ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

কুষ্টিয়া’র দৌলতপুরে শনিবারে বন্ধ থাকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, ভোগান্তিতে রোগীরা

মোঃ জিয়াউর রহমানঃ

 

‎কুষ্টিয়া দৌলতপুরে আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র প্রতি শনিবার বন্ধ থাকে এমনই অভিযোগ তোলে ভুক্তভোগীরা।

 

সরজমিনে গিয়ে দেখা মিলে গেটে বড় একটি তালা দেওয়া, মিলছে না কোনো সেবা।‎‎উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ইনচার্জ আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র মোঃ মাহমুদুল ইসলাম পলাশ অফিস বন্ধ রেখে তার ব্যক্তিগত কাজ করেন।‎‎

 

নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি কেন্দ্রে এক জন করে পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক ও উপসহকারী কমিউনিকেট মেডিকেল অফিসার, আয়া থাকার কথা কিন্তু কর্মস্থলে পাওয়া যায় না তাদেরকে।

 

ভুক্তভোগীরা বলেন, আমাদের বাড়ি শেষ সীমান্তে আমরা চিকিৎসা নিতে হলে পাড়ি দিতে হয় অনেক দূরে। আমরা এই ইউনিয়ন প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত।‎‎

 

এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম ক্যামেরার সামনে কথা বলতে চায় না এবং সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি অনিয়মটা শিখার করতে নারাজ।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

তানোরে শিব নদী পাড়ে বিনোদন পিপাসু মানুষের ভিড়

error: Content is protected !!

কুষ্টিয়া’র দৌলতপুরে শনিবারে বন্ধ থাকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, ভোগান্তিতে রোগীরা

আপডেট টাইম : ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
মোঃ জিয়াউর রহমান, দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি :

মোঃ জিয়াউর রহমানঃ

 

‎কুষ্টিয়া দৌলতপুরে আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র প্রতি শনিবার বন্ধ থাকে এমনই অভিযোগ তোলে ভুক্তভোগীরা।

 

সরজমিনে গিয়ে দেখা মিলে গেটে বড় একটি তালা দেওয়া, মিলছে না কোনো সেবা।‎‎উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ইনচার্জ আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র মোঃ মাহমুদুল ইসলাম পলাশ অফিস বন্ধ রেখে তার ব্যক্তিগত কাজ করেন।‎‎

 

নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি কেন্দ্রে এক জন করে পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক ও উপসহকারী কমিউনিকেট মেডিকেল অফিসার, আয়া থাকার কথা কিন্তু কর্মস্থলে পাওয়া যায় না তাদেরকে।

 

ভুক্তভোগীরা বলেন, আমাদের বাড়ি শেষ সীমান্তে আমরা চিকিৎসা নিতে হলে পাড়ি দিতে হয় অনেক দূরে। আমরা এই ইউনিয়ন প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত।‎‎

 

এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম ক্যামেরার সামনে কথা বলতে চায় না এবং সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি অনিয়মটা শিখার করতে নারাজ।