ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

সালথায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালন

আজিজুর রহমানঃ

 

ফরিদপুরের সালথায় বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা আর আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী অনুষ্ঠান পালন করা হচ্ছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় মন্দির শ্রী শ্রী সালথাপাড়া থেকে বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়।

 

র‍্যালিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ রং-বেরঙের পোশাক ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। র‍্যালিতে অংশ নেওয়া হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা সমির সাহা বলেন, কয়েক হাজার বছর পূর্বে দাপর যুগে আজকের এই দিনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মানব অবতার রূপে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

 

ভগবানের আবির্ভাবের উদ্দেশ্য ছিল অত্যাচারী ও দুষ্টকে দমন করার জন্য এবং শিষ্টের পালন করার জন্য এ দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র দিন। আমরা আজকের দিনে ভগবানকে স্মরণ করবো। উপবাস পালন করবো। প্রতিটি বাড়িতে পূজা বিধি পালনের মধ্য দিয়ে আমরা এই পবিত্র তিথি জন্মাষ্টমী উদযাপন করব।

র‍্যালিতে অংশ নেওয়া অনন্ত কুমার বিশ্বাস জানান, দ্বাপর যুগে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথির রোহিণী নক্ষত্রে বাসুদেব-দেবকীর কোলে কংসের কারাগারে জন্মগ্রহণ করেন শ্রীকৃষ্ণ। অষ্টমী তিথিতে দেবকীর অষ্টম গর্ভে আবির্ভূত হয়েছিলেন বলে এই জন্মতিথির নাম জন্মাষ্টমী তিথি বলা হয়। শ্রীকৃষ্ণ কংসের কারাগারে যখন আবির্ভূত হয়েছিলেন,তখন দুরাচারী কংসের অত্যাচারে অতিষ্ঠ সবাই। পৃথিবী থেকে দুরাচারী দুষ্টদের দমন আর সজ্জনদের রক্ষার জন্যই তাদের মহাবতার এই দিনে পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন।

 

ভগবানের আবির্ভাবের মধ্য দিয়ে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন করা হয়। এটা হচ্ছে আজকের দিনের তাৎপর্য। আমরা এই শুভ তিথিতে দেশের সকল মানুষকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং সকলের মঙ্গল কামনা করছি। সবাই যেন ভালো থাকে, দেশ যেন ভালো থাকে, সেই প্রার্থনা করছি।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি অজয় কর, সালথা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি সমীর কুমার সাহাসহ প্রহ্লাদ, অসিত কুমার নাগ, বিপ্লব কুমার সাহা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও ভক্তবৃন্দ।

 

মঙ্গল শোভাযাত্রা শেষে কেন্দ্রীয় মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

 

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সালথায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালন

error: Content is protected !!

সালথায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালন

আপডেট টাইম : ১৮ ঘন্টা আগে
এফ. এম আজিজুর রহমান আজিজ, সালথা (ফরিদপুর) ফরিদপুর :

আজিজুর রহমানঃ

 

ফরিদপুরের সালথায় বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা আর আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী অনুষ্ঠান পালন করা হচ্ছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় মন্দির শ্রী শ্রী সালথাপাড়া থেকে বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়।

 

র‍্যালিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ রং-বেরঙের পোশাক ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। র‍্যালিতে অংশ নেওয়া হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা সমির সাহা বলেন, কয়েক হাজার বছর পূর্বে দাপর যুগে আজকের এই দিনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মানব অবতার রূপে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

 

ভগবানের আবির্ভাবের উদ্দেশ্য ছিল অত্যাচারী ও দুষ্টকে দমন করার জন্য এবং শিষ্টের পালন করার জন্য এ দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র দিন। আমরা আজকের দিনে ভগবানকে স্মরণ করবো। উপবাস পালন করবো। প্রতিটি বাড়িতে পূজা বিধি পালনের মধ্য দিয়ে আমরা এই পবিত্র তিথি জন্মাষ্টমী উদযাপন করব।

র‍্যালিতে অংশ নেওয়া অনন্ত কুমার বিশ্বাস জানান, দ্বাপর যুগে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথির রোহিণী নক্ষত্রে বাসুদেব-দেবকীর কোলে কংসের কারাগারে জন্মগ্রহণ করেন শ্রীকৃষ্ণ। অষ্টমী তিথিতে দেবকীর অষ্টম গর্ভে আবির্ভূত হয়েছিলেন বলে এই জন্মতিথির নাম জন্মাষ্টমী তিথি বলা হয়। শ্রীকৃষ্ণ কংসের কারাগারে যখন আবির্ভূত হয়েছিলেন,তখন দুরাচারী কংসের অত্যাচারে অতিষ্ঠ সবাই। পৃথিবী থেকে দুরাচারী দুষ্টদের দমন আর সজ্জনদের রক্ষার জন্যই তাদের মহাবতার এই দিনে পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন।

 

ভগবানের আবির্ভাবের মধ্য দিয়ে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন করা হয়। এটা হচ্ছে আজকের দিনের তাৎপর্য। আমরা এই শুভ তিথিতে দেশের সকল মানুষকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং সকলের মঙ্গল কামনা করছি। সবাই যেন ভালো থাকে, দেশ যেন ভালো থাকে, সেই প্রার্থনা করছি।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি অজয় কর, সালথা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি সমীর কুমার সাহাসহ প্রহ্লাদ, অসিত কুমার নাগ, বিপ্লব কুমার সাহা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও ভক্তবৃন্দ।

 

মঙ্গল শোভাযাত্রা শেষে কেন্দ্রীয় মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।