ইসমাইল হোসেন বাবু, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চ চলছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেট থেকে যাত্রা শুরু করে লংমার্চের গাড়িবহর। পথে পদ্মা সেতু পার হয়েছে ৭৭৮টি যানবাহন। খুলনায় পথসভা শেষে যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ায় সমাপনী সমাবেশের কর্মসূচি রয়েছে।
সকাল ৭টায় বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে গাড়িবহর যাত্রা করে। উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারাও এতে অংশ নেন।
পদ্মা সেতু পার ৭৭৮ গাড়ি
লংমার্চের গাড়িবহর সকাল ১০টার দিকে পদ্মা সেতু পার হয়। সেতুর টোলপ্লাজার তথ্য অনুযায়ী, বহরে মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, জিপসহ বিভিন্ন ধরনের মোট ৭৭৮টি যানবাহন ছিল। এসব যানবাহন থেকে টোল বাবদ আদায় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে আগে জানানো হয়েছিল, ঢাকা থেকে ৬০০ থেকে ৭০০ গাড়ি নিয়ে যাত্রা শুরু হবে। পথে বিভিন্ন জেলা থেকে আরও গাড়ি যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। ১৯টি জেলার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা।
খুলনায় পথসভা, এরপর যশোর-ঝিনাইদহ
লংমার্চের কর্মসূচি অনুযায়ী, পথে শরীয়তপুরের জাজিরা, বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাটাখালী, খুলনার শিববাড়ী ও ফুলতলা, যশোরের মুরলী মোড় এবং ঝিনাইদহ বাস টার্মিনাল এলাকায় পথসভা আয়োজনের সূচি রয়েছে।
খুলনার শিববাড়ী মোড়ে শনিবার বেলা ১১টা থেকে পথসভা শুরু হয়। পরে লংমার্চের বহর সেখানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। পথসভাগুলোতে সাত দফা দাবির পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরছেন জোটের নেতারা।
কুষ্টিয়ায় সমাপনী সমাবেশ
লংমার্চের শেষ গন্তব্য কুষ্টিয়া। শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশ আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আয়োজকদের ঘোষিত সূচিতে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় সমাবেশের কথা জানানো হয়েছে। সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
যে সাত দাবিতে লংমার্চ
১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ।
আয়োজকদের ভাষ্য, এসব দাবি আদায়ে জনমত গড়ে তুলতেই দেশজুড়ে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই লংমার্চ আয়োজন করা হয়েছে।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : 



















