ঠাকুরগাঁওয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে অসম্মান ও দাফনে বাধার প্রতিবাদে মানববন্ধন
জসীম উদ্দীন ইতি, ঠাকুরগাঁওপিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তাঁর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা ও দাফনে বাধা প্রদান এবং তাঁকে অসম্মান করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২০২৬) সকালে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ঠাকুরগাঁও জেলা ইউনিট কমান্ডের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ঠাকুরগাঁও জেলা ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক ও জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর করিমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন— জেলা ইউনিট কমান্ডের যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল হক চৌধুরী, সদর উপজেলা কমান্ডার আনোয়ার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান, বিভিন্ন উপজেলার ইউনিট কমান্ডের নেতৃবৃন্দ, এবং মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার আহ্বায়ক মীর জাহিদ ও সদস্য সচিব নজরুল ইসলাম রনি প্রমুখ।বক্তারা বলেন, দেশের জন্য জীবন বাজি রাখা বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুর পর তাঁর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনে বাধা দেওয়া এবং অসম্মান করা জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক ও ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। এটি কেবল একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার অপমান নয়, বরং পুরো জাতির চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের ওপর আঘাত।বক্তারা অবিলম্বে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। অন্যথায় দেশব্যাপী আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।
জসীম উদ্দীন ইতি, ঠাকুরগাঁও
পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তাঁর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা ও দাফনে বাধা প্রদান এবং তাঁকে অসম্মান করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২০২৬) সকালে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ঠাকুরগাঁও জেলা ইউনিট কমান্ডের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ঠাকুরগাঁও জেলা ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক ও জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর করিমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন— জেলা ইউনিট কমান্ডের যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল হক চৌধুরী, সদর উপজেলা কমান্ডার আনোয়ার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান, বিভিন্ন উপজেলার ইউনিট কমান্ডের নেতৃবৃন্দ, এবং মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার আহ্বায়ক মীর জাহিদ ও সদস্য সচিব নজরুল ইসলাম রনি প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, দেশের জন্য জীবন বাজি রাখা বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুর পর তাঁর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনে বাধা দেওয়া এবং অসম্মান করা জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক ও ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। এটি কেবল একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার অপমান নয়, বরং পুরো জাতির চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের ওপর আঘাত।
বক্তারা অবিলম্বে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। অন্যথায় দেশব্যাপী আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।