ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

মুকসুদপুরে গ্রামীণ সড়ক মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে এলজিইডির কর্মশালা

বাদশাহ মিয়া:

 

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে গ্রামীণ সড়ক মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উদ্যোগে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদের বিজয় সভাকক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

 

মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবিরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ রুবাইয়াত জামান।

 

মুকসুদপুর উপজেলা প্রকৌশলী বি এম মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণমূলক আলোচনা করেন বেটস কনসাল্টিং সার্ভিসেস লিমিটেডের বিশ্লেষক ধরনী চাকমা।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস ছালাম খান, মুকসুদপুর থানার ওসি (তদন্ত) মতিয়ার রহমান, উপজেলার সকল ইউপি চেয়ারম্যান, মুকসুদপুর বাস মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, মুকসুদপুর বাজার বণিক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

 

কর্মশালার মূল বিষয় ছিল গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক নির্ধারণ, সড়ক উন্নয়নের অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই।

 

কর্মশালায় গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে স্থানীয় হাট-বাজার, বিদ্যালয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও প্রধান সংযোগ সড়কের সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোকে কোর রোড নেটওয়ার্কের আওতায় আনার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

 

এ ছাড়া অর্থনৈতিক গুরুত্ব, যান চলাচলের ঘনত্ব এবং বিদ্যমান সড়কের অবস্থা বিবেচনায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সড়ক উন্নয়নের অগ্রাধিকার তালিকা চূড়ান্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

 

কর্মশালায় জিআইএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতিটি সড়কের সঠিক দৈর্ঘ্য, অবস্থান ও সংশ্লিষ্ট তথ্যের ডাটাবেজ হালনাগাদের কৌশল প্রদর্শন করা হয়। একই সঙ্গে প্রস্তুত করা খসড়া ম্যাপ ও তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও অংশীজনদের সঙ্গে নিয়ে মাঠপর্যায়ে সড়কসমূহ পুনর্যাচাইয়ের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

বক্তারা বলেন, মাস্টার প্ল্যান চূড়ান্ত হলে গ্রামীণ এলাকায় অপ্রয়োজনীয় ও পরিকল্পনাহীন সড়ক নির্মাণ বন্ধ হবে। সঠিক অগ্রাধিকার নির্ধারণের মাধ্যমে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হওয়ায় গ্রামীণ জনপদের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মুকসুদপুরে ১৪ কেজি গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার, নোহা মাইক্রোবাস জব্দ

error: Content is protected !!

মুকসুদপুরে গ্রামীণ সড়ক মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে এলজিইডির কর্মশালা

আপডেট টাইম : ০৩:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাদশাহ মিয়া, মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি :

বাদশাহ মিয়া:

 

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে গ্রামীণ সড়ক মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উদ্যোগে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদের বিজয় সভাকক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

 

মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবিরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ রুবাইয়াত জামান।

 

মুকসুদপুর উপজেলা প্রকৌশলী বি এম মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণমূলক আলোচনা করেন বেটস কনসাল্টিং সার্ভিসেস লিমিটেডের বিশ্লেষক ধরনী চাকমা।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস ছালাম খান, মুকসুদপুর থানার ওসি (তদন্ত) মতিয়ার রহমান, উপজেলার সকল ইউপি চেয়ারম্যান, মুকসুদপুর বাস মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, মুকসুদপুর বাজার বণিক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

 

কর্মশালার মূল বিষয় ছিল গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক নির্ধারণ, সড়ক উন্নয়নের অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই।

 

কর্মশালায় গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে স্থানীয় হাট-বাজার, বিদ্যালয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও প্রধান সংযোগ সড়কের সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোকে কোর রোড নেটওয়ার্কের আওতায় আনার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

 

এ ছাড়া অর্থনৈতিক গুরুত্ব, যান চলাচলের ঘনত্ব এবং বিদ্যমান সড়কের অবস্থা বিবেচনায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সড়ক উন্নয়নের অগ্রাধিকার তালিকা চূড়ান্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

 

কর্মশালায় জিআইএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতিটি সড়কের সঠিক দৈর্ঘ্য, অবস্থান ও সংশ্লিষ্ট তথ্যের ডাটাবেজ হালনাগাদের কৌশল প্রদর্শন করা হয়। একই সঙ্গে প্রস্তুত করা খসড়া ম্যাপ ও তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও অংশীজনদের সঙ্গে নিয়ে মাঠপর্যায়ে সড়কসমূহ পুনর্যাচাইয়ের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

বক্তারা বলেন, মাস্টার প্ল্যান চূড়ান্ত হলে গ্রামীণ এলাকায় অপ্রয়োজনীয় ও পরিকল্পনাহীন সড়ক নির্মাণ বন্ধ হবে। সঠিক অগ্রাধিকার নির্ধারণের মাধ্যমে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হওয়ায় গ্রামীণ জনপদের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।