দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
কুষ্টিয়ায় লকডাউনের মধ্যেও লাগামহীন করোনা সংক্রমণ। জেলায় একদিনে আরও ৫ জন করোনা রোগী মারা গেছেন। এ নিয়ে জেলায় গত ৪দিনে ২৫ জন মানুষ করোনায় মারা যায়। সোমবার (২১ জুন) রাত ৮টা থেকে মঙ্গলবার (২২ জুন) বেলা ১০টা পর্যন্ত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে আরো ১১৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। গতকাল সোমবার (২১ জুন) রাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩২৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ১১৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার প্রায় ৩৭ শতাংশ। নতুন রোগীর মধ্যে সদর উপজেলায় সর্বোচ্চ ৩৯ জন, কুমারখালী উপজেলায়...
কুষ্টিয়ায় লকডাউনের মধ্যেও লাগামহীন করোনা সংক্রমণ। জেলায় একদিনে আরও ৫ জন করোনা রোগী মারা গেছেন। এ নিয়ে জেলায় গত ৪দিনে ২৫ জন মানুষ করোনায় মারা যায়।
সোমবার (২১ জুন) রাত ৮টা থেকে মঙ্গলবার (২২ জুন) বেলা ১০টা পর্যন্ত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে আরো ১১৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে।
গতকাল সোমবার (২১ জুন) রাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩২৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ১১৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার প্রায় ৩৭ শতাংশ।
নতুন রোগীর মধ্যে সদর উপজেলায় সর্বোচ্চ ৩৯ জন, কুমারখালী উপজেলায় ২৫ জন, মিরপুর উপজেলায় ২০ জন, দৌলতপুরে ১৪ জন, খোকসা উপজেলায় ১২ জন ও ভেড়ামারা উপজেলায় ৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে।
এনিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৬৪২২ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪৯৮৫ জন। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন জন ১৬৬ জন মানুষ।
এদিকে, গত ১০ দিনে জেলায় ১০৪১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। ২৫০ শয্যার কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে রোগী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন ডাক্তার ও নার্সরা। এ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে শয্যা সংখ্যা ১০০ হলেও বর্তমানে ভর্তি আছে ১৪৭ জন রোগী।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. তাপস কুমার সরকার জানান, জেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাতে মারাত্মক চিকিৎসা সংকট তৈরি হতে পারে। এ কারণে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে কেবলমাত্র করোনা রোগী ভর্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তাই এখানে কেবল করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। অন্য রোগীদের ডায়াবেটিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে জরুরি রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে এখানে।