দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-২ আসনে পরাজিত হয়ে প্রশাসনকে দায়ী করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু। সোমবার (৮ জানুয়ারি) হারের কারণ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে এ অভিযোগ করেন তিনি। ইনু বলেন, সারা দেশে নির্বাচন একটা পর্যায়ে হয়েছে। তবে কিছু জায়গায় ভোট কারচুপি হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমার এলাকাও এর মধ্যে পড়েছে। প্রশাসনের সরাসরি সহায়তায় ভোট কারচুপি হয়েছে। হারের জন্য আমি প্রশাসনকেই দায়ী করছি। তারা পরিকল্পিতভাবে আমার এলাকার ১৮টি কেন্দ্রে ভোট কারচুপি করেছে। তিনি বলেন, একটি কেন্দ্রে ২৯০০ ভোট পেয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী আর নৌকা পেয়েছে মাত্র ৮৫টি ভোট। এতেই বিষয়টি স্পষ্ট। এমন আরও ১৮টি উদাহরণ তার কাছে বলেও জানান তিনি। স্থানীয় আওয়ামী লীগের কেউ তাকে সমর্থন করেছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ইনু বলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাংশ করেছে। আর বাকি অংশ প্রকাশ্যেই স্বতন্ত্র প্রার্থীর হয়ে কাজ করেছে। ইতোমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা বিভিন্ন জায়গায় তার কর্মীদের ওপর আক্রমণ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। আরও পড়ুনঃ ভেড়ামারা-মিরপুর কুষ্টিয়া-২ আসনে হেরে গেলেন হাসানুল হক ইনু প্রসঙ্গত, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু পেয়েছেন ৯২ হাজার ৪৪৫ ভোট। এই আসনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা স্বতন্ত্র প্রার্থী কামারুল আরেফিন ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-২ আসনে পরাজিত হয়ে প্রশাসনকে দায়ী করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু।
সোমবার (৮ জানুয়ারি) হারের কারণ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে এ অভিযোগ করেন তিনি।
ইনু বলেন, সারা দেশে নির্বাচন একটা পর্যায়ে হয়েছে। তবে কিছু জায়গায় ভোট কারচুপি হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমার এলাকাও এর মধ্যে পড়েছে। প্রশাসনের সরাসরি সহায়তায় ভোট কারচুপি হয়েছে। হারের জন্য আমি প্রশাসনকেই দায়ী করছি। তারা পরিকল্পিতভাবে আমার এলাকার ১৮টি কেন্দ্রে ভোট কারচুপি করেছে।
তিনি বলেন, একটি কেন্দ্রে ২৯০০ ভোট পেয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী আর নৌকা পেয়েছে মাত্র ৮৫টি ভোট। এতেই বিষয়টি স্পষ্ট। এমন আরও ১৮টি উদাহরণ তার কাছে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের কেউ তাকে সমর্থন করেছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ইনু বলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাংশ করেছে। আর বাকি অংশ প্রকাশ্যেই স্বতন্ত্র প্রার্থীর হয়ে কাজ করেছে। ইতোমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা বিভিন্ন জায়গায় তার কর্মীদের ওপর আক্রমণ করছে বলেও দাবি করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু পেয়েছেন ৯২ হাজার ৪৪৫ ভোট। এই আসনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা স্বতন্ত্র প্রার্থী কামারুল আরেফিন ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।