ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

কাঁচা সড়কই একমাত্র ভরসা, মধুখালীর নয়াবাড়ি- ঘোষকান্দীতে পাকাকরণের দাবি

আরিফুল হাসানঃ

 

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কোরকদী ইউনিয়নের নয়াবাড়ি ঘোষকান্দী গ্রামের মো. আলী আকবর শেখের বাড়ি থেকে মো. নজরুল ইসলামের বাড়ি পর্যন্ত মাটির কাঁচা সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও পাকাকরণের অভাবে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। ফলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয় হাজারো মানুষকে।
স্থানীয়দের জানান, সড়কটির দুই পাশে রয়েছে হাজার হাজার হেক্টর কৃষিজমি এবং অসংখ্য পরিবারের বসতি। কৃষক, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করলেও দীর্ঘদিনেও এটি পাকা করা হয়নি।

বর্ষা মৌসুমে সড়কজুড়ে কাদা জমে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। অনেক সময় মোটরসাইকেল, ভ্যান ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল করতে পারে না। আবার শুকনো মৌসুমে ধুলাবালির কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।

বিশেষ করে কৃষকরা উৎপাদিত ধান, পাট, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারে নিতে চরম সমস্যায় পড়ছেন। জরুরি সময়ে অ্যাম্বুলেন্সসহ প্রয়োজনীয় যানবাহন চলাচলেও সৃষ্টি হয় নানা প্রতিবন্ধকতা।
এলাকাবাসীর দাবি, এটি শুধু একটি গ্রামের রাস্তা নয়; কৃষি উৎপাদন, শিক্ষা ও জনজীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি যোগাযোগ পথ। তাই তারা মাটির কাঁচা সড়কটি দ্রুত পাকাকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্থানীয়দের আশা, সড়কটি পাকা করা হলে হাজারো মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর হবে, কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং এলাকার সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্থানীয় অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুল শিক্ষক নিহত

error: Content is protected !!

কাঁচা সড়কই একমাত্র ভরসা, মধুখালীর নয়াবাড়ি- ঘোষকান্দীতে পাকাকরণের দাবি

আপডেট টাইম : ১১ ঘন্টা আগে
আরিফুল হাসান, মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :

আরিফুল হাসানঃ

 

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কোরকদী ইউনিয়নের নয়াবাড়ি ঘোষকান্দী গ্রামের মো. আলী আকবর শেখের বাড়ি থেকে মো. নজরুল ইসলামের বাড়ি পর্যন্ত মাটির কাঁচা সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও পাকাকরণের অভাবে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। ফলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয় হাজারো মানুষকে।
স্থানীয়দের জানান, সড়কটির দুই পাশে রয়েছে হাজার হাজার হেক্টর কৃষিজমি এবং অসংখ্য পরিবারের বসতি। কৃষক, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করলেও দীর্ঘদিনেও এটি পাকা করা হয়নি।

বর্ষা মৌসুমে সড়কজুড়ে কাদা জমে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। অনেক সময় মোটরসাইকেল, ভ্যান ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল করতে পারে না। আবার শুকনো মৌসুমে ধুলাবালির কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।

বিশেষ করে কৃষকরা উৎপাদিত ধান, পাট, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারে নিতে চরম সমস্যায় পড়ছেন। জরুরি সময়ে অ্যাম্বুলেন্সসহ প্রয়োজনীয় যানবাহন চলাচলেও সৃষ্টি হয় নানা প্রতিবন্ধকতা।
এলাকাবাসীর দাবি, এটি শুধু একটি গ্রামের রাস্তা নয়; কৃষি উৎপাদন, শিক্ষা ও জনজীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি যোগাযোগ পথ। তাই তারা মাটির কাঁচা সড়কটি দ্রুত পাকাকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্থানীয়দের আশা, সড়কটি পাকা করা হলে হাজারো মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর হবে, কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং এলাকার সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্থানীয় অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।