আরিফুল ইসলাম রতন:
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় আবাসিক এলাকায় অনুমোদন ছাড়াই স-মিল (করাতকল) স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি করাতকলের শব্দ, ধুলাবালি ও কাঠের গুঁড়ার কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, ধোবাউড়া সরকারি আদর্শ কলেজ রোডের একটি আবাসিক এলাকায় রায়কুল ইসলামসহ কয়েকজন স-মিল স্থাপনের উদ্যোগ নেন। অভিযোগকারীদের দাবি, ওই এলাকায় আবাসিক বসতবাড়ির পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় সেখানে স-মিল চালু হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটতে পারে। একই সঙ্গে করাতকলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি ও কাঠের গুঁড়ার কারণে স্থানীয় পরিবেশ দূষিত হওয়ার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রস্তাবিত স-মিলের পাশেই আগে থেকেই একটি স-মিল রয়েছে। ফলে নতুন করে আরেকটি স-মিল স্থাপন করা হলে শব্দ ও পরিবেশ দূষণের মাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
অভিযোগে আরও বলা হয়, স্থানীয় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে একাধিকবার স-মিল স্থাপনের কাজ বন্ধ করার অনুরোধ জানানো হলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এদিকে, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বন বিভাগের কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগকারীরা বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে আবাসিক এলাকায় স-মিল স্থাপনের উদ্যোগ বন্ধ এবং প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে রায়কুল ইসলাম বলেন, “স-মিল করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। তবে আপাতত কাজ বন্ধ রয়েছে।”
স্থানীয়দের দাবি, আবাসিক এলাকা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব 
আরিফুল ইসলাম রতন, ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 



















