দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
ইসমাইল হােসেন বাবুঃ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ধর্মদহ এলাকায় সামিরুল শাহ (৬০) নামে এক চা বিক্রেতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর শরীর ও মুখে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ব্যাংগাড়ি-ধর্মদহ সড়কের পাশে ধর্মদহ এলাকার একটি মাঠে থাকা বাঁশের মাচার ওপর তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে তেকালা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন। নিহত সামিরুল শাহ তেকালা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত বিশারদ শাহের ছেলে। তিনি পেশায় চা বিক্রেতা ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তাঁদের পরিবার মূলত পার্শ্ববর্তী মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা থেকে এসে দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকায় বসবাস করে আসছে। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত শেষে ঘটনার বিস্তারিত জানানো হবে। পুলিশ জানিয়েছে, সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু হয়েছে।
ইসমাইল হােসেন বাবুঃ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ধর্মদহ এলাকায় সামিরুল শাহ (৬০) নামে এক চা বিক্রেতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর শরীর ও মুখে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ব্যাংগাড়ি-ধর্মদহ সড়কের পাশে ধর্মদহ এলাকার একটি মাঠে থাকা বাঁশের মাচার ওপর তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে তেকালা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন।
নিহত সামিরুল শাহ তেকালা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত বিশারদ শাহের ছেলে। তিনি পেশায় চা বিক্রেতা ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তাঁদের পরিবার মূলত পার্শ্ববর্তী মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা থেকে এসে দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকায় বসবাস করে আসছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত শেষে ঘটনার বিস্তারিত জানানো হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু হয়েছে।