মোঃ ফখরুজ্জামান চৌধুরী কৌশিক:
দিনাজপুরের হিলিতে তীব্র তাপদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সোমবার (৮ জুন) দুপুরে হিলিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রচণ্ড গরমে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে অনেকেই ঝুঁকছেন মৌসুমি ফল তালের শাঁসের দিকে।
হিলি বাজারে তালের শাঁসের দোকানগুলোতে দেখা গেছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। বিক্রেতারা জানান, চাহিদা এতটাই বেড়েছে যে শাঁস কাটার সঙ্গে সঙ্গেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। অনেক ক্রেতাকে লাইনে দাঁড়িয়ে শাঁস কিনতে দেখা গেছে।
বাজারের তালের শাঁস বিক্রেতা মামুন বলেন, “আমি মূলত ফলের ব্যবসা করি। কয়েকদিনের তীব্র গরমের কারণে তালের শাঁস বিক্রি শুরু করেছি। কিন্তু বিক্রি করতে এসে দেখছি এর চাহিদা অনেক বেশি। একদিকে শাঁস কাটছি, অন্যদিকে সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে যাচ্ছে। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করতে পারছি না।”
তিনি আরও জানান, জয়পুরহাট থেকে তালের শাঁস সংগ্রহ করে এনে প্রতি পিস ৬ টাকা এবং প্রতি হালি ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি করছেন।
তালের শাঁস কিনতে আসা কয়েকজন ক্রেতা বলেন, কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড গরম ও রোদের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। এই সময়ে ঠান্ডা পানি ও ফ্রিজের খাবারের পাশাপাশি তালের শাঁস শরীরকে কিছুটা প্রশান্তি দেয়। তবে তাদের অভিযোগ, বর্তমানে শাঁসের দাম তুলনামূলক বেশি নেওয়া হচ্ছে। দাম কিছুটা কম হলে সাধারণ মানুষের জন্য আরও সুবিধা হতো।
তীব্র তাপদাহের মধ্যে তালের শাঁসের বাড়তি চাহিদায় খুশি বিক্রেতারা। অন্যদিকে মৌসুমি এই ফল গরমে স্বস্তি এনে দেওয়ায় সাধারণ মানুষের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি 
মোঃ ফখরুজ্জামান চৌধুরী কৌশিক, হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি 





















