ঢাকা , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

আলমডাঙ্গার সাত কপাট সড়কে প্রাচীন সাতটি গাছ কেটে ফেলায় ক্ষোভে প্রতিবাদ সমাবেশ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার সাত কপাট সড়কে অতি মূল্যবান প্রাচীন সাতটি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। কয়েকদিন ধরেই গাছ কাটার কাজ চললেও বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। বড় বড় ডালপালা ইতোমধ্যেই সরিয়ে নেওয়া হলেও সড়কের পাশে এখনও পড়ে রয়েছে সুবিশাল গাছের গুড়ি।

 

গাছ কাটার এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, কোনো অকারণেই এসব গাছ কেটে ফেলা ভয়াবহ অপরাধ। অথচ কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

 

গতকাল বিকেলে এ ঘটনার প্রতিবাদে আলমডাঙ্গার পারকুলা গ্রামের দিকভ্রান্ত এ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান ঘটনাস্থলে একটি ছোট্ট সমাবেশ করেন। পাশাপাশি প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে তিনি ওই সড়কে কয়েকটি গাছের চারা রোপণ করেন।

 

এ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান জানান, গাছ কাটা বিষয়ে জানতে তিনি আলমডাঙ্গা থানার ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান। একইভাবে উপজেলা প্রকৌশলী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং জেলা প্রশাসকও এ বিষয়ে অজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।

 

তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, জেলা পরিষদের একটি টেন্ডারে সাতটি গাছ কেটে ফেলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে মাত্র এক লাখ সাত হাজার টাকায়। অথচ পথচারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শুধু একটি গাছের গুড়ির মূল্যই এক লাখ টাকার বেশি হতে পারে।

 

এদিকে, সড়কটিতে কাটা সাতটি গাছের পাশেই আরও সাতটি গাছের গোড়ার মাটি কেটে রাখা হয়েছে। ফলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে যে, এগুলোও শিগগিরই কর্তনের শিকার হবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে প্রধানমন্ত্রীঃ -এম.পি বাবুল

error: Content is protected !!

আলমডাঙ্গার সাত কপাট সড়কে প্রাচীন সাতটি গাছ কেটে ফেলায় ক্ষোভে প্রতিবাদ সমাবেশ

আপডেট টাইম : ০২:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
হুমায়ন আহমেদ, আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি :

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার সাত কপাট সড়কে অতি মূল্যবান প্রাচীন সাতটি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। কয়েকদিন ধরেই গাছ কাটার কাজ চললেও বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। বড় বড় ডালপালা ইতোমধ্যেই সরিয়ে নেওয়া হলেও সড়কের পাশে এখনও পড়ে রয়েছে সুবিশাল গাছের গুড়ি।

 

গাছ কাটার এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, কোনো অকারণেই এসব গাছ কেটে ফেলা ভয়াবহ অপরাধ। অথচ কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

 

গতকাল বিকেলে এ ঘটনার প্রতিবাদে আলমডাঙ্গার পারকুলা গ্রামের দিকভ্রান্ত এ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান ঘটনাস্থলে একটি ছোট্ট সমাবেশ করেন। পাশাপাশি প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে তিনি ওই সড়কে কয়েকটি গাছের চারা রোপণ করেন।

 

এ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান জানান, গাছ কাটা বিষয়ে জানতে তিনি আলমডাঙ্গা থানার ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান। একইভাবে উপজেলা প্রকৌশলী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং জেলা প্রশাসকও এ বিষয়ে অজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।

 

তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, জেলা পরিষদের একটি টেন্ডারে সাতটি গাছ কেটে ফেলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে মাত্র এক লাখ সাত হাজার টাকায়। অথচ পথচারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শুধু একটি গাছের গুড়ির মূল্যই এক লাখ টাকার বেশি হতে পারে।

 

এদিকে, সড়কটিতে কাটা সাতটি গাছের পাশেই আরও সাতটি গাছের গোড়ার মাটি কেটে রাখা হয়েছে। ফলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে যে, এগুলোও শিগগিরই কর্তনের শিকার হবে।