ঢাকা , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

অতিরিক্ত তাপদাহে হিলিতে বেড়েছে তালের শাঁসের কদর

মোঃ ফখরুজ্জামান চৌধুরী কৌশিক:

 

দিনাজপুরের হিলিতে তীব্র তাপদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সোমবার (৮ জুন) দুপুরে হিলিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রচণ্ড গরমে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে অনেকেই ঝুঁকছেন মৌসুমি ফল তালের শাঁসের দিকে।

 

হিলি বাজারে তালের শাঁসের দোকানগুলোতে দেখা গেছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। বিক্রেতারা জানান, চাহিদা এতটাই বেড়েছে যে শাঁস কাটার সঙ্গে সঙ্গেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। অনেক ক্রেতাকে লাইনে দাঁড়িয়ে শাঁস কিনতে দেখা গেছে।

 

বাজারের তালের শাঁস বিক্রেতা মামুন বলেন, “আমি মূলত ফলের ব্যবসা করি। কয়েকদিনের তীব্র গরমের কারণে তালের শাঁস বিক্রি শুরু করেছি। কিন্তু বিক্রি করতে এসে দেখছি এর চাহিদা অনেক বেশি। একদিকে শাঁস কাটছি, অন্যদিকে সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে যাচ্ছে। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করতে পারছি না।”

 

তিনি আরও জানান, জয়পুরহাট থেকে তালের শাঁস সংগ্রহ করে এনে প্রতি পিস ৬ টাকা এবং প্রতি হালি ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি করছেন।

 

তালের শাঁস কিনতে আসা কয়েকজন ক্রেতা বলেন, কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড গরম ও রোদের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। এই সময়ে ঠান্ডা পানি ও ফ্রিজের খাবারের পাশাপাশি তালের শাঁস শরীরকে কিছুটা প্রশান্তি দেয়। তবে তাদের অভিযোগ, বর্তমানে শাঁসের দাম তুলনামূলক বেশি নেওয়া হচ্ছে। দাম কিছুটা কম হলে সাধারণ মানুষের জন্য আরও সুবিধা হতো।

 

তীব্র তাপদাহের মধ্যে তালের শাঁসের বাড়তি চাহিদায় খুশি বিক্রেতারা। অন্যদিকে মৌসুমি এই ফল গরমে স্বস্তি এনে দেওয়ায় সাধারণ মানুষের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আনন্দমুখর পরিবেশে দেশজুড়ে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হচ্ছে

error: Content is protected !!

অতিরিক্ত তাপদাহে হিলিতে বেড়েছে তালের শাঁসের কদর

আপডেট টাইম : ০২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
মোঃ ফখরুজ্জামান চৌধুরী কৌশিক, হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি :

মোঃ ফখরুজ্জামান চৌধুরী কৌশিক:

 

দিনাজপুরের হিলিতে তীব্র তাপদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সোমবার (৮ জুন) দুপুরে হিলিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রচণ্ড গরমে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে অনেকেই ঝুঁকছেন মৌসুমি ফল তালের শাঁসের দিকে।

 

হিলি বাজারে তালের শাঁসের দোকানগুলোতে দেখা গেছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। বিক্রেতারা জানান, চাহিদা এতটাই বেড়েছে যে শাঁস কাটার সঙ্গে সঙ্গেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। অনেক ক্রেতাকে লাইনে দাঁড়িয়ে শাঁস কিনতে দেখা গেছে।

 

বাজারের তালের শাঁস বিক্রেতা মামুন বলেন, “আমি মূলত ফলের ব্যবসা করি। কয়েকদিনের তীব্র গরমের কারণে তালের শাঁস বিক্রি শুরু করেছি। কিন্তু বিক্রি করতে এসে দেখছি এর চাহিদা অনেক বেশি। একদিকে শাঁস কাটছি, অন্যদিকে সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে যাচ্ছে। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করতে পারছি না।”

 

তিনি আরও জানান, জয়পুরহাট থেকে তালের শাঁস সংগ্রহ করে এনে প্রতি পিস ৬ টাকা এবং প্রতি হালি ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি করছেন।

 

তালের শাঁস কিনতে আসা কয়েকজন ক্রেতা বলেন, কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড গরম ও রোদের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। এই সময়ে ঠান্ডা পানি ও ফ্রিজের খাবারের পাশাপাশি তালের শাঁস শরীরকে কিছুটা প্রশান্তি দেয়। তবে তাদের অভিযোগ, বর্তমানে শাঁসের দাম তুলনামূলক বেশি নেওয়া হচ্ছে। দাম কিছুটা কম হলে সাধারণ মানুষের জন্য আরও সুবিধা হতো।

 

তীব্র তাপদাহের মধ্যে তালের শাঁসের বাড়তি চাহিদায় খুশি বিক্রেতারা। অন্যদিকে মৌসুমি এই ফল গরমে স্বস্তি এনে দেওয়ায় সাধারণ মানুষের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।