দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আসছে ডেবিট কার্ড ‘টাকা পে’, ব্যবহার করা যাবে ভারতেও
চিকিৎসা, ভ্রমণসহ বিভিন্ন কাজে প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে অনেকে ভারতে যান। এ জন্য মার্কিন ডলার কিনে ভারতে গিয়ে রুপিতে রূপান্তর করতে হয়। এতে ভ্রমণকারীকে প্রায়ই বিনিময় হারজনিত লোকসানে পড়তে হয়। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে শিগগিরই ‘টাকা পে’ নামে ডেবিট কার্ড আনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। রোববার বেলা ৩টার দিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার এ তথ্য জানান। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগস্টের মধ্যে এই ডেবিট কার্ড চালু করতে যাচ্ছে উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এই কার্ড ইস্যু করবে। এই কার্ডে সরাসরি রুপি নিয়ে ভারতে গিয়ে খরচ করা যাবে। এতে করে আর বিনিময় হারজনিত লোকসান হবে না। এই ডেবিট কার্ডধারীরা ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেও এটি দিয়ে পেমেন্ট করতে পারবেন। গভর্নর বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য ১৮ বিলিয়ন হলে অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্য রয়েছে ৯ বিলিয়ন ডলারের মতো। মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল, কাজী ছাইদুর রহমান, একেএম সাজেদুর রহমান, আবু ফরাহ মো. নাছের ও বিএফআইইউর প্রধান মো. মাসুদ বিশ্বাস। শুরুতে মুদ্রানীতির ওপর একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. হাবিবুর রহমান। এ সময় বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বর্তমান গভর্নর যোগদানের পর এটা দ্বিতীয় মুদ্রানীতি।
চিকিৎসা, ভ্রমণসহ বিভিন্ন কাজে প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে অনেকে ভারতে যান। এ জন্য মার্কিন ডলার কিনে ভারতে গিয়ে রুপিতে রূপান্তর করতে হয়। এতে ভ্রমণকারীকে প্রায়ই বিনিময় হারজনিত লোকসানে পড়তে হয়। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে শিগগিরই ‘টাকা পে’ নামে ডেবিট কার্ড আনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
রোববার বেলা ৩টার দিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার এ তথ্য জানান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগস্টের মধ্যে এই ডেবিট কার্ড চালু করতে যাচ্ছে উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এই কার্ড ইস্যু করবে। এই কার্ডে সরাসরি রুপি নিয়ে ভারতে গিয়ে খরচ করা যাবে। এতে করে আর বিনিময় হারজনিত লোকসান হবে না। এই ডেবিট কার্ডধারীরা ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেও এটি দিয়ে পেমেন্ট করতে পারবেন।
গভর্নর বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য ১৮ বিলিয়ন হলে অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্য রয়েছে ৯ বিলিয়ন ডলারের মতো।
মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল, কাজী ছাইদুর রহমান, একেএম সাজেদুর রহমান, আবু ফরাহ মো. নাছের ও বিএফআইইউর প্রধান মো. মাসুদ বিশ্বাস। শুরুতে মুদ্রানীতির ওপর একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. হাবিবুর রহমান। এ সময় বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বর্তমান গভর্নর যোগদানের পর এটা দ্বিতীয় মুদ্রানীতি।