দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ এপ্রিল ২০২১
৩২৫
বার পঠিত
শৈলকুপায় সেচ ক্যানেল ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ প্রতিবাদে কৃষকদের মানবন্ধন
ঝিনাইদহের শৈলকুপার পুরাতন বাখরবা গ্রামের জিকে সেচ প্রকল্পের ক্যানেল ভরাট করে সড়ক নির্মাণের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকার কৃষকরা। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ‘অবিরাম উন্নয়নে বাংলাদেশ’ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে উপজেলার সারুটিয়া ইউনিয়নের বাখরবা গ্রামে জিকে সেচ প্রকল্পের পাশে কয়েক’শ কৃষক ও গ্রামবাসী এ মানববন্ধন কর্মসুচিতে অংশ গ্রহন করেন। মানববন্ধন শেষে এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, মোঃ উজ্জল আলী, কৃষক সোহেল বিশ্বাস ও দুলাল বিশ্বাস। তারা অভিযোগ করে বলেন, ১৯৫৪ সালের তৎকালীন পূর্বপাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের যুক্তফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ কামরুজ্জামানের পক্ষে নির্বাচনী জনসভায় বক্তৃতা করার জন্য পুরাতন বাখরবার এই পথ দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এসেছিলেন। ১৯৭১ সালের পরবর্তী সময়ে এই রাস্তাটির ২০০ মিটার কাজ হচ্ছে তাতেও স্বচ্ছতা রাখা হচ্ছে না। রাস্তার পাশের গাছগুলো সব রাস্তার জায়গায় দাঁড়িয়ে। অথচ গ্রামের এক প্রভাবশালী ব্যক্তির কারণে সেচ ক্যানেল ভরাট করে বেআইনি কাজ করা হচ্ছে। ক্যানেলটি এলাকার কৃষকদের চাষাবাদের পানি সরবরাহের একমাত্র ভরসা। বক্রা প্রশ্ন তুলে বলেন, একজনের ব্যক্তি স্বার্থের জন্য এরকম দূর্নীতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত স্থানে কিভাবে হয়? ক্যানেলটি ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ করলে ওই এলাকার হাজার কৃষক হুমকীর মুখে পড়বে বলে তারা অভিযোগ করেন।
ঝিনাইদহের শৈলকুপার পুরাতন বাখরবা গ্রামের জিকে সেচ প্রকল্পের ক্যানেল ভরাট করে সড়ক নির্মাণের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকার কৃষকরা।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ‘অবিরাম উন্নয়নে বাংলাদেশ’ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে উপজেলার সারুটিয়া ইউনিয়নের বাখরবা গ্রামে জিকে সেচ প্রকল্পের পাশে কয়েক’শ কৃষক ও গ্রামবাসী এ মানববন্ধন কর্মসুচিতে অংশ গ্রহন করেন।
মানববন্ধন শেষে এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, মোঃ উজ্জল আলী, কৃষক সোহেল বিশ্বাস ও দুলাল বিশ্বাস। তারা অভিযোগ করে বলেন, ১৯৫৪ সালের তৎকালীন পূর্বপাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের যুক্তফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ কামরুজ্জামানের পক্ষে নির্বাচনী জনসভায় বক্তৃতা করার জন্য পুরাতন বাখরবার এই পথ দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এসেছিলেন।
১৯৭১ সালের পরবর্তী সময়ে এই রাস্তাটির ২০০ মিটার কাজ হচ্ছে তাতেও স্বচ্ছতা রাখা হচ্ছে না। রাস্তার পাশের গাছগুলো সব রাস্তার জায়গায় দাঁড়িয়ে। অথচ গ্রামের এক প্রভাবশালী ব্যক্তির কারণে সেচ ক্যানেল ভরাট করে বেআইনি কাজ করা হচ্ছে।
ক্যানেলটি এলাকার কৃষকদের চাষাবাদের পানি সরবরাহের একমাত্র ভরসা। বক্রা প্রশ্ন তুলে বলেন, একজনের ব্যক্তি স্বার্থের জন্য এরকম দূর্নীতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত স্থানে কিভাবে হয়? ক্যানেলটি ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ করলে ওই এলাকার হাজার কৃষক হুমকীর মুখে পড়বে বলে তারা অভিযোগ করেন।