ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

সিভিল সার্জন ডা. রাজিউল করিমের নেতৃত্বে রাজশাহীর স্বাস্থ্য খাতে নবদিগন্ত

আলিফ হোসেন, তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি

সিভিল সার্জন ডা. রাজিউল করিমের নেতৃত্বে রাজশাহীর স্বাস্থ্য খাতে নবদিগন্তের সূচনা হয়েছে। রাজশাহীর স্বাস্থ্যসেবায় সিভিল সার্জন ডা. এসআইএম রাজিউল করিমের নেতৃত্বে নবদিগন্তের সূচনা হয়েছে। ডা. রাজিউল করিম চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে যার নিবিড় সম্পর্ক কেবল একজন শীর্ষ কর্মকর্তার নয় বরং দীর্ঘদিনের পেশাগত পথচলার। জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের নতুন নেতৃত্ব, মাঠপর্যায়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও শৃঙ্খলা ফেরানোর প্রত্যাশা।

জানা গেছে, একজন সৎ ও দূরদর্শিতা সম্পন্ন অভিভাবক পেলে যেমন একটি পরিবার বদলে যায়, তেমনি একজন যোগ্য ও মানবিক সিভিল সার্জন পেয়ে বদলে গেছে রাজশাহী জেলার পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থা। সিভিল সার্জন ডা. এসআইএম রাজিউল করিম রাজশাহী জেলায় যোগদান করার পর থেকেই জেলার ৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবায় শুরু হয়েছে ইতিবাচক বৈপ্লবিক পরিবর্তন। তাঁর নেতৃত্বে বেড়েছে চিকিৎসাসেবার মান, কমেছে রোগীদের দীর্ঘদিনের হয়রানি ও ভোগান্তি। রাজশাহীর প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হয়েছে প্রায় দালালমুক্ত।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যোগদানের পর থেকেই তিনি কার্যালয়ের এসি রুমে বসে না থেকে ছুটে বেড়িয়েছেন জেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।

সব প্রান্তেই তাঁর সমান বিচরণ যা আগে দেখা যায়নি। জেলার প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে তিনি নিজে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তাঁর কঠোর নির্দেশনায় হাসপাতাল থেকে দালাল চক্রের মূলোৎপাটন করা হয়েছে। চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। রোগীরা এখন বিনা বাধায় বিনামূল্যের সরকারি ওষুধ পাচ্ছেন। বহির্বিভাগে রোগীদের দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি কমেছে। হাসপাতালের টয়লেট, বিশুদ্ধ পানি ও বেড ব্যবস্থাপনায় ফিরেছে শৃঙ্খলা। ডা. রাজিউল করিম শুধু একজন কঠোর প্রশাসক নন, তিনি একজন মানবিক চিকিৎসক। তাঁর দরজা সবসময় গরিব ও অসহায় রোগীদের জন্য খোলা। কোনো রোগী ভোগান্তির অভিযোগ নিয়ে গেলে তিনি নিজে ফোন করে তাৎক্ষণিক সমাধান করে দেন। তাঁর এমন মানবিক গুণে মুগ্ধ জেলার সব উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।

তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. বার্নাবাস হাসদাক বলেন, আমাদের সিভিল সার্জন স্যার একজন অসাধারণ মানুষ। স্যারের সার্বক্ষণিক দিকনির্দেশনা, পরামর্শ ও অনুপ্রেরণায় আমরা কাজ করার সাহস পাই। স্যার আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে রোগীদের আপন করে নিতে হয়, কীভাবে হাসপাতালকে নিজের পরিবারের মতো আগলে রাখতে হয়। মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) বলেন, সিভিল সার্জন স্যার যোগদানের পর থেকে আমাদের কাজের গতি পুরোপুরি বদলে গেছে। স্যার সবসময় বলেন, ‘হাসপাতালে আসা প্রতিটি রোগী আমার পরিবারের সদস্য’। তাঁর এই মানবিক চিন্তাধারাই আমাদের সবাইকে সেবার প্রতি আরও যত্নবান করেছে। মোহনপুরে এখন রোগীরা অনেক বেশি আন্তরিক সেবা পাচ্ছেন। এ বিষয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) বলেন, রাজশাহী জেলার মাননীয় সিভিল সার্জন ডা. এসআইএম রাজিউল করিম স্যারের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী এবং তাঁর সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে গোদাগাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যসেবার মান বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্যারের কঠোর নির্দেশনায় আমরা হাসপাতালকে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। তিনি আরও বলেন, সিভিল সার্জন স্যার আমাদের প্রতিনিয়ত অনুপ্রেরণা দেন। তাঁর মতো একজন সৎ, দক্ষ ও মানবিক অভিভাবক পেয়ে আমরা গর্বিত। স্যারের নেতৃত্বেই আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট স্বাস্থ্যসেবা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি।

এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা সিভিল সার্জন ডা. এসআইএম রাজিউল করিম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্য খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তিনি মানসম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারই নির্দেশনা অনুযায়ী মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মহোদয় দিনরাত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে আমরা হাসপাতালগুলোকে দালালমুক্ত রোগীবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছি যার ফলশ্রুতিতে রাজশাহী জেলার নয়টি উপজেলা হাসপাতাল এবং একটি ৩১ শয্যা হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা অনিবন্ধিত ও মানহীন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোকে প্রশাসনের সহায়তায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বন্ধ ও জরিমানা করা হচ্ছে যার ফলে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা সেবা নিতে গিয়ে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে গেছে। আমরা এনজিওদেরকে সঙ্গে নিয়ে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনামূলক কার্যক্রমকে জোরদার করার চেষ্টা করছি।

এদিকে স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, রাজশাহী জেলা একজন সত্যিকারের ভালো ও জনবান্ধব কর্মকর্তা পেয়েছে। ডা. রাজিউল করিম প্রমাণ করেছেন সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা থাকলে সরকারি হাসপাতালেও বিশ্বমানের সেবা দেওয়া সম্ভব। তিনি রাজশাহী জেলার স্বাস্থ্যসেবার ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন। তাঁর এই নিরলস পরিশ্রম, সততা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে রাজশাহী জেলা স্বাস্থ্যসেবায় সারাদেশের জন্য একটি মডেল ও অনুকরণীয় জেলায় পরিণত হয়েছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

তানোরে ঋণের কিস্তি দিতে বিলম্ব হওয়ায় গ্রাহকের ট্রাক আটকের অভিযোগ

error: Content is protected !!

সিভিল সার্জন ডা. রাজিউল করিমের নেতৃত্বে রাজশাহীর স্বাস্থ্য খাতে নবদিগন্ত

আপডেট টাইম : ১৯ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

আলিফ হোসেন, তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি

সিভিল সার্জন ডা. রাজিউল করিমের নেতৃত্বে রাজশাহীর স্বাস্থ্য খাতে নবদিগন্তের সূচনা হয়েছে। রাজশাহীর স্বাস্থ্যসেবায় সিভিল সার্জন ডা. এসআইএম রাজিউল করিমের নেতৃত্বে নবদিগন্তের সূচনা হয়েছে। ডা. রাজিউল করিম চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে যার নিবিড় সম্পর্ক কেবল একজন শীর্ষ কর্মকর্তার নয় বরং দীর্ঘদিনের পেশাগত পথচলার। জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের নতুন নেতৃত্ব, মাঠপর্যায়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও শৃঙ্খলা ফেরানোর প্রত্যাশা।

জানা গেছে, একজন সৎ ও দূরদর্শিতা সম্পন্ন অভিভাবক পেলে যেমন একটি পরিবার বদলে যায়, তেমনি একজন যোগ্য ও মানবিক সিভিল সার্জন পেয়ে বদলে গেছে রাজশাহী জেলার পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থা। সিভিল সার্জন ডা. এসআইএম রাজিউল করিম রাজশাহী জেলায় যোগদান করার পর থেকেই জেলার ৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবায় শুরু হয়েছে ইতিবাচক বৈপ্লবিক পরিবর্তন। তাঁর নেতৃত্বে বেড়েছে চিকিৎসাসেবার মান, কমেছে রোগীদের দীর্ঘদিনের হয়রানি ও ভোগান্তি। রাজশাহীর প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হয়েছে প্রায় দালালমুক্ত।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যোগদানের পর থেকেই তিনি কার্যালয়ের এসি রুমে বসে না থেকে ছুটে বেড়িয়েছেন জেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।

সব প্রান্তেই তাঁর সমান বিচরণ যা আগে দেখা যায়নি। জেলার প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে তিনি নিজে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তাঁর কঠোর নির্দেশনায় হাসপাতাল থেকে দালাল চক্রের মূলোৎপাটন করা হয়েছে। চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। রোগীরা এখন বিনা বাধায় বিনামূল্যের সরকারি ওষুধ পাচ্ছেন। বহির্বিভাগে রোগীদের দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি কমেছে। হাসপাতালের টয়লেট, বিশুদ্ধ পানি ও বেড ব্যবস্থাপনায় ফিরেছে শৃঙ্খলা। ডা. রাজিউল করিম শুধু একজন কঠোর প্রশাসক নন, তিনি একজন মানবিক চিকিৎসক। তাঁর দরজা সবসময় গরিব ও অসহায় রোগীদের জন্য খোলা। কোনো রোগী ভোগান্তির অভিযোগ নিয়ে গেলে তিনি নিজে ফোন করে তাৎক্ষণিক সমাধান করে দেন। তাঁর এমন মানবিক গুণে মুগ্ধ জেলার সব উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।

তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. বার্নাবাস হাসদাক বলেন, আমাদের সিভিল সার্জন স্যার একজন অসাধারণ মানুষ। স্যারের সার্বক্ষণিক দিকনির্দেশনা, পরামর্শ ও অনুপ্রেরণায় আমরা কাজ করার সাহস পাই। স্যার আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে রোগীদের আপন করে নিতে হয়, কীভাবে হাসপাতালকে নিজের পরিবারের মতো আগলে রাখতে হয়। মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) বলেন, সিভিল সার্জন স্যার যোগদানের পর থেকে আমাদের কাজের গতি পুরোপুরি বদলে গেছে। স্যার সবসময় বলেন, ‘হাসপাতালে আসা প্রতিটি রোগী আমার পরিবারের সদস্য’। তাঁর এই মানবিক চিন্তাধারাই আমাদের সবাইকে সেবার প্রতি আরও যত্নবান করেছে। মোহনপুরে এখন রোগীরা অনেক বেশি আন্তরিক সেবা পাচ্ছেন। এ বিষয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) বলেন, রাজশাহী জেলার মাননীয় সিভিল সার্জন ডা. এসআইএম রাজিউল করিম স্যারের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী এবং তাঁর সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে গোদাগাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যসেবার মান বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্যারের কঠোর নির্দেশনায় আমরা হাসপাতালকে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। তিনি আরও বলেন, সিভিল সার্জন স্যার আমাদের প্রতিনিয়ত অনুপ্রেরণা দেন। তাঁর মতো একজন সৎ, দক্ষ ও মানবিক অভিভাবক পেয়ে আমরা গর্বিত। স্যারের নেতৃত্বেই আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট স্বাস্থ্যসেবা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি।

এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা সিভিল সার্জন ডা. এসআইএম রাজিউল করিম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্য খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তিনি মানসম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারই নির্দেশনা অনুযায়ী মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মহোদয় দিনরাত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে আমরা হাসপাতালগুলোকে দালালমুক্ত রোগীবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছি যার ফলশ্রুতিতে রাজশাহী জেলার নয়টি উপজেলা হাসপাতাল এবং একটি ৩১ শয্যা হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা অনিবন্ধিত ও মানহীন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোকে প্রশাসনের সহায়তায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বন্ধ ও জরিমানা করা হচ্ছে যার ফলে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা সেবা নিতে গিয়ে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে গেছে। আমরা এনজিওদেরকে সঙ্গে নিয়ে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনামূলক কার্যক্রমকে জোরদার করার চেষ্টা করছি।

এদিকে স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, রাজশাহী জেলা একজন সত্যিকারের ভালো ও জনবান্ধব কর্মকর্তা পেয়েছে। ডা. রাজিউল করিম প্রমাণ করেছেন সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা থাকলে সরকারি হাসপাতালেও বিশ্বমানের সেবা দেওয়া সম্ভব। তিনি রাজশাহী জেলার স্বাস্থ্যসেবার ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন। তাঁর এই নিরলস পরিশ্রম, সততা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে রাজশাহী জেলা স্বাস্থ্যসেবায় সারাদেশের জন্য একটি মডেল ও অনুকরণীয় জেলায় পরিণত হয়েছে।