দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫
২৩৮
বার পঠিত
স্কুলের গভীর নলকূপের পানি ব্যবহার হচ্ছে বসতবাড়িতে, শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত বিশুদ্ধ পানি থেকে
মোঃ আমিন হোসেনঃ ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সিদ্ধাকাঠী ইউনিয়নের মালোয়ার ৬৩ নং আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গভীর নলকূপ থেকে অবৈধভাবে বসতবাড়িতে পানি সংযোগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে করে শিক্ষার্থীরা বিশুদ্ধ পানি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। . সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের ডিপ টিউবওয়েল চাপলে সেখান থেকে পানি আসছে না। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই নলকূপ থেকে অবৈধভাবে একটি আলাদা মটর সংযোগ দিয়ে পানি নেয়া হচ্ছে পার্শ্ববর্তী ২টি বাড়িতে। ফলে টিউবওয়েলে স্বাভাবিকভাবে পানি ওঠে না এবং শিক্ষার্থীরা খাওয়ার উপযোগী পানি পায় না। . এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, বিষয়টি একাধিকবার বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহিনা ম্যাডামকে অবহিত করা হলেও এখনো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। . বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত আড্যহক কমিটির সভাপতি সুইট খান জানান,বিষয়টি আসলেই অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি একাধিকবার সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করেছি, কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। . এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শিরিন আক্তারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।স্থানীয়রা দ্রুত অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে শিক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
মোঃ আমিন হোসেনঃ
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সিদ্ধাকাঠী ইউনিয়নের মালোয়ার ৬৩ নং আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গভীর নলকূপ থেকে অবৈধভাবে বসতবাড়িতে পানি সংযোগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে করে শিক্ষার্থীরা বিশুদ্ধ পানি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
.
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের ডিপ টিউবওয়েল চাপলে সেখান থেকে পানি আসছে না। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই নলকূপ থেকে অবৈধভাবে একটি আলাদা মটর সংযোগ দিয়ে পানি নেয়া হচ্ছে পার্শ্ববর্তী ২টি বাড়িতে। ফলে টিউবওয়েলে স্বাভাবিকভাবে পানি ওঠে না এবং শিক্ষার্থীরা খাওয়ার উপযোগী পানি পায় না।
.
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, বিষয়টি একাধিকবার বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহিনা ম্যাডামকে অবহিত করা হলেও এখনো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
.
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত আড্যহক কমিটির সভাপতি সুইট খান জানান,বিষয়টি আসলেই অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি একাধিকবার সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করেছি, কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
.
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শিরিন আক্তারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।স্থানীয়রা দ্রুত অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে শিক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।