভিডিওতে তাঁর হাতে থাকা পিস্তলটি আসল নয়, খেলনা।

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে সানজিদ আহমেদ জানান, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় এক বছর আগের একটি ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে তাঁকে ও তাঁর বাবা আব্দুল মজিদকে নিয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ভিডিওতে তাঁর হাতে থাকা পিস্তলটি ছিল খেলনা।

 

ভিডিওটির বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, বাড়ির পাশের মাঠের মাঝের সড়কে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। এসময় একটি শিশুর হাতে থাকা খেলনা পিস্তলটি দেখতে সুন্দর লাগায় আমি সেটি নিয়ে নাড়াচাড়া করি। তখনই কেউ ভিডিওটি ধারণ করে থাকতে পারেন।

 

ভিডিওটি কবে ধারণ করা হয়েছিল-এমন প্রশ্নের জবাবে সানজিদ বলেন, আনুমানিক এক বছর আগে। তবে ওই সময় ভিডিওতে তিনি ঠিক কী করছিলেন, তা তাঁর মনে নেই।

 

পিস্তলটি খেলনা হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক খেলনা পিস্তল দেখতে আসল অস্ত্রের মতো। ভিডিওটি ভালোভাবে দেখলে বিষয়টি বোঝা যাবে।

 

সানজিদ আরও অভিযোগ করেন,তাঁর বাবা যুবদলের নেতা এবং শিগগিরই কুষ্টিয়া জেলা যুবদলের কমিটি ঘোষণা হতে পারে-এমন পরিস্থিতিতে তাঁদের পরিবারকে ঘিরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে। ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাটিও সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে বলে তিনি দাবি করেন।

 

তিনি বলেন, আমার বাবার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে গিয়ে আমাদের পরিবারের অন্য সদস্যদের জীবনও বিষিয়ে তোলা হচ্ছে। আমি যুবদল নেতার সন্তান হয়ে কী অপরাধ করেছি? আমার কি স্বাভাবিক জীবনযাপনের অধিকার নেই? আমি কি বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডাও দিতে পারব না?

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রকাশের আগে তা যাচাই-বাছাই করার আহ্বান জানিয়ে সানজিদ সাংবাদিকদের বলেন, ফেসবুকে যে কেউ যা খুশি লিখতে পারেন। তবে সংবাদকর্মীরা যেন বিষয়টি যাচাই করে সত্য তুলে ধরেন।

 

তিনি আরও বলেন, আপনারা বিজ্ঞ সংবাদকর্মী। আপনারা বিচার-বিবেচনা করে সত্যটা তুলে ধরুন। আমাদের নানামুখী ষড়যন্ত্র থেকে মুক্তি দেন। সংবাদ সম্মেলনে কুষ্টিয়ায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।