চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার সাত কপাট সড়কে অতি মূল্যবান প্রাচীন সাতটি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। কয়েকদিন ধরেই গাছ কাটার কাজ চললেও বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। বড় বড় ডালপালা ইতোমধ্যেই সরিয়ে নেওয়া হলেও সড়কের পাশে এখনও পড়ে রয়েছে সুবিশাল গাছের গুড়ি।
গাছ কাটার এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, কোনো অকারণেই এসব গাছ কেটে ফেলা ভয়াবহ অপরাধ। অথচ কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
গতকাল বিকেলে এ ঘটনার প্রতিবাদে আলমডাঙ্গার পারকুলা গ্রামের দিকভ্রান্ত এ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান ঘটনাস্থলে একটি ছোট্ট সমাবেশ করেন। পাশাপাশি প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে তিনি ওই সড়কে কয়েকটি গাছের চারা রোপণ করেন।
এ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান জানান, গাছ কাটা বিষয়ে জানতে তিনি আলমডাঙ্গা থানার ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান। একইভাবে উপজেলা প্রকৌশলী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং জেলা প্রশাসকও এ বিষয়ে অজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।
তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, জেলা পরিষদের একটি টেন্ডারে সাতটি গাছ কেটে ফেলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে মাত্র এক লাখ সাত হাজার টাকায়। অথচ পথচারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শুধু একটি গাছের গুড়ির মূল্যই এক লাখ টাকার বেশি হতে পারে।
এদিকে, সড়কটিতে কাটা সাতটি গাছের পাশেই আরও সাতটি গাছের গোড়ার মাটি কেটে রাখা হয়েছে। ফলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে যে, এগুলোও শিগগিরই কর্তনের শিকার হবে।

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি 
হুমায়ন আহমেদ, আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি 





















