ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

আলফাডাঙ্গায় এইচএসসিতে দুই-তৃতীয়াংশ ফেল, পাসের শীর্ষে মহিলা কলেজ

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে। উপজেলার চারটি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৬৯২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে অকৃতকার্য হয়েছে ৪৪৮ জন। অর্থাৎ প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এ নিয়ে অভিভাবক ও সচেতন মহলে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে ফলাফল বিপর্যয়ের মধ্যেও পাসের হারে উপজেলা পর্যায়ে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজ।

প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার চারটি কলেজ থেকে এবার মোট ৬৯২ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৪৪ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ৪৪৮ জন। উপজেলায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

ফলাফলে দেখা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজ থেকে ৩১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৭০ দশমিক ৯৭ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। উপজেলার চারটি কলেজের মধ্যে পাসের হারে প্রতিষ্ঠানটি প্রথম স্থান অর্জন করেছে।

অন্যদিকে উপজেলার প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজে ফলাফলের চিত্র হতাশাজনক। এ কলেজ থেকে ৪৯০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র ১৫৭ জন। পাসের হার ৩২ দশমিক ০৪ শতাংশ। তবে প্রতিষ্ঠানটি থেকে সর্বোচ্চ পাঁচজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

এছাড়া আলফাডাঙ্গা আদর্শ কলেজ থেকে ১২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৯ জন পাস করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৩৯ দশমিক ৫২ শতাংশ। এ কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে তিনজন। হাজী আফিজউদ্দিন আলেকজান কলেজ থেকে ৪৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র ১৬ জন। পাসের হার ৩৪ দশমিক ০৪ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি।

জাতীয় পর্যায়ে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। সে তুলনায় আলফাডাঙ্গা উপজেলার পাসের হার জাতীয় গড়ের চেয়ে ১৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ কম। ফলে উপজেলার শিক্ষার গুণগত মান, পাঠদান পদ্ধতি এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের মতে, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অমনোযোগিতা, স্মার্টফোনের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি, অভিভাবকদের পর্যাপ্ত তদারকির অভাব এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের কার্যকারিতা কমে যাওয়াসহ নানা কারণে এমন ফলাফল হতে পারে। তবে ফলাফল বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তাঁরা।

উপজেলা পর্যায়ে পাসের হারে শীর্ষস্থান অর্জন প্রসঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ শেখ ফাতেমা অনন্যা বলেন, সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও আমাদের কলেজের শিক্ষার্থীরা এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় আশাব্যঞ্জক ফলাফল করেছে। উপজেলা পর্যায়ে পাসের হারে প্রথম স্থান অর্জন করায় আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। এ অর্জন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি নিশ্চিত করা, পরীক্ষা ও মূল্যায়নের মাধ্যমে তাদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে শুধু পরীক্ষার ফলাফল নয়, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার অভ্যাস, নৈতিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করাও জরুরি। স্মার্টফোনের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি যেন পড়াশোনায় বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সে বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সচেতন হতে হবে। শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে পারলে আগামীতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন সম্ভব হবে। আমাদের লক্ষ্য শুধু ভালো ফলাফল নয়, শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে দক্ষ ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিব বলেন, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। আগামীতে উপজেলার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ মনিটরিং জোরদার করা হবে। শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে কাজ করা হবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

হাবিপ্রবির গবেষণা: উপকারী ব্যাকটেরিয়ায় কীটনাশক ছাড়াই বেগুন-ঢেঁড়স চাষ

error: Content is protected !!

আলফাডাঙ্গায় এইচএসসিতে দুই-তৃতীয়াংশ ফেল, পাসের শীর্ষে মহিলা কলেজ

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে। উপজেলার চারটি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৬৯২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে অকৃতকার্য হয়েছে ৪৪৮ জন। অর্থাৎ প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এ নিয়ে অভিভাবক ও সচেতন মহলে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে ফলাফল বিপর্যয়ের মধ্যেও পাসের হারে উপজেলা পর্যায়ে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজ।

প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার চারটি কলেজ থেকে এবার মোট ৬৯২ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৪৪ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ৪৪৮ জন। উপজেলায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

ফলাফলে দেখা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজ থেকে ৩১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৭০ দশমিক ৯৭ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। উপজেলার চারটি কলেজের মধ্যে পাসের হারে প্রতিষ্ঠানটি প্রথম স্থান অর্জন করেছে।

অন্যদিকে উপজেলার প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজে ফলাফলের চিত্র হতাশাজনক। এ কলেজ থেকে ৪৯০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র ১৫৭ জন। পাসের হার ৩২ দশমিক ০৪ শতাংশ। তবে প্রতিষ্ঠানটি থেকে সর্বোচ্চ পাঁচজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

এছাড়া আলফাডাঙ্গা আদর্শ কলেজ থেকে ১২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৯ জন পাস করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৩৯ দশমিক ৫২ শতাংশ। এ কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে তিনজন। হাজী আফিজউদ্দিন আলেকজান কলেজ থেকে ৪৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র ১৬ জন। পাসের হার ৩৪ দশমিক ০৪ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি।

জাতীয় পর্যায়ে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। সে তুলনায় আলফাডাঙ্গা উপজেলার পাসের হার জাতীয় গড়ের চেয়ে ১৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ কম। ফলে উপজেলার শিক্ষার গুণগত মান, পাঠদান পদ্ধতি এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের মতে, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অমনোযোগিতা, স্মার্টফোনের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি, অভিভাবকদের পর্যাপ্ত তদারকির অভাব এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের কার্যকারিতা কমে যাওয়াসহ নানা কারণে এমন ফলাফল হতে পারে। তবে ফলাফল বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তাঁরা।

উপজেলা পর্যায়ে পাসের হারে শীর্ষস্থান অর্জন প্রসঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ শেখ ফাতেমা অনন্যা বলেন, সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও আমাদের কলেজের শিক্ষার্থীরা এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় আশাব্যঞ্জক ফলাফল করেছে। উপজেলা পর্যায়ে পাসের হারে প্রথম স্থান অর্জন করায় আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। এ অর্জন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি নিশ্চিত করা, পরীক্ষা ও মূল্যায়নের মাধ্যমে তাদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে শুধু পরীক্ষার ফলাফল নয়, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার অভ্যাস, নৈতিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করাও জরুরি। স্মার্টফোনের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি যেন পড়াশোনায় বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সে বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সচেতন হতে হবে। শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে পারলে আগামীতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন সম্ভব হবে। আমাদের লক্ষ্য শুধু ভালো ফলাফল নয়, শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে দক্ষ ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিব বলেন, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। আগামীতে উপজেলার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ মনিটরিং জোরদার করা হবে। শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে কাজ করা হবে।