ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

কালকিনিতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান পরিত্যক্ত ঘরে জুয়ার আসর থেকে আটক ৯, উদ্ধার নগদ অর্থ

সোহাগ কাজীঃ


‎​মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় জুয়া বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৯ জন পেশাদার জুয়াড়িকে আটক করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল, ২০২৬) সকালে উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের সূর্যমনি বাজার এলাকার একটি নির্জন ও পরিত্যক্ত ঘর থেকে তাদের হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় পুলিশ জুয়ার আসর থেকে নগদ ৬২ হাজার ৩২০ টাকা এবং বিপুল পরিমাণ জুয়া খেলার সরঞ্জাম জব্দ করেছে।

‎​
‎​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সূর্যমনি বাজার সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত আধাপাকা ঘরে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে জুয়ার আসর বসছিল এমন একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালকিনি থানার একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ পুরো এলাকাটি ঘেরাও করে ফেলে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলেও সঙ্গবদ্ধ চক্রটির নয় সদস্যকে আটক করতে সক্ষম হয় আইনশৃ্ঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

‎​আটককৃতদের বিস্তারিত পরিচয় ‎​আটককৃত ব্যক্তিরা ওই এলাকার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন: ‎১)  নিবির বেপারী (২৮); ২) মোঃ রাশেদ জোমাদ্দার (৩৮); ৩) নাজমুল খন্দকার (৩২); ৪) ফয়সাল সরদার (২২); ৫) জহিরুল ইসলাম সরদার (২৫); ৬) ইমাম হোসেন (৪২); ৭) রুমন সরদার (৩৪), ‎৮) মোঃ তারেক হোসেন লস্কর (২৬); ৯) শাহিন সরদার (৩০)।


‎​আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য জুয়া আইনে কালকিনি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাদের মাদারীপুর জেলা আদালতে সোপর্দ করা হয়।

‎​কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা এই সফল অভিযান পরিচালনা করেছি। জুয়া শুধু একটি সামাজিক ব্যাধি নয়, এটি চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন বড় অপরাধের জন্ম দেয়। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এলাকা থেকে সব ধরণের মাদক ও জুয়া নির্মূল করতে আমাদের এ ধরনের জিরো টলারেন্স নীতি ও ঝটিকা অভিযান অব্যাহত থাকবে।

‎​এলাকাবাসী পুলিশের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, সূর্যমনি বাজারের মতো অন্যান্য এলাকাগুলোতেও যেন নিয়মিত টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক হেনস্তার অভিযোগে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটির নিন্দা ও প্রতিবাদ

error: Content is protected !!

কালকিনিতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান পরিত্যক্ত ঘরে জুয়ার আসর থেকে আটক ৯, উদ্ধার নগদ অর্থ

আপডেট টাইম : ০৬:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
সোহাগ কাজী, সদর উপজেলা (মাদারীপুর) প্রতিনিধি :

সোহাগ কাজীঃ


‎​মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় জুয়া বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৯ জন পেশাদার জুয়াড়িকে আটক করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল, ২০২৬) সকালে উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের সূর্যমনি বাজার এলাকার একটি নির্জন ও পরিত্যক্ত ঘর থেকে তাদের হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় পুলিশ জুয়ার আসর থেকে নগদ ৬২ হাজার ৩২০ টাকা এবং বিপুল পরিমাণ জুয়া খেলার সরঞ্জাম জব্দ করেছে।

‎​
‎​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সূর্যমনি বাজার সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত আধাপাকা ঘরে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে জুয়ার আসর বসছিল এমন একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালকিনি থানার একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ পুরো এলাকাটি ঘেরাও করে ফেলে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলেও সঙ্গবদ্ধ চক্রটির নয় সদস্যকে আটক করতে সক্ষম হয় আইনশৃ্ঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

‎​আটককৃতদের বিস্তারিত পরিচয় ‎​আটককৃত ব্যক্তিরা ওই এলাকার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন: ‎১)  নিবির বেপারী (২৮); ২) মোঃ রাশেদ জোমাদ্দার (৩৮); ৩) নাজমুল খন্দকার (৩২); ৪) ফয়সাল সরদার (২২); ৫) জহিরুল ইসলাম সরদার (২৫); ৬) ইমাম হোসেন (৪২); ৭) রুমন সরদার (৩৪), ‎৮) মোঃ তারেক হোসেন লস্কর (২৬); ৯) শাহিন সরদার (৩০)।


‎​আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য জুয়া আইনে কালকিনি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাদের মাদারীপুর জেলা আদালতে সোপর্দ করা হয়।

‎​কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা এই সফল অভিযান পরিচালনা করেছি। জুয়া শুধু একটি সামাজিক ব্যাধি নয়, এটি চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন বড় অপরাধের জন্ম দেয়। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এলাকা থেকে সব ধরণের মাদক ও জুয়া নির্মূল করতে আমাদের এ ধরনের জিরো টলারেন্স নীতি ও ঝটিকা অভিযান অব্যাহত থাকবে।

‎​এলাকাবাসী পুলিশের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, সূর্যমনি বাজারের মতো অন্যান্য এলাকাগুলোতেও যেন নিয়মিত টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়।