ঢাকা , সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

ঠাকুরগাঁওয়ে ৫ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাসের হার শূন্য, জেলায় গড় পাস ৫৫.৯৯%

জসীমউদ্দিন ইতি:

 

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় ঠাকুরগাঁও জেলার পাঁচটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই কৃতকার্য হতে পারেনি।

 

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে।

 

শূন্য পাসের হার পাওয়া পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলো—ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও অনভারদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়, রাণীশংকৈল উপজেলার মাধবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং হরিপুর উপজেলার তাওরিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় ও রামপুর ভাতুরিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

 

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার ঠাকুরগাঁও জেলা থেকে মোট ১৭ হাজার ৬৮৪ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯ হাজার ৮৮৬ জন। জেলায় সার্বিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৫ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

 

এর মধ্যে ৮ হাজার ৯৩৩ জন ছাত্র পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪ হাজার ৪৯৭ জন। ছাত্রদের পাসের হার ৫০ দশমিক ৩৪ শতাংশ। অন্যদিকে ৮ হাজার ৭৫১ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ হাজার ৩৮৯ জন। ছাত্রীদের পাসের হার ৬১ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

 

এবার ঠাকুরগাঁও জেলায় মোট ১ হাজার ৪৬৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

 

শিক্ষা অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শূন্য পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল তুলনামূলকভাবে কম। এসব প্রতিষ্ঠানের অনেক পরীক্ষার্থী অনিয়মিত ছিল। ফলে অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হওয়ায় পুরো প্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্যে নেমে এসেছে।

 

এ ছাড়া প্রত্যন্ত এলাকার এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদানের নিয়মিত তদারকির অভাব ও শিক্ষক সংকটকেও ফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় শিক্ষাবিদরা।

 

ঠাকুরগাঁও জেলা শিক্ষা অফিসার শাহিন আক্তার বলেন, কেন এসব প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে, তার যৌক্তিক কারণ দর্শাতে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকদের নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক একাডেমিক মানোন্নয়নে তদারকি আরও বাড়ানো হবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

উপজেলায় পাসের হারে প্রথম ছিলোনিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়

error: Content is protected !!

ঠাকুরগাঁওয়ে ৫ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাসের হার শূন্য, জেলায় গড় পাস ৫৫.৯৯%

আপডেট টাইম : ৫ ঘন্টা আগে
জসীমউদ্দীন ইতি, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি :

জসীমউদ্দিন ইতি:

 

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় ঠাকুরগাঁও জেলার পাঁচটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই কৃতকার্য হতে পারেনি।

 

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে।

 

শূন্য পাসের হার পাওয়া পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলো—ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও অনভারদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়, রাণীশংকৈল উপজেলার মাধবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং হরিপুর উপজেলার তাওরিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় ও রামপুর ভাতুরিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

 

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার ঠাকুরগাঁও জেলা থেকে মোট ১৭ হাজার ৬৮৪ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯ হাজার ৮৮৬ জন। জেলায় সার্বিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৫ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

 

এর মধ্যে ৮ হাজার ৯৩৩ জন ছাত্র পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪ হাজার ৪৯৭ জন। ছাত্রদের পাসের হার ৫০ দশমিক ৩৪ শতাংশ। অন্যদিকে ৮ হাজার ৭৫১ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ হাজার ৩৮৯ জন। ছাত্রীদের পাসের হার ৬১ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

 

এবার ঠাকুরগাঁও জেলায় মোট ১ হাজার ৪৬৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

 

শিক্ষা অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শূন্য পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল তুলনামূলকভাবে কম। এসব প্রতিষ্ঠানের অনেক পরীক্ষার্থী অনিয়মিত ছিল। ফলে অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হওয়ায় পুরো প্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্যে নেমে এসেছে।

 

এ ছাড়া প্রত্যন্ত এলাকার এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদানের নিয়মিত তদারকির অভাব ও শিক্ষক সংকটকেও ফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় শিক্ষাবিদরা।

 

ঠাকুরগাঁও জেলা শিক্ষা অফিসার শাহিন আক্তার বলেন, কেন এসব প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে, তার যৌক্তিক কারণ দর্শাতে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকদের নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক একাডেমিক মানোন্নয়নে তদারকি আরও বাড়ানো হবে।