ঢাকা , বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত Logo সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

কুষ্টিয়ায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, একদিনে ৫ মৃত্যু

কুষ্টিয়ায় লকডাউনের মধ্যেও লাগামহীন করোনা সংক্রমণ। জেলায় একদিনে আরও ৫ জন করোনা রোগী মারা গেছেন। এ নিয়ে জেলায় গত ৪দিনে ২৫ জন মানুষ করোনায় মারা যায়।

সোমবার (২১ জুন) রাত ৮টা থেকে মঙ্গলবার (২২ জুন) বেলা ১০টা পর্যন্ত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে আরো ১১৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

গতকাল সোমবার (২১ জুন) রাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩২৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ১১৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার প্রায় ৩৭ শতাংশ।

নতুন রোগীর মধ্যে সদর উপজেলায় সর্বোচ্চ ৩৯ জন, কুমারখালী উপজেলায় ২৫ জন, মিরপুর উপজেলায় ২০ জন, দৌলতপুরে ১৪ জন, খোকসা উপজেলায় ১২ জন ও ভেড়ামারা উপজেলায় ৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

এনিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৬৪২২ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪৯৮৫ জন। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন জন ১৬৬ জন মানুষ।

এদিকে, গত ১০ দিনে জেলায় ১০৪১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। ২৫০ শয্যার কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে রোগী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন ডাক্তার ও নার্সরা। এ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে শয্যা সংখ্যা ১০০ হলেও বর্তমানে ভর্তি আছে ১৪৭ জন রোগী।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. তাপস কুমার সরকার জানান, জেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাতে মারাত্মক চিকিৎসা সংকট তৈরি হতে পারে। এ কারণে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে কেবলমাত্র করোনা রোগী ভর্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তাই এখানে কেবল করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। অন্য রোগীদের ডায়াবেটিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে জরুরি রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে এখানে।
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘোষগাঁও বাজার ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে লায়ন একাদশ বনাম কিং একাদশের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ

error: Content is protected !!

কুষ্টিয়ায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, একদিনে ৫ মৃত্যু

আপডেট টাইম : ০৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১
ইসমাইল হোসেন বাবু, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃ :
কুষ্টিয়ায় লকডাউনের মধ্যেও লাগামহীন করোনা সংক্রমণ। জেলায় একদিনে আরও ৫ জন করোনা রোগী মারা গেছেন। এ নিয়ে জেলায় গত ৪দিনে ২৫ জন মানুষ করোনায় মারা যায়।

সোমবার (২১ জুন) রাত ৮টা থেকে মঙ্গলবার (২২ জুন) বেলা ১০টা পর্যন্ত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে আরো ১১৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

গতকাল সোমবার (২১ জুন) রাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩২৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ১১৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার প্রায় ৩৭ শতাংশ।

নতুন রোগীর মধ্যে সদর উপজেলায় সর্বোচ্চ ৩৯ জন, কুমারখালী উপজেলায় ২৫ জন, মিরপুর উপজেলায় ২০ জন, দৌলতপুরে ১৪ জন, খোকসা উপজেলায় ১২ জন ও ভেড়ামারা উপজেলায় ৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

এনিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৬৪২২ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪৯৮৫ জন। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন জন ১৬৬ জন মানুষ।

এদিকে, গত ১০ দিনে জেলায় ১০৪১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। ২৫০ শয্যার কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে রোগী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন ডাক্তার ও নার্সরা। এ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে শয্যা সংখ্যা ১০০ হলেও বর্তমানে ভর্তি আছে ১৪৭ জন রোগী।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. তাপস কুমার সরকার জানান, জেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাতে মারাত্মক চিকিৎসা সংকট তৈরি হতে পারে। এ কারণে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে কেবলমাত্র করোনা রোগী ভর্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তাই এখানে কেবল করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। অন্য রোগীদের ডায়াবেটিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে জরুরি রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে এখানে।